হ্যা!
ঠিক এইরকমই বন্ধুত্বের জালে ফেসেছি আমরা!
সম্প্রতি নরেন্দ্র মোদির বাংলাদেশ সফরকালে ভারত বাংলাদেশকে ২০০ কোটি ডলার ঋণ প্রদানের ঘোষণা দেয়। তবে ভারত যে ঋণ দিতে চাচ্ছে, কঠিন শর্তের বেড়াজালে তার সিংহভাগই আবার ফিরে যাবে ভারতে। এছাড়া এই ঋণের আওতায় গৃহীত প্রকল্পগুলো বাস্তবায়ন করবে ভারতীয় কোম্পানি, নিয়োগ করা হবে ভারতীয় জনবল। !!
বিস্তারিত খবরটি পড়ুন!
কঠিন শর্ত: ঋণের ৭৫ শতাংশই যাবে ভারতে
২০০ কোটি ডলারের এই ঋণ প্রস্তাবে রয়েছে শর্তের বেড়াজাল। এ ঋণে যে প্রকল্পই নেওয়া হবে, ওই প্রকল্পের ৭৫ শতাংশ অর্থ খরচ করতে হবে ভারত থেকে মালামাল এনে।
অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের (ইআরডি) কর্মকর্তারা বলছেন, ভারতের এ শর্ত পূরণ করতে হলে নির্মাণকাজের সামগ্রী থেকে শুরু করে পরামর্শকও ভারত থেকে আনতে হবে।
এর আগেও ভারতের কাছ থেকে ১০০ কোটি ডলার ঋণ নিয়েছিল বাংলাদেশ। সেই চুক্তির অর্থ ব্যবহারের শর্ত কিছুটা নমনীয় ছিল। তাতে ভৌত অবকাঠামো নির্মাণে ৬৫ শতাংশ এবং অন্য প্রকল্পে ৭৫ শতাংশ কেনাকাটা ভারত থেকে করার শর্ত ছিল।
সমঝোতা চুক্তির সময় বলা হয়েছিল, দ্বিতীয় পর্যায়ের এই সহায়তার শর্ত আগের মতোই থাকবে। তবে ভারতীয় পক্ষ থেকে এখন জানানো হয়েছে, এবারের ঋণের আওতায় নেওয়া যে কোনো প্রকল্পে ৭৫ শতাংশ কেনাকাটাই ভারত থেকে করতে হবে। আর প্রকল্প বাস্তবায়নের দায়িত্ব দিতে হবে ভারতীয় ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানকে। ভারতের ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান ছাড়া অন্য কোনো দেশের প্রতিষ্ঠান দরপত্রে অংশ নিতে পারবে না।
এদিকে প্রথমবারের ঋণের আওতায় এ ধরনের শর্তের কারণে বেশ কিছু প্রকল্প গ্রহণ করা যায়নি বলে জানিয়েছেন বিশেষজ্ঞ মহল।
এ ঋণ প্রস্তাব সম্পর্কে বেসরকারি গবেষণা প্রতিষ্ঠান সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগের (সিপিডি) নির্বাহী পরিচালক মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, প্রথম এলওসিতে কেনাকাটার শর্তের কারণে বেশ কিছু কাক্সিক্ষত প্রকল্প নেওয়া সম্ভব হয়নি। গতবার প্রথমে শর্ত ছিল যে ৮০ শতাংশ কেনাকাটা ভারত থেকে করতে হবে, পরে তা কমিয়ে ৬৫ শতাংশ করা হয়।
এমতাবস্থায় নতুন ২০০ কোটি ডলার ভারতীয় ঋণের আওতায় গৃহীত প্রকল্পগুলোর বাস্তবায়ন নিয়ে সংশয় অনকেটাই থেকে যাচ্ছে। -
====
অথচ বিশ্ব ব্যাংক, আইএমএফ ছাড়াও অন্যান্য দাতা দেশে এরচে অনেক কম সুদে ঋণ দিতে আগ্রহী হলেও এইরকম শর্তে এভং তাদের চেয়ে বেশি সুদে ঋণ নেয়ার মানে কি হতে পারে?
যে কোন শর্ত চুক্তিতে এটলিষ্ট নিজের পুরো লাভ না হলেও দুই পক্ষেরই উইন উইন সিচুয়েশন থাকতে হয়! অথচ এখানে কেবলই দিয়ে যাওয়া! এইরকম অসম লাভের চুক্তি দেশের এবং জনতার জন্য ক্ষতিকর! কারণ দিন শেষে আমজনতাকেই রক্ত পানি করা পয়সা দিয়ে পাই পাই করে ঋণ শোধ করতে হবে!
এইরকম দেশ এবং জনস্বার্থ বিরোধী চুক্তি বাস্তবায়নের আগে শতবার চিন্তা করা উচিত!
সর্বশেষ এডিট : ০২ রা আগস্ট, ২০১৫ রাত ৮:৪১

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



