somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

পূর্বাকাশে ভোরের আলো দেখা নাহি যায়

১৪ ই অক্টোবর, ২০১২ রাত ১১:৫৮
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :


(আমার এই গল্পের সাথে যদি কারো জীবন বা জীবনের কিছু অংশ মিলে যায় তবে সেটা ব্যাখ্যা করার দ্বায় অবশ্যই আমার ।)

রেণু বেগমের দিনটা শুরু হয় মহা ব্যাস্ততার সাথে । তবে তার ব্যাস্ততার কারণ তার স্বামী বা তার ছেলে মেয়েরা কেউ নয় । তিনি তার সংসারে কারো ধার ধারেননা । প্রতি সকালে তার ধরা বাধা কিছু কাজ থাকে । কাজগুলো করে দেয় রহিমা বুয়া । এ পযর্ন্ত কোনদিন ই রহিমার কাজ তার পছন্দ হয়নি । আজো এর ব্যাতিক্রম ঘটেনি । রহিমাকে বলা হয়েছিলো গোলাপের টবের আগাছাগুলো তুলে ফেলার জন্যে । রহিমা আগাছা তুলেছে ঠিকই কিন্তু টবের মাটি সমান করে দেয়নি । এই নিয়েই এই সাত সকালে রেণু বেগম আর রহিমার মধ্যে তুমুল লেগে গেছে । রেনু বেগম যত জোরে চিৎকার করছেন রহিমা তার চেয়েও তিনগুন জোরে চিৎকার করছে । এ বাড়ির নিত্য নিয়ম অনুসারে এই চিতকারেই বাড়ির আর সকলের ঘুম ভাঙে ।

মজনু সাহেব অফিস যাবার জন্য ঘটনাটা ঠিক তখনি ঘটলো তার চশমার ফ্রেম থেকে একটা গ্লাস খুলে পড়ে গেলো । তিনি বড়ই অস্বস্তিতে পড়লেন । কারণ চশমা ছাড়া অফিসে যাওয়ার কোনো মানে হয়না । চশমা ছাড়া তিনি কোনো কাজ করতে পারেননা । আবার নতুন গ্লাস নিয়ে অফিস যেতে অনেক দেরী হয়ে যাবে । কোনো মতেই দেরী করা যাবেনা । মজনু সাহেবের অফিসে নতুন বস এসেছেন । দেখতে চেংড়া টাইপ তবে খুব রাগী । ইতিমধ্যে দুই জনকে বরখাস্তও করেছেন । নাস্তা করতে বসে মজনু সাহেব ঠিক করলেন আগে অফিসেই যাবেন । তারপর কি হবে দেখা যাবে ।
এ বাড়িতে মজনু সাহেবের কোনো ভূমিকা নেই । মাসের শুরুতে বেতনের সব টাকা তাকে তুলে দিতে হয় রেনু বেগমের হাতে । তার থেকে তিনি কিছু পকেট খরচ হিসেবে পান । এ বাড়ির কোনো কর্তা নেই । কর্তী আছে ।

রিমি এবার ভার্সিটিতে ভর্তি হয়েছে । এ বাড়িতে সে সবার ছোট । তার বড় বোন রিফাত এবার অনার্স ফাইন্যাল দিবে । আর বড় ভাই রিমন কম্পিউটার ইঞ্জিনিয়ারিং শেষ করে বাসায় বসে আছে । রিমির মেজাজ প্রতি সকালেই খারাপ থাকে । কেনো থাকে তার কোনো কারণ নেই । রাগটা সে ঝারে ভার্সিটিতে গিয়ে যে কারো ওপর । কিন্তু সমস্যা হচ্ছে আজ তার ভার্সিটি নেই । এখন তার মেজাজ খারাপ লাগছে ভির্সিটির ওপর । যে করেই হোক মেজাজ ভালো করতে হবে । টেলিফোনে নীতুকে ঝারলেও অবশ্য কাজ হয় । রিমি গেলো টেলিফোন করতে ।

ঘরে ঢুকেই রেণু দেখলো রিফাত পড়তে বসেছে । বেশ আয়োজন করে সুর করে পড়া । রেণুর বড় অসহ্য লাগে । সাত সকালে উঠে পড়তে বসবে স্কুল কলজের ছেলে মেয়েরা । ভার্সিটিতে পড়ার কোনো নিয়ম কানুন থাকবেনা । ইচ্ছে হলে পড়লাম না ইচ্ছে হলে নাই । অথচ তার এই মেয়ে এখনো স্কুল কলেজের ঐ নিয়ম ছেড়ে উঠতে পারেনি । অসহ্য!!
রিফাত,
হ্যা মা । কিছু বলবে ?
একটু বারান্দায় আয় তো ।
পারবোনা মা । পরশু হতে আমার পরীক্ষা । আমাকে বিরক্ত করোনা ।
তুই শুনবিনা ?
উহু । কাজ থাকলে অন্য কাউকে বলো ।
রেণু কিছু বললেননা । বের হয়ে যেতে যেতে ভাবলেন এ বাড়িতে কি তার কর্তিত্ব কমে যাচ্ছে??

রিমনরা কয়েক বন্ধু মিলে দার্জিলিং যাবার প্ল্যান করেছে । প্ল্যানটা বয়স আবশ্য প্রায় দেড় বছর । সকল প্রস্তুতি শেষ । সব ঠিক থাকলে আগামী বৃহস্পতিবার ওরা রওনা দিবে । প্রথমে ট্রেনে করে কলকাতা । তারপর সেখান থেকে দার্জিলিং । আজ শনিবার । হাতে মাত্র কয়েকটা দিন । রিফাত বের হতে যাচ্ছিলো । মেইন গেট খুলতেই দেখলো তার বয়সী কোট টাই পড়া এক সুদর্শন ছেলে তার সামনে । ছেলেটা বললো,
কিরে রিমন কেমন আছিস ?
ভালো । আপনাকে তো ঠিক চিনতে পারলামনা !!
ছেলেটা হাসলো । হাসিটা খুব পরিচিত লাগলো রিমনের ।
আরে আমি তারেক । চিনতে পারছিস ?
রিমন চিনতে পারছে । তারেক । মাঝারি উচ্চতার লম্বা টিঙটিঙে একটা ছেলে । রিমনের কলেজের ভালো বন্ধুদের মাঝে একজন । ভার্সিটিতে ওঠার পর ও আমেরিকায় চলে যায় । তারপর অনেকদিন আর কোনো খোজ নেই ওর । কিছুদিন আগে কলেজ রিইউনিয়নের দিন রিমন শোনে যে তারেক আমেরিকার কোনো এক ভার্সিটিতে লেকচারার পদে আছে । ব্যাস এই পর্যন্তই । সেই তারেক যে আজ তার বাসায় আসবে সেটা কে জানতো । তাছাড়া সেই তারেক আর এই তারেকের মধ্যে বিশাল পার্থক্য ।
কিরে বাসায় নিয়ে যাবিনা নাকি ?
চিন্তা কেটে গেলো রিমনের । সে অতি ব্যস্ত ভঙ্গিতে তারেককে বাসার ভেতরে নিয়ে গেলো ।

রিমির ঝগড়াটা শুরু না হতেই রেণু তাকে ডাকলেন । রিমি দিগুন মেজাজ করে উঠে গেলো । আজকের দিনটা মনে হয় বড়ই খারাপ তার জন্যে ।
তোর ভাইয়ার এক বন্ধু এসেছে । যা এই নাস্তাটা তোর ভাইয়ার ঘরে দিয়ে আয় ।
রহিমা কই মা ? তাকে দিয়ে পাঠাও ।
রহিমাকে বাজার পাঠিয়েছি আমি । তুই যা ।
রিমির মেজাজ তিনগুন খারাপ হলো । দানে দানে তিন দান । দানে দানে তিন মেজাজ । রিমির ইচ্ছে হলো ভাইয়ার বন্ধুর সাথে ভয়ঙ্কর কিছু করতে । সেটা কি তা সে জানেনা । সে নাস্তা নিয়ে এগিয়ে গেলো রিমনের রুমের দিকে । বলা যায়না আজ সে ভয়ঙ্কর কিছু করেও ফেলতে পারে ।

মজনু সাহেব আজ একটু দেরী করে ফেলেছেন । তিনি বাসায় ফেরেন ৭ টার মধ্যেই । আজ ৮টা ৩০ বেজে গেছে । চশমার গ্লাস লাগাতে গিয়েই এই দেরী হয়েছে । অবশ্য তার জন্যে কোনো সমস্যা নেই । বাসার কেউ তার জন্যে কখনো চিন্তা করবেনা । শুধু রেণু তার স্বভাব মতো চেচামেচি করবে ।
মজনু সাহেব ড্রয়িং রুমে ঢুকেই থতমত খেয়ে গেলেন । ড্রয়িং রুমে ৭ ৮ জন অপরিচিত মানুষ বসে আছে । সবাই তার দিকে তাকালো । একটা সুন্দর মতো ছেলে দাড়িয়ে তাকে সালাম দিলো । ছেলেটিকে তার খুব পরিচিত মনে হলো । মজনু সাহেবের মনে হলো তিনি ভুল বাড়ীতে ঢুকে পরেছেন । তিনি সবার দিকে তাকিয়ে বললেন,
দুঃখিত !! আমি মনে হয় ভুল বাড়ীতে ঢুকে পড়েছি । বলেই তিনি বের হয়ে যেতে উদ্যত হলেন ঠিক তখনই পেছন থেকে কে যেনো তাকে বাবা বলে ডাক দিলো । তিনি ফিরে দেখলেন । এই ছেলেটিকে খুব বেশি চেনা লাগছে ।
বাবা এদিকে শোনো তো জলদি ।
মজনু সাহেব ছেলেটিকে চিনলেন । তার ছেলে রিমন । কিন্তু রিমন এই বাড়িতে কি করছে তিনি ভেবে পেলেননা । রিমন কাছে এসে মজনু সাহেবকে টেনে অন্য ঘরে নিয়ে গেলো ।
রিমন মজনু সাহেবকে আসল ঘটনা বুঝিয়ে বললো । ঘটনার সার সংক্ষেপ হচ্ছে, তিনি অফিসে যাবার পর রিমনের কলেজের বন্ধু তারেক বাসায় এসেছিলো । তারেক আমেরিকায় থাকে এবং ওখানে একটা ইউনিভার্সিটির লেকচারার । তো ওরা গল্প করার সময়ে রিমি নাস্তা নিয়ে ঢোকে । রিমিকে দেখে তারেকের খুব পছন্দ হয়ে যায় । যেহেতু আগামী সপ্তাহেই তারেক আমেরিকা ফিরে যাবে তাই ও যে করেই হোক আজ ই রিমিকে বিয়ে করবে । এবং এবারেই সে রিমিকে নিয়ে আমেরিকা যাবে । তারেক সেই সকাল থেকেই এ বাড়িতে বসে আছে । রেনু খুব আনন্দ সহকারেই মত দিয়েছে আর রিমি প্রথমে কিছুতেই রাজী না হলেও বিকেলের দিকে রাজি হয়েছে যদিও সে এখনও কাদছে । তারেক সন্ধার দিকে তার পক্ষের মুরুব্বিদের ডেকে এনেছে । আজ রাতেই বিয়ে হবে । রিমি চাইলে আজ ওদের সাথে যাবে যদি না চায় তবে একেবারে আমেরিকা যাবার দিন তারেকের সাথে যাবে । মজনু সাহেব তারেককে চেনেন ভালো করেই । রিমনের সাথে অনেকবার এসেছে এ বাড়িতে । তিনিও আর আপত্তি করলেননা ।

রাত ১২ টায় রিমির বিয়ে হয়ে গেলো । রিমি বাড়ীতেই থেকে গেলো । তারেককেও থেকে যেতে বলা হলো । তারেকের বাবা মা কেউই বেচে নেই । সে উঠেছে তার চাচার বাসায় । তাই সে ও আর আপত্তি করলোনা । সেও থেকে গেলো রিমিদের বাসায় ।

মজনু সাহেবের আজ অফিসে মন বসছেনা একেবেরেই । গত রবিবার তার পরিবারে সবাই ছিলো । আজও রবিবার । কিন্তু আজ দুজন মানুষ তার পরিবারে নেই । রিমন ফোনে জানিয়েছে যে সে দার্জিলিং পৌছেছে গতকাল বিকেলে । আর তারেক রিমিকে নিয়ে কাল রাত ২ টা ৩০ এর ফ্লাইটে আমেরিকা রওনা দিয়েছে । যদিও তার পরিবারে তিনি মোটামুটি নিঃস্বঙ্গ মানুষ । তবুও তার কেমন জানি লাগছে । ঠিক এই মুহুর্তেই মজনু সাহেবের কাছে একটা ফোন এলো । তিনি হ্যালো বলতেই ওপাশ থেকে শোনা গেলো,
আপনি কি রিমনের বাবা মজনু সাহেব বলছেন?
জ্বী । আপনি কে বলছেন ?
আমি দার্জিলিং থেকে শফিক বলছি । রিমনের সাথে আমার আগে থেকেই পরিচয় আছে । রিমন আপনার একটা ভিজিটিং কার্ড আমাকে দিয়েছিলো । সেখান থেকেই নাম্বার নিয়ে ফোন করলাম ।
ব্যাপার কি বলুনতো ?
একটা দুঃসংবাদ আছে । রিমনরা আজ সকালে গাড়ি নিয়ে বের হয়েছিলো । গাড়িটি খাদে পড়ে যায় । ওদের খোজা সম্ভব নয় । আমাদের মনে হয় ওরা আর কেউ বেচে নেই ।
মজনু সাহেব কি শুনছেন বুঝতে পারছেননা । নিস্তব্ধের মতো টেলিফোন কানে ধরে আছেন । ওপাশ থেকে বলা হচ্ছে,
দেখুন মন শক্ত করুন । হ্যালো হ্যালো ! আপনি কি আমার কথা শুনতে পারছেন ? হ্যালো !!
মজনু সাহেব টেলিফোন রেখে দিয়ে উঠে দাড়ালেন । তিনি গেলেন তার বস আশফাক আহমেদের রুমে ।
স্যার আসবো ?
আরে মজনু সাহেব আসুন আসুন । বসুন ।
মজনু সাহেব বসলেন ।
তারপর ? কি খবর বলুন তো ?
স্যার আজ একটু ছুটি লাগবে ।
কেনো ? গত সপ্তাহেই তো আপনি দুই দিন ছুটি নিয়েছেন ।
স্যার একটু আগে দার্জিলিং থেকে আমাকে ফোন করে জানালো যে আমার ছেলে আর তার বন্ধুরা গাড়ি নিয়ে ঘুরতে বের হয়েছিলো । গাড়ি খাদে পরে গেছে । যিনি ফোন করেছিলেন তিনি বললেন ওরা কেউ বেচে নেই । তাই স্যার বাড়ি চলে যেতে ইচ্ছে করছে ।
আশফাক সাহেব কি বলবেন বুঝলেননা । শুধু বললেন,
ঠিক আছে মজনু সাহেব আজ তাহলে আপনি চলে যান । তারপর আপনার যেদিন ইচ্ছে হবে আসবেন । কেমন?
মজনু সাহেব অফিস থেকে বের হয়ে গেলেন । তবে বাড়ি গেলেননা । তিনি পার্কে গিয়ে চুপচাপ বসে থাকলেন ।

মজনু সাহেব বাড়ি গেলেন রাতে । কাপড় ছেড়ে তিনি গেলেন রিমনের রুমে । রিমনের ঘরটার দিকে তাকালেন । টেবিলের ওপর সাদা মলাটের একটা ডায়েরী রাখা । মজনু সাহেব ডায়েরী নিয়ে পাতা ওল্টালেন । ঠিক মাঝের পাতায় রিমনের হাতের লিখা..

“এই সময়ের কোনো এক মূহুর্তে ঝুম বৃষ্টি নামবে । একেবারে ক্যাটস এন্ড ডগস । যেনো শহরের রাজপথে পানি লেগে যায় । আমি প্রথমে ছাতা মাথায় দাড়িয়ে থাকবো এই উথাল পাথাল বৃষ্টিতে । তারপর এক দমকা হাওয়া আসবে । আমি ছাতা ঐ দমকা হাওয়ায় উরিয়ে দেবো । ততক্ষনে আমার জমে থাকা যত কষ্ট সব বেরিয়ে আসতে চাইবে । আমি তখন চিৎকার করে কাদবো । আমার কান্না ছাপিয়ে একটানা কান্নার সুরে বৃষ্টি পড়ে যাবে । আমার চোখের জল বৃষ্টির জলে মিশে যাবে । একে আর করা যাবেনা । একসময় বৃষ্টি থেমে যাবে । আমার চোখের জল মিশে থাকা পানি বাষ্পায়িত হয়ে মেঘ হবে । সেই মেঘ হতে আবার বৃষ্টি হবে । হয়তো এখানে বা অন্য কোথাও । কিংবা হয়তো বৃষ্টি ঝড়বে আমার মতো কোনো ছায়া মানবীর উপরে । আমি ছায়া মানব । আমার বাবার মতো...”
এটুকু পড়তেই রিফাত এসে দাড়ালো মজনু সাহেবের পাশে । মজনু সাহেব আর থাকতে পারলেননা । হাউমাউ করে কেদে পড়লেন মেয়ের কাছে । রিফাত অবাক হয়ে গেলো । সে শুধু বলতে লাগলো কি হয়েছে বাবা...???

রিমনদের বাড়ী বদলে গেছে অনেক । সাত সকালে এখন আর রহিমার সাথে ঝগড়া করেননা রেনু । সারাদিন চুপচাপ বসে থাকেন ।
রিফাত অনার্সে সেকেন্ড ক্লাস পেয়েছে । ও এখন নিজের ঘর থেকে বের হয়না তেমন একটা । মাঝে মাঝে রিমি ফোন করলে কথা বলে । রিমি প্রায়ই বাড়ি আসতে চায় । কান্নাকাটি করে । আমেরিকা তার ভালোলাগেনা একেবারেই ।
মজনু সাহেব অফিস থেকে ফিরেন রাত করে । ফিরে এসে রোজ ই তিনি বসে থাকেন রিমনের ঘরে । তারপর গভীর রাতে উঠে ঘুমুতে যান । কোনো কোনো দিন গভীর রাত্রে বাড়ীর সবাইকে ডেকে তুলে বলেন রিমন এসেছে । তিনি ছুটে গিয়ে দড়জা খুলে দেন । তিনি এখনও মনে করেন রিমন বেচে আছে । যে কোনো রাত্রে সে ফিরে আসবে । কিন্তু বাস্তবে কি আর কখনও রিমন ফিরে আসে...!

__একজন পরিব্রাজক


ফেসবুক: http://www.facebook.com/ekjon.poribrajok/
২টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

আমার মনের ঘোর গেলো না (উৎসর্গঃ প্রিয় ব্লগার ইমন জুবায়ের)

লিখেছেন চারাগাছ, ২৭ শে অক্টোবর, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:৩১




আমার মনের ঘোর গেলো না


উৎসর্গ

প্রিয় ব্লগার ইমন জুবায়েরের স্মৃতির প্রতি।

তিনি নেই। অনেক বছর হলো।

তবু তাঁর ব্লগে ঢুকলে মনে হয়, কোথাও যেন কিছুই থেমে নেই। লেখাগুলো আছে, শব্দগুলো... ...বাকিটুকু পড়ুন

জঙ্গল পরিষ্কার করে সাপ তাড়ানাে...

লিখেছেন অপলক , ২৭ শে অক্টোবর, ২০২৬ রাত ১০:৪১

নেট দুনিয়ায় ছড়িয়ে পড়েছে: পাকিস্তান এবং বাংলাদেশে বসবাসকারী স্থায়ী হিন্দু অধিবাসীরা চাইলে খুব সহজে তাদের নাগরিকত্ব দেবে ভারত। যদি এই খবরটা সত্য হয়, তবে বাংলাদেশের জন্য সেটা মারাত্মক ভয়ঙ্কর ঘটনা।... ...বাকিটুকু পড়ুন

বিএনপি’কে মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের দল বলার কোনো কারণ নাই!!

লিখেছেন ক্লোন রাফা, ২৮ শে অক্টোবর, ২০২৬ রাত ১২:২৩



জাতীয় সন্মাননা কি কোনো গোপন বিষয় । একজন বীর মুক্তিযোদ্ধা’কে গার্ড অফ অনার দিতে এত অনীহা কেনো বর্তমান সরকারের ‼️

আজ বারবার আমার গোআ’র কুপুত্রের একটি... ...বাকিটুকু পড়ুন

সাড়ে হাজার বিজ্ঞানী এবং একটি স্ক্যামের গল্প

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ২৮ শে অক্টোবর, ২০২৬ রাত ১:২৮


জুলাইয়ের কোটা আন্দোলনের পর বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের সম্পর্কের উন্নতি হয়েছে। সেই সম্পর্কের নতুন অধ্যায়ের অংশ হিসেবে পাকিস্তান বাংলাদেশের শিক্ষার্থীদের জন্য ‘নলেজ করিডোর’-এর আওতায় আল্লামা ইকবাল বৃত্তি চালু করে। ২০২৫... ...বাকিটুকু পড়ুন

হাসিনা-বিভ্রাট: এটা ট্রল নয়, কূটনৈতিক সতর্কসংকেত

লিখেছেন এস.এম. আজাদ রহমান, ২৮ শে অক্টোবর, ২০২৬ সকাল ৯:৫৮


হাসিনা-বিভ্রাট: এটা ট্রল নয়, কূটনৈতিক সতর্কসংকেত

জাপানের এক প্রভাবশালী সংসদ সদস্যের একটি পোস্ট নিয়ে সামাজিক মাধ্যমে হাসাহাসি চলছে। আমার মনে হয়, হাসির আড়ালে আসল প্রশ্নটা চাপা পড়ে যাচ্ছে।

ঘটনাটা কী
প্রধানমন্ত্রী... ...বাকিটুকু পড়ুন

×