
১. প্রতি বছরের মত এবারও (কোরবানীর ঈদে) ফেসবুক আর ব্লগে সেই পুরোনো (আসলে নতুন) বিতর্ক। পশু হত্যা, শিশুদের সামনে জবাই করা, কোরবানীর মৃত গরুর ছবি পোস্ট করা, আরেকজনের অনুভূতিতে আঘাত ব্লা ব্লা ব্লা। যুগের সাথে সাথে মানুষ বদলায়। এক সময় কারো কোন সমস্যা না থাকলেও এখন অনেকেরই এসব বিষয়ে এলার্জি শুরু হয়েছে। সামনে আরো হয়তো হবে। মুক্তমনা, ৭১ টিভি আর মিথিলা ফারজানা তো আছেই রসদ জোগাতে।
২. অনেকে তেলাপোকা দেখলেই এমন একটা ভয় পায় মনে হয় যেন বাঘ দেখেছে। তেলাপোকা এমন কোন হিংস্র প্রাণী না যে, এরকম আতংক দেখাতে হবে। তবু কেউ কেউ এমন করে। আমি ছোটবেলায় হিন্দুদের পাঁঠা বলি দেখতে গিয়েছিলাম। তবে পাঁঠার আগে আমি হাঁস বলি দেখছিলাম। সেটা দেখেই আমার কাঁপাকাঁপি শুরু হয়েছিল। পরে আর পাঁঠাবলি দেখা হয়নি দেরি হওয়ার কারণে। অনেকেই কোন ঘরে একা থাকতে ভয় করে।
৩. অনেকে ফেসবুকে আইসিস-এর গলা কাটার দৃশ্য দেখেও স্বাভাবিক থাকে, একটার পর একটা দেখতেই থাকে। আমি একটু দেখলেই গা কেমন করে উঠে। তাই চেষ্টা করি এসব না দেখতে। আমার এক পরিচিত ছেলে মানুষের হাতে কিংবা পায়ে বা কোন জায়গায় সামান্য রক্ত দেখলেই অস্থির হয়ে যেত। অথচ এটা সামান্য কাটার রক্ত মাত্র।
৪. এক একজনের ইন্দ্রিয় এক এক রকম। কেউ গরু জবাইয়ের দৃশ্য সহ্য নাও করতে পারে। সে ক্ষেত্রে তার দূরে থাকাই ভালো। বাচ্চাদের দূরে রাখলেও সমস্যা নেই। বাচ্চারা না দেখাই ভালো। তবে তার কোন অধিকার নেই 'এটা করা উচিত না', 'এটা অমানবিক' বলার। আবার 'রিয়া'র আশংকায় জবাইকৃত পশুর ছবি ফেসবুকে দেয়াটাও ঠিক নয়। দিলেও সেটা তার ব্যক্তিগত ব্যপার।
সর্বশেষ এডিট : ১১ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৬ রাত ৮:১২

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




