somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

শুভ্র জ্যোৎস্নার খোঁজ...

১২ ই আগস্ট, ২০১২ রাত ১১:০৯
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

চোখ না খুলেই কড়া ফিনাইলের গন্ধ পেলাম । মানে এটা হাসপাতাল । কিন্তু কালরাতে এসে ঘুমিয়েছি মেসে । হাসপাতালে তো থাকার কথা না । এসব ভাবতে ভাবতে চোখ খুললাম । ফিনাইলের গন্ধ গায়েব হয়ে গেলো । আমার রুমের গন্ধ পেলাম । তবে প্রথমে হাসপাতালের গন্ধ কেনো পেলাম সেটা একটা রহস্য । তবে কি গল্পো হাসপাতালে শেষ হবে !!
চোখ খুলে দেখলাম আমার রুমমেট মিলন ওর প্লাস্টিকের চেয়ারটায় বসে আছে । কোন ব্র্যান্ডের জানিনা । অনেকদিন ভেবেছি মিলনের চেয়ারের ব্র্যান্ড দেখবো । দেখা হয়নাই এপর্যন্ত । প্লাস্টিকের চেয়ার হলেই আমার আমার আর এফ এল এর মনে হয় । সে তার কুনুই দিয়ে চেয়ারের হাতলে চাপ দিচ্ছে জোরে । হাতল চাপ পেয়ে বেকে যাচ্ছে । আমাকে দেখেই মিলন বললো,
- পরি দেখ, চেয়ার এক্সপায়ার ডেটে যেতে সময় আছে আরো ৪ বছর । ১ বছর হয়েছে । এখনই কেমন বেকে যাচ্ছে ।
: তুই যেভাবে বাকাচ্ছিস তাতে ভেঙে যে যাচ্ছেনা এটাই তো অনেক ।
- কি বলিস । কিছুদিন আগেও এটা একদম শক্ত ছিলো । চাপ দিলেও বেকে যেতোনা
: অ । এখন কি করবি ভাবছিস ।
- গ্যারান্টি কার্ড এখনো আছে । ডেটও আছে । নিয়ে যাবো । চেন্জ করে নিয়ে আসবো ।
: ঠিক আছে । নিয়ে যাস ।
আমি উঠে মুখ ধুয়ে বেরিয়ে পড়লাম বাইরে ।কোথাও নাস্তা করা উচিত । প্রচন্ড ক্ষুধার অস্তিত্ব টের পাচ্ছি । নিবারণ করা দরকার । একটা আগুন গরম চায়েরও প্রয়োজন । তারচেয়ের বড় কথা আজও মিলনের চেয়ারের নাম জানা হলোনা....

টমেটোর মতো একটা চাঁদ উঠেছে । বিচ্ছিরি লাগছে । টমেটোর চাঁদের জ্যোত্‍স্নাও টমেটোর মতো । মরা মরা ভাব । আমি হাঁটছি সেই মরা মরা জ্যোত্‍স্নার ভেতর দিয়ে । পাশের গলিতে এসে জহিরুলের বাসার সামনে দাড়ালাম । আমার পরিচয় জহিরুলের ছোটো ছেলেটার সাথে । যাদের সাথে আমার বাসায় যাওয়ার মতো পরিচয় থাকে তাদের কিছু বিশেষত্ব থাকে । এই ছেলেটার বিশেষত্ব হচ্ছে এ খুব সহজে মানুষ আপন করে নিতে পারে । আর একটা বিশেষত্বও আছে । এই ছেলের পায়ুপথ তার পেটে । অর্থ্যাত্‍ নাভীর পাশে । জন্মের সময় নাড়ীভূড়ি পেচ লেগে জন্মেছিলো । ছোটো থাকতে দুবার অপারেশন হয়েছে । ডাক্তাররা খুচখুচি করে পেট ফুটো করে পায়খানার রাস্তা করে দিয়েছেন । এই ছেলের বয়স এখন প্রায় ১৩ । আরেকটা বড় অপারেশন দরকার এই সময়ে । জহিরুলের সেই সামর্থ্য নেই । সে হচ্ছে কোনো এক রাজমিস্ত্রির ডান হাত । বাপ ছেলের এই সংসার সে চালায় অতিকষ্টে । অসুস্থ ছেলে বাবার সাথে কাজেও যেতে পারেনা ।রাতের বেলাতে জহিরুলকে পাওয়ার যায়না।
আজ কেবল এখনো সন্ধার রেশ রয়েছে । একটা চান্স নিয়ে দেখি । বাসায় ঢুকে দড়জায় টোকা দিলাম । জহিরুলের ছেলে "কে" বলে জবাব দিলো ভেতর থেকে । ওর ছেলের নাম মনে পড়ছেনা । ও হ্যা মনে পড়েছে ইফতেখার ।
- চাচ্চু দড়জা খোলো তো? দড়জা খুললো জহিরুল । বললো,
: আরে পরি ভাই । আপনি এতদিন পরে? আসেন ভেতরে আসেন ।
- উহু ভেতরে যাবোনা । তুমি একটা শার্ট পড়ে এসো । এক জায়গায় নিয়ে যাবো । চলো জলদি । জহিরুল শার্ট পরে এলো ।
- ইফতেখার একা একা ভয় পাবেনা তো ?
: নাহ । ওর অভ্যেস আছে । আমার তো প্রায়ই রাতেও কাজ থাকে । ও তখন একলাই থাকে ।
- ওর অসুখের ব্যাপারে কি করবে ?
: কি আর করবো পরি ভাই । টাকা জমানোর চেষ্টা করতেছি । কিন্তু জমতেছেনা । সংসার ই তো চলেনা যা যা পাই । বড় বেকায়দায় আছি পরি ভাই । আচ্ছা আমরা যাচ্ছি কোথায় পরি ভাই ?
আমি জবাব দিলামনা । জহিরুলকে নিয়ে হাটতে থাকলাম ।

জহিরুলকে নিয়ে এসেছি এক বিশাল শিল্পপতির বাড়ি । আশফাক হোসেন। এই ভদ্রলোকের এতো সম্পত্তি যে এনার বছরে যাকাত হয় ১কোটি টাকা । এই টাকাটা ইনি নিজের হাতে গরীব মানুষদের বিভিন্ন অসহায় জায়গায় সাহায্য করেন । তবে সবকিছু করেন একেবারে নিজে । যেমন কেউ মেয়ে বিয়ে দিতে পারছেনা তিনি সেই বিয়ে দিয়ে
দিবেন । কারও গুরুতর অপরেশন দরকার তিনি নিজে সব ব্যাবস্থা করে অপারেশন করে দেবেন । আমার কেইসটা ২য় ধাপের । জহিরুল একটু ভয় পাচ্ছে । ওকে সব বুঝিয়ে বললাম । ইনি হচ্ছেন আমার এলাকার গত হয়ে যাওয়া এক মন্ত্রীর জামাই । শোনা যাচ্ছে এবার তিনিই সেই এলাকা থেকে দাড়াবেন । জহিরুলের সাথে কথা বার্তার এই পর্যায়ে ভদ্রলোক এসে ঘরে ঢুকলেন ।

জামাই ভদ্রলোক আগামীকাল ইফতেখারকে দেখতে চেয়েছেন । জহিরুল একটা স্বস্তি পাচ্ছে । সে এখন আমার পাশে হাঁটছে অতিরিক্ত উত্তেজনায় ।
: কি বলেন পরি ভাই ? এবার কি তবে ইফতেখারের অপারেশনটা করাইতে পারবো ?
- হু । মনে হয় পারবে । কাল এনে এনাকে দেখাবা ।
: দেখাবা মানে আপনি থাকবেননা ? আপনি না থাকলে হয় নাকি ?
- হওয়ালেই হয় । আমার কাজ এপর্যন্তই । বাকি কাজ তোমার নিজের । নিজেই সব করবা । আমি হয়তো বড়জোর একদিন এসে দেখে যাবো ইফতেখারকে ।
জহিরুল দুঃখিত চোখে আমার দিকে তাকিয়ে থাকলো । আমি হাসলাম । বললাম
- জহিরুল সামনের গলিটা ধরে গেলেই তোমার বাড়ী । যাও আজ ইফতেখারকে বুকে জড়িয়ে ধরে শান্তির একটা ঘুম দাও ।
: আর আপনি পরি ভাই ? আমি হাসলাম । জহিরুল কি বুঝলো কে জানে ! তবে সে সামনের গলিতে ঢুকে গেলো ।

আমি হাঁটছি । জ্যোত্‍স্না ছায়াপড়ছে রাস্তায় । আমি ভাবছি । মাথায় আমার বাবার দাদাজান, আমার দাদাজান এবং আমার বাবা গোলযোগ করছে একসাথে । আমার বংশের প্রায় সবাই পরিব্রাজক টাইপ ছিলেন । আমার বাবার দাদাজান মহাজ্ঞানী মানুষ ছিলেন । পড়াশুনা করেছেন দিল্লিতে । জীবনের প্রায় অর্ধেক কাটিয়েছেন পড়াশোনা আর ঘোরাঘুরি করে । তারপর অবশ্য ঘরে ফিরে আসেন । তবে কিছুদিন পর পর বের হতেন পরিভ্রমণে ।
আমার দাদাজান ছিলেন একাধারে বাবার সবচেয়ে বড়, সবচেয়ে জেদী এবং সবচেয়ে রাগী ধরণের ছেলে । তিনি রাগ করে বাসা থেকে বের হয়ে যেতেন । তিন চার মাস ঘুরাঘুরি শেষে বাসায় ফিরতেন । আমার ধারণা পরবর্তিতে তিনি ইচ্ছে করেই রাগের ভান করে বেরিয়ে যেতেন । যথারীতি আরো একবার তিনি রাগ করে বেরিয়ে গেলেন বাসা থেকে । তবে এবার ৬মাসও কোনো পাত্তা নেই । যখন ধারণা করা হলো তিনি বেঁচে নেই তখন তিনি খবর পাঠালেন তিনি দার্জিলিং এ আছেন । এবং হোমিওপ্যাথের উপর দীক্ষা নিচ্ছেন । দাদাজান ফিরলেন প্রায় ৩বছর পরে । হোমিওপ্যাথির ডাক্তার হয়ে । গ্রামে এসে শুরু করলেন ডাক্তারী । জমে গেলো । সেই গ্রাম সহ আশপাশের আরো অনেক গ্রামে ছড়িয়ে পড়লো ডাক্তারী খ্যাতি । ডাক্তারীর পাশাপাশি তিনি আরেকটি জিনিসও শিখে এসেছিলেন খুব ভালোভাবে । কালোজাদু । যদিও কখনো প্রয়োগ করতেননা এসব । মসজিদের ইমাম ছিলেন যতদিন শরীরে কুলিয়েছে । খুব সাধারণ কিছু হলে জাফরান দিয়ে গোটা গোটা অক্ষরে তাবিজ লিখতেন । কালোজাদুর কয়েকটা বই দেখেছিলাম দাদাজানের কাছে । একবার একটা পড়তে গিয়েছিলাম । দাদাজান বইটা কেড়ে নিয়ে কড়া নিষেধ করে দিয়েছিলেন । কেনো জিজ্ঞেস করাতে দাদাজান বলেছিলেন "কৌতুহল কম রাখবি । যে জিনিসে প্রচন্ড কৌতুহল থাকবে সেই জিনিসের প্রতি যদি ভয়াবহ বিরুপতা দেখাতে পারিস তবে নির্লিপ্ত হতে পারবি । দুনিয়াতে নির্লিপ্ততা বড়ই প্রয়োজন । এই বইয়ে এমন বইয়ে এমন কিছু জিনিস আছে যা পড়লেই সেটা হাতে কলমে করতে ইচ্ছে হবে । যতক্ষণ না করবি স্বস্তি পাবিনা কোথাও । খেয়াল রাখিস কালোজাদু হচ্ছে কুচকুচে কালোজাদু ।" দাদাজানেরও অভ্যেস ছিলো মাঝে মাঝে ডাক্তারী ইমামতি সব থেকে ছুটি নিয়ে বেরিয়ে পড়া । মাসখানেক পর আবার বাসায় ফিরে আসতেন সেই দৈনন্দিন রুটিনে । অসুস্থ হবার পর দাদাজান বাড়ীর বাইরের বারান্দায় চৌকিতে বসে শুধু ডাক্তারী করে গেছেন । কোথাও বেরুতে পারেননি আর । একেবারেই বাধা পড়ে গিয়েছিলেন।
আমার বাবা দাদাজানের ২য় সন্তান । স্কুল জীবনেই বাসা থেকে বেরিয়ে পড়েন । কলেজ শেষ করেন ঠাকুরগাঁওয়ে অন্যের বাসায় লজিং থেকে । তারপর অনার্সের জন্যে চলে যান রাজশাহীতে । ইচ্ছা ছিলো প্রশাসন নিয়ে পড়ার । কিন্তু পয়সার অভাবে ভার্সিটিতে অনার্সেও ভর্তি হতে পারলেননা । ভর্তি হলেন বি এস সি তে । বি এস সি শেষ করে বি এড করলেন । ইতিমধ্যে রাজশাহীতেই একটা স্কুল টীচারের চাকরী পেয়ে গেলেন । চাকরী করলেন তিন মাস । মন টিকলোনা । এতদিন বাসার সাথে কোনো যোগাযোগ তার ছিলোনা । এবার বাসায় ফিরলেন । মোটামুটি হৈ হৈ পরে গেলো । তিনি গ্রামের হাইস্কুলে চাকরী করলেন ৬মাসের মতো । এরপর তার ডাক এলো তখনকার সময়ের নামকরা এক স্কুল থেকে । তিনি আবার বের হলেন বাসা থেকে । ঐ স্কুলে এসে চাকরী জয়েন করে স্থায়ী হয়ে গেলেন শহরে । এখন আমার পালা । 'সো মাস্ট গোয়িং অন...'

ফিরে এলাম মেসে । মিলন ঘুমিয়েছে । কেন জানি মনে হচ্ছিলো ঘরে ঢুকে দেখবো মিলন ওর চেয়ারের হাতল ভেঙে ফেলেছে । তেমন কিছু দেখলামনা । মিলন ঘুমুচ্ছে । চেয়ারের হাতল ঠিক ই আছে । আমার শরীর বিদ্রোহ শুরু করছে প্রবলভাবে । সব গুলিয়ে আসছে । আমি গা এলিয়ে দিলাম বিছানায় । মনে হয় প্রায় সঙ্গে সঙ্গেই ঘুমিয়ে পড়লাম ।

প্রচন্ড জ্বরের ঘোরে ঘুম ভাঙলো আমার মোবাইলের রিংটোনে । রংতরু । আমার ছোটবোনের ফোন । রিসিভড করলাম । খুশিতে কিংবা আনন্দে আমার চোখ দিয়ে প্রায় পানি পড়ছে । কারণ রংতরুর সাথে কথা হচ্ছে প্রায় আড়াই মাস পর । পরিব্রাজকদের চোখে পানি আসতে নেই । আমি কথা বলছি যথাসম্ভব স্বাভাবিক ভঙ্গিতে । রংতরু বুঝতে পারলো কিনা কে জানে !! কথা শেষে আমি আবার ঘুমিয়ে পড়লাম । তবে ঘুমানোর আগে মিলনের চেয়ারের ব্র্যান্ড এর নাম দেখলাম। বেঙ্গল ফার্নিচারের চেয়ার।

তিন দিন পর আমি বের হয়েছি । উদ্দেশ্য ডাক্তার দেখানো । মিলনের হিসেবে গত তিন দিন আমি মরার মতো পড়ে ছিলাম । জ্বর ছিলো ১০৪ডিগ্রি । সাথে বমি । আজ একটু ভালোলাগছে দেখে বের হলাম ।হাঁটতে হাঁটতে চলে এলাম এক বিশাল ক্লিনিক এর সামনে । জায়গাটা চিনতে পারলাম । আশফাক হোসেন সাহেবের পাশের এলাকা । আমি দেখাবো ক্লিনিকের সামনের ঔষধের দোকানে যেই ডাক্তার বসে তাকে । বহুক্ষণ বসে থেকে সিরিয়াল পেলাম । আমার শরীর আবার খারাপের দিকে যাচ্ছে । ডাক্তার সাহেবকে সবকিছু বললাম । তিনি থার্মোমিটার মুখে গুজে দিতেই আমার বমি আসার উপক্রম হলো । ডাক্তার বুঝতে পেরে বের করে নিলেন । প্রেসক্রিপশান হাতে নিয়ে রাস্তায় নামতেই সব অন্ধাকার হয়ে আসতে লাগলো । বমি আসলো প্রচন্ড । আমি আন্দাজে এককোণে গিয়ে বমি করলাম ।
আমার চারপাশ পুরোপুরি অন্ধকার হয়ে আসলো । মাথার ভেতর বাজতে লাগলো "আই ওয়াক আ লোনলি রোড" । আমি পা ফেলে সামনে আগাবার চেষ্টা করলাম । পারলাম কিনা বুঝলামনা । বুঝলাম আমি পড়ে যাচ্ছি । শেষ মূহুর্তে কেউ একজন এসে ধরেছে । আর মাথার ভেতর অনন্তকাল ধরে বাজতে আছে "আই ওয়াক আ লোনলি রোড"...

আমি শুয়ে আছি একটা শুভ্র কবরে । আমার বাম পাশে একদল ফ্যাশনেবল মানুষ । ডানপাশে একদল শুভ্র মানব । এদের দেখেই শুদ্ধ মনে হয় । আমাকে বলা হলো আমি কোনদিকে যাবো । আমি ডানপাশে হাত বাড়ালাম । শুভ্র মানবের একজন আমার হাত ধরে তুলে নিলো । এরপর আমি হাটতে থাকলাম তাদের পেছনে । চারদিক একটা অসহ্য রকম শান্তি আর শুদ্ধতা । ধীরে ধীরে শুভ্রতা মিলিয়ে গেলো । আমি চোখ খুলে দেখি আমার একপাশে ইফতেখার আর একপাশে জহিরুল বসে আছে । জহিরুলের মুখে শুনলাম এখানে ইফতেখারের অপরেশান হয়েছে । আর দু এক দিনেই রিলিজ দিয়ে দিবে । সেদিন ইফতেখারে জন্য ঔষধ আনতে গিয়ে দেখে জহিরুল আমায় দেখে যে আমি পড়ে যাচ্ছি । ও ছুটে গিয়ে ধরে । এরপর এখানে ভর্তি করিয়ে দেয় । গত দুই দিন পর আজ আমার জ্ঞান ফিরেছে । আমি ইফতেখারের সাথে কিছুক্ষণ কথাবার্তা চালালাম । ক্লান্তিতে চোখ বুজে আসছে ।

আমি আবার চোখ বুজলাম সেই শুভ্র মানবদের খোঁজে । তবে এবার দেখলাম একটা পরিপূর্ণ চাঁদ । আর ঝলমল করা জ্যোত্‍স্না । তখন ই মনে হলো আজ পূর্ণিমা । আমি চোখ খুলে জানালার দিকে তাকালাম । চমত্‍কার একটা চাঁদ উঠেছে বাইরে । আজ পূর্ণিমা । আজ জ্যোত্‍স্না বিলাস । চলছে শুভ্র জ্যোত্‍স্নার খোঁজ...
৭টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

আমার মনের ঘোর গেলো না (উৎসর্গঃ প্রিয় ব্লগার ইমন জুবায়ের)

লিখেছেন চারাগাছ, ২৭ শে অক্টোবর, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:৩১




আমার মনের ঘোর গেলো না


উৎসর্গ

প্রিয় ব্লগার ইমন জুবায়েরের স্মৃতির প্রতি।

তিনি নেই। অনেক বছর হলো।

তবু তাঁর ব্লগে ঢুকলে মনে হয়, কোথাও যেন কিছুই থেমে নেই। লেখাগুলো আছে, শব্দগুলো... ...বাকিটুকু পড়ুন

জঙ্গল পরিষ্কার করে সাপ তাড়ানাে...

লিখেছেন অপলক , ২৭ শে অক্টোবর, ২০২৬ রাত ১০:৪১

নেট দুনিয়ায় ছড়িয়ে পড়েছে: পাকিস্তান এবং বাংলাদেশে বসবাসকারী স্থায়ী হিন্দু অধিবাসীরা চাইলে খুব সহজে তাদের নাগরিকত্ব দেবে ভারত। যদি এই খবরটা সত্য হয়, তবে বাংলাদেশের জন্য সেটা মারাত্মক ভয়ঙ্কর ঘটনা।... ...বাকিটুকু পড়ুন

বিএনপি’কে মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের দল বলার কোনো কারণ নাই!!

লিখেছেন ক্লোন রাফা, ২৮ শে অক্টোবর, ২০২৬ রাত ১২:২৩



জাতীয় সন্মাননা কি কোনো গোপন বিষয় । একজন বীর মুক্তিযোদ্ধা’কে গার্ড অফ অনার দিতে এত অনীহা কেনো বর্তমান সরকারের ‼️

আজ বারবার আমার গোআ’র কুপুত্রের একটি... ...বাকিটুকু পড়ুন

সাড়ে হাজার বিজ্ঞানী এবং একটি স্ক্যামের গল্প

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ২৮ শে অক্টোবর, ২০২৬ রাত ১:২৮


জুলাইয়ের কোটা আন্দোলনের পর বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের সম্পর্কের উন্নতি হয়েছে। সেই সম্পর্কের নতুন অধ্যায়ের অংশ হিসেবে পাকিস্তান বাংলাদেশের শিক্ষার্থীদের জন্য ‘নলেজ করিডোর’-এর আওতায় আল্লামা ইকবাল বৃত্তি চালু করে। ২০২৫... ...বাকিটুকু পড়ুন

হাসিনা-বিভ্রাট: এটা ট্রল নয়, কূটনৈতিক সতর্কসংকেত

লিখেছেন এস.এম. আজাদ রহমান, ২৮ শে অক্টোবর, ২০২৬ সকাল ৯:৫৮


হাসিনা-বিভ্রাট: এটা ট্রল নয়, কূটনৈতিক সতর্কসংকেত

জাপানের এক প্রভাবশালী সংসদ সদস্যের একটি পোস্ট নিয়ে সামাজিক মাধ্যমে হাসাহাসি চলছে। আমার মনে হয়, হাসির আড়ালে আসল প্রশ্নটা চাপা পড়ে যাচ্ছে।

ঘটনাটা কী
প্রধানমন্ত্রী... ...বাকিটুকু পড়ুন

×