মনোরথ বেয়ে নেমে আসে
সুখের মতো বরফ গলা পানির মতো
চোখের জল, বুঝি চোখের ভেতরেই বরফ হয়ে আছে ।
তোমার উষ্ণতা ছাড়া ওটা গলবেনা ।
আমার উষ্ণতা শীতল হয়ে আছে ।
বেদনার নীল কাব্য সারারাত জুড়ে,
জ্যোৎস্না কুড়াই নিশাচরের বেশে ।
প্রখর সূর্য তাপে, ছেঁড়া চিঠি ম্লান,
ধূসর ছায়া আত্নার বন্ধনে বাঁধা ।
অন্ধপেঁচার রাতভর ডাকাডাকি
শিকারের খোঁজ নেই ।
ভাঁঙা চাঁদ শহরে এসে আমার গল্প বলে ।
পিছুটান থেমে গেছে সময়ে,
চিকন সুতোর টানে সম্পর্ক বেধেছি ।
পচা সুতো । বাধবার আগেই ছিড়ে গেছে ।
দেখো কেমন মলিন হয়ে আছি ।
বাতাসের শো শো শব্দ শুধু কানে বাজে
বড্ড নিশ্চুপ হয়ে আছি ।
এ পুকুরে এখন ঢিল ছুড়লেও ঢেউ তোলেনা ।
কবিতার বইয়ের পাতা ওল্টানো বড্ড বিরক্তিকর ।
সময় গেলো? ঘড়ি দেখি ।
রাত্রি বুঝি অনেক হলো এবার ।
হায়! সময়ও বিশ্বাসঘাতক হয়েছে,
ফুরোতে চায়না ।
যন্ত্রণা গুলো এতো কষ্টের কেনো কে জানে!
মরিবার সাধ জাগে বারে বারে,
খুব মরিবার সাধ জাগে ।
জীবন কষ্ট দেয়, আত্না কষ্ট দেয়, বেঁচে থাকা কষ্ট দেয় ।
মহাশূন্য বলে কিছু নেই ।
যদি থাকে আমায় কিছু দিয়ে যাও
আমি একটু কষ্ট ছাড়া শূন্যে বাঁচি ।।
©একজন পরিব্রাজক

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




