
১. যা আশংকা করেছিলাম তাই হলো। আসল সত্যটা জানতে পারলাম না আমরা। বাবুল আক্তার নিজেকে অভিশাপ দিতে পারেন এই সিস্টেমে নিজে এতদিন ছিলেন বলে। আবার সত্য কথাও বলতে পারবেন না তিনি। জানিনা কতটা মানসিক কষ্টে তার দিন কাটছে। যে লোকগুলো আসল কথা বলতে পারতো সেই লোকগুলোকেই মেরে ফেলা হচ্ছে।
২. এর আগে গ্রেফতার হওয়া ওয়াসিম বলেছিল নবী গুলি করেছিল মিতুকে। মূল নায়ক মুসাকে উঠিয়ে নেয়া হয়েছে তার স্ত্রীর ভাষ্যমতে। ঝিনাইদহের ছাত্র নেতাদের মতই হয়তো মুসারও লাশ আমরা কয়েকদিন পর পেতে যাচ্ছি।
৩. গুলশান ঘটনার পর আমরা মিতু ঘটনা থেকে সরে গিয়েছি। তনু তো হারিয়েই গিয়েছে। এভাবে একের পর এক রহস্যজনক ঘটনা ঘটবে যার কোন কিনারা হবে না। গুলশান-ও ভুলে যাবো আরেকটি আলোড়নের পর।
৪. পুলিশের স্ত্রী মারা গিয়েছে। অন্তত পরবর্তী পুলিশ সদস্যদের কথা ভেবে এবার একটা সুষ্ঠু বিচার হবে বলে জনগণ ভেবেছিল। কিন্তু এবারও গতানুগতিক কেইসগুলোর মত মূল আসামীকে মেরে ফেলা হয়েছে বন্দুকযুদ্ধের নামে। বাবুল আক্তার এখন সাধারণ জনগণের অনুভূতি বুঝতে পারবে। নিজের স্ত্রীর হত্যাকারীদের বিচার ছাড়াই মৃত্যু মনে হয় না বাবুল আক্তার নিজেও চেয়েছিলেন!
৫. বাবুলের ভালো কাজকর্মে নাকি তার প্রতি তার সহকর্মীদের অনেকে অসন্তুষ্ট ছিলেন। আবার অনেকের মতে বাবুল নাকি নিজেই নিজের স্ত্রীকে খুন করিয়েছেন। যদি তর্কের খাতিরে ধরেও নেই বাবুল দোষী তাহলে অন্তত বাবুলের ক্যারিয়ার শেষ করার জন্য হলেও তো তার স্ত্রী হত্যার সঠিক বিচার হওয়া উচিত। এভাবে মূল আসামীদের মেরে ফেললে বাংলাদেশেরে বিচার ব্যবস্থার কী হবে?

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

