somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

সঠিক বিচারের জন্য বিষয়টি খতিয়ে দেখার জন্য আবেদন।

১৯ শে ডিসেম্বর, ২০১৫ সকাল ১১:৪২
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম

আস্সালামু আলাইকুম,

আমি মোঃ নাসির উদ্দিন,পিতা: মৃত নুরুদ্দিন,সাং- ৩৮/১ নাসির উদ্দিন সদর লেন, থানা:- সুত্রাপুর,ঢাকা,পেশা:-ব্যবসা। আমার পিতা ছিলেন জাতি জনক বঙ্গবন্ধুর গনিষ্ঠ সহচর ও বর্তমান প্রধান মন্ত্রী জন নেত্রী শেখ হাসিনার পুরান ঢাকার নুরু চাচা, তিনি দেশ স্বাধীন হওয়ার পূর্বে অসহযোগ আন্দোলন ও মুক্তিযুদ্ধে সক্রিয় ভাবে অংসগ্রহণ করেন। দেশ স্বাধীন হওয়ার পরে আওয়ামী স্বেচ্ছা সেবক বাহিনীর (সাবেক) তৎকালিন রোকনপুর ইউনিয়নের প্রধান হিসাবে দীর্ঘদিন দ্বায়িত্ব পালন করেন যার কারণে উনাকে সকলেই চিফ নুরু বলে আদর করে ডাকতেন। বঙ্গবন্ধুর আদর্শে অনুপ্রানিত হয়ে মৃত্যুর আগ মূহুর্ত পর্যন্ত জন নেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে ঢাকা মহানগর আওয়ামী লীগের ৪২নং ওয়ার্ডের (পূর্বে ৭৮ নং ওয়ার্ড) সিনিয়র সহ-সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। তাঁর রাজনৈতিক জীবনের কৃতিত্বের কয়েকটি উল্লেখযোগ্য বিষয় হলো বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পরে প্রথম বিজয় দিবস উদযাপন উপলক্ষ্যে ১৯৭২ সালে ঢাকা কোর্ট প্রাঙ্গনে বর্তমানে জনসন রোডের দুই প্রান্তে বাংলাদেশকে স্বীকৃতি যে দেশ গুলো দিয়েছিল তাদের জাতীয় পতাকা উত্তোলন করেন এবং রাস্তা এ প্রান্ত থেকে ওপ্রান্ত পর্যন্ত বিশাল আকৃতি স্বাধীনতার প্রতীক নৌকা বানিয়ে বঙ্গবন্ধুর প্রশংসা কুড়িয়ে ছিলেন যাহা এখন ও তৎকালীন সিনেমা ও ভি,ডি ফুটেজে দেখতে পাওয়া যায়। তিনি এতটা যে বঙ্গবন্ধুর ঘনিষ্ঠ সহচর ছিলেন, যার কারণে বঙ্গন্ধু নিজেই তাঁর লিখিত অসমাপ্ত আত্বজীবনি বইটিতে নিজ হাতে সহৃদয় চিত্তে ১৮ (আঠার) বার বিভিন্ন ঘটনার প্রেক্ষাপটে তাঁর প্রিয় সহচরের নামটি (নুরুদ্দিন) উল্লেখ করে গেছেন। বঙ্গবন্ধু জীবিত অবস্থায় ৩২ নং ধানমন্ডি বাড়িটিতে তাঁর এতটাই আসা যাওয়া ছিলো যে যার কারণে বর্তমান প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা নুরু চাচা বলেই তাকে সম্বোধন করতেন। দেশ স্বাধীন হওয়ার পূর্বে আমাদের এলাকায় জাতীর জনক বঙ্গবন্ধু তাঁর রাজনৈতিক জীবনে অধিক সময় অতিবাহিত করিয়া ছিলেন। সেই সময় তাঁর ঘনিষ্ঠ সহচর হিসেবে মরহুম মাইজুদ্দিন চাচা, মরহুম বাদশা চাচা ও আমার পিতা মরহুম নুরউদ্দিন এবং আরো অনেকেই দীর্ঘসময়ই খুব কাছা-কাছি ছিলেন । ১৯৯৬ সালে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ সরকার গঠন করার পর তৎকালীন মাননীয় পানি সম্পদ মন্ত্রী ও আওয়ামীলীগ স্বেচ্ছা সেবক বাহিনীর প্রধান (সাবেক) ও মুজিব বাহিনী অন্যতম সংগঠক মরহুম আব্দুর রাজ্জাক সাহেব আমার পিতাকে আওয়ামীলীগ স্বেচ্ছা সেবক বাহিনীর (সাবেক) রোকনপুর ইউনিয়নের প্রধান ও অসহযোগ আন্দোলনে সক্রিয় ভাবে অংশগ্রহণ করায়, মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে ক্রেস্ট ও সনদপত্র প্রদান করেন। কালের বিবর্তনে আমার পিতা আজ পৃথিবীতে বেঁচে নাই। তাঁর রেখে যাওয়া পৈত্রিক বাড়িটি সন্ত্রাসীদের দখলে তাঁর পরিবারে স্ত্রী এক পুত্র পাঁচ কন্যা সন্ত্রাসীদের হুমকির কবলে দিন যাপন করিতেছে। স্থানীয় সন্ত্রাসী সাইজুদ্দিন লিটন ওরফে ডাকাত শহিদ লিটন তার নেতৃত্বে হাফিজ ও কুলসুম (সাং- ১৩২/১ উত্তর মুগদা পাড়া, বাসাবো, সবুজবাগ,ঢাকা-১২১৪, বর্তমানে ঐ বাসায় অবস্থানরত আছে) এবং আরো অনেকে সম্পূর্ন পরিকল্পিত ভাবে তার বাড়িটি দখল করে নেয়।
কে এই সাইজুদ্দিন লিটন ?
বাংলাদেশ সরকারের স-ঘোষিত ২৩জন শীর্ষ সন্ত্রাসীর মধ্যে অন্যতম ডাকাত শহিদ (যিনি পরবর্তীতে র‌্যাবের সাথে বন্দুক যুদ্ধে নিহত হয়) এর অন্যতম সহযোগী হিসেবে অত্রএলাকার চাঁদাবাজির টাকার ক্যাশিয়ার হিসেবে দীর্ঘদিন চাঁদাবাজি করেন। সে সময় অনেকেই নিরবে প্রানের ভয়ে লক্ষ লক্ষ টাকা চাঁদা দিয়ে গিছেন। এখনও যারা চাঁদা দিয়েছেন সেই বিভিষিকা মুহুর্তগুলোর কথা মনে করে অনেকেই নিরবে কাঁদেন। প্রশাসন নিরপেক্ষভাবে তদন্ত করলে অনেকের কাছেই এই ইতিহাস গুলো জানতে পারবেন। বর্তমানে তার নামে ঋণখেলাপি, জরজবস্তি বাড়ি দখল, হত্যা মামলাসহ অনেক মামলা আদালতে বিচারাধীন রহিয়াছেন। বিগত ২০১৫ইং কাউন্সিলর নির্বাচনে ঋনখেলাপি ও বিভিন্ন মামলার কারণে তার মনোয়নপত্র বাতিল বলিয়া গন্য হয়। সে বিভিন্ন সময় বিভিন্ন দলের ও দলের মন্ত্রীদের নাম ভাঙ্গিয়া বিভিন্ন কৌশলে সে এবং তাহার সহযোগীরা মানুষকে জিম্বি করে চাঁদা আদায় করে। কথা এবং কাজে সে খুবই নিখুত কারিগর। তার কাজের উল্লেখযোগ্য একটি দৃষ্টান্ত হলো আমাদের পৈত্রিক বাড়িটি ব্যাংকের সাথে গোপন আতাতের মাধ্যমে আমার ভাড়াটিয়া হাফিজ এবং কুলসুমকে বাড়িটি পাইয়ে দেওয়ার সু-কৌশল অবলম্বন করেন। হাফিজের সাথে তার মোটা অংকের লেনদেন হয়, এতেই শুধু সে ক্ষেন্ত হয়নি এখনো আমার বাড়ির নিজ তলার দোকানটি সে দখল করিয়া তালাব্দ করে রাখিয়াছে এবং আদালতে মামলা থাকা স্বত্বেও সমস্থ ভাড়া কুলসুমকে দিয়ে উত্তোলন করিয়া তারা নিজেরা ভাগবাটোয়ারা করিয়া নিয়ে যাইতেছে এখনো এবং বিলপত্র গুলো তাদের নিজ নামে বানিয়ে নেয়।

ঘঠনার বিবরণ;- আমি মোঃ নাসির উদ্দিন আমার ব্যবসার প্রতিষ্ঠান “একতা বিয়ারিং ষ্টোর” এর নামে ঢাকা সিটিকর্পোরেশনের নিবন্ধনকৃত ২টি ট্রেড লাইসেন্স (যাহার একটি ৯/১ গোয়ালঘাট লেন ভাড়াকৃত দোকান অপরটি ৩৮/১ নাসিরউদ্দিন সরদার লেন আমার বাড়ির নিচতলা দোকানঘর, যাহা বর্তমানে সন্ত্রাসী লিটনের দখলে রহিয়াছে) এর ভিত্তিতে আমার নিজ বাড়িটি মরগেজ রাখিয়া ব্র্যাক ব্যাংক হেড অফিস থেকে ব্যাংকের প্রচলিত নিয়ম মেনে ৪১ লক্ষ টাকা (৬ লক্ষ টাকা সিসি+৩৫ লক্ষ টাকা ট্রাম লোন) ঋন গ্রহণ করি এবং পর্যায়ক্রমে ২১ লক্ষ টাকা ২১টি কিস্তির মাধ্যমে নিয়মিত পরিশোধ করি। যাহার মেয়াদ ০৮/০৮/২০১১ইং তারিখ হইতে ০৭/০৭/২০১৫ইং তারিখ পর্যন্ত বলবৎ ছিল। আমার বাড়িটি ব্যাংক ৬৪ লক্ষ টাকা মূল্য নির্ধারণ করেন। ঋনের গ্রান্টার হিসেবে (১) আমার স্ত্রী, (২) মোঃ দেলোয়ার হোসেন সাং- ১৫৩নং নাসির উদ্দিন সরদার লেন, (৩) সাইজুদ্দিন লিটন সাং- ৬৫নং নাসির উদ্দিন সরদার লেন, মোট এই তিনজন কে ব্যাংক গ্রান্টার হিসেবে স্বাক্ষর নেন।এখানে উল্লেখ থাকে যে, লিটন তার নিজ উদ্যোগেই ঋনটি আমাকে ব্র্যাক ব্যাংক থেকে নেওয়ার জন্য পরামর্শ এবং সহযোগীতা করেন। ঋন উত্তোলন করার পর লিটন আমাকে তার সাথে ব্যবসা করার জন্য তাগিদ দিতে থাকে। এক সময় আমি তাহার বিগত জীবনের কু-কৃর্তির কথা জানতে পেরে তার সাথে ব্যবসা না করার জন্য বলে দেই। এতে তার সাথে আমার বিরোধের সৃষ্টি হয়, এই বিরোধীই জের আমার ও আমার পরিবারের জন্য কাল হয়ে যাবে, তা কখনো ভাবিনি। সে বিভিন্ন সময় আমার বিভিন্ন ভাবে প্রকাশ্যে উপকার ভিতরে ক্ষতির মন মানসিকতা নিয়ে ক্ষতিসাধন করতে থাকে। ২০১৪ইং সাথে দেশ যখন ৫ই জানুয়ারী নির্বাচনের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে তখন দেশের সার্বিক পরিস্থিতির বিএনপি ও জামাত জোটে হিংসাত্বক কর্মকান্ডে জনগন যখন বিপদগ্রস্থ আমার ব্যবসা বানিজ্য খারাপ হওয়ার সুযোগে এই বাড়িটি হাফিজ ও কুলসুমকে পাইয়ে দেওয়ার পরিকল্পনা শুরু করে। আমি আমার মা সাথে আলাপ-আলোচনা করিয়া বাড়িটি বিক্রি করিয়া দিয়া সমস্থ দায়দেনা পরিশোধ করার লক্ষ্যে ক্রেতা খুঁজতে থাকি যাহা অত্র এলাকার সকলেই জানে। এসময় লিটন আমাকে প্রস্তাব দেয় বাড়ি বিক্রির সমস্থ টাকা তাহার কাছে হস্তান্তর করার জন্য অথবা তাকে লিখিত ভাবে (পাওয়ার অব এটোর্নি) দেওয়ার জন্য জোর চাপ প্রয়োগ করতে থাকে। আমি তাহার প্রস্তাবে কোনোটাই মানবোনা বলে সাফ জানিয়ে দেই। এতে সে অত্যন্ত ক্ষুদ্ব হয়ে আমার উপর ও আমার পরিবার উপর মানসিক নির্যাতন শুরু করে। আমার ছোট ভাগিনা মোঃ আকিবকে হত্যার চেষ্টা চালানো হয়। এতেই শেষ নয় ওকে মিথ্যা চুরির মামলা দায়ে ২৬/১২/২০১৩ইং তারিখে সুত্রাপুর থানায় নিয়ে ৫দিন বিনা ওয়ারেন্টে নির্যাতন চালায়। পরবর্তীতে তাকে জেল হাজতে প্রেরণ করে দীর্ঘ ৪মাস এর অধিক সময় তাকে নিয়ে হেস্তন্যাস্ত করে। গোটা পরিবারটিকে ঐদিকে ব্যস্ত রাখিয়া অন্যদিকে ব্যাংকের সাথে গোপন আতাত করিয়া হাফিজ ,কুলসুম লিটন ও ব্যাংকের কয়েকজন দূষকৃতি কারি কর্মচারীদের সহযোগীতায় ১১/০৬/২০১৪ইং তারিখে দলিল সম্পাদন করে বাড়িটি দখল করিয়া নেয়। আমি যাতে দেশের আইন আদালতে এর বিরুদ্ধে মামলা দায়ের না করতে পারি সে জন্য তারা আমাকে মেরে ফেলার জন্য নারায়ণগঞ্জে
যাওয়ার পথে পোস্তগোলা ব্রিজের একটু অদূরে শ্যানপুর এলাকায় ৪ জন সন্ত্রাসী নিয়োগ করে। তারা আমাকে পরপর ৪টি পিস্তল ঠেকিয়ে বলে হাফিজ ও লিটন যেভাবে বলে সেভাবে চলবি, না হলে তোকে জানে মেরে ফেলব, আর যদি তোর এলাকায় তোকে (আমাকে) কখনো দেখি তাহলে দেখা মাত্রই তোকে গুলি করবো, আজ ছেড়ে দিলাম, কথাটা যেন মনে থাকে। আমি যেন আমার এলাকায় না যেতে পারি সেজন্য তারা আদালতে মামলাও দায়ের করে, যা এখনো বিচারাধীন।

টেন্ডার প্রক্রিয়া;-
(১) ০৯/০৫/২০১৪ইং (শুক্রবার) দৈনিক ভোরের ডাকে প্রকাশিত হয়।
(২) ২৫/০৫/২০১৪ইং তারিখে টেন্ডার ড্রোপ এর দিন ধার্য্য হয়।
(৩) ২৯/০৫/২০১৪ইং তারিখে কুলসুমকে ২৬ লক্ষ ৫১ হাজার টাকার বিনিময়ে সর্বোচ্চ দরদাতা হিসেবে ঘোষনা করা হয়।উল্লেখ থাকে যে, আমার উক্ত একাউন্টে এখনো প্রায় সাড়ে ১২ লক্ষ টাকা ঋনের বকেয়া রহিয়াছে। ও কত জন টেন্ডারে অংশগ্রহণ করিয়াছেন তা আজও স্পষ্ট নয়। ঋনের সম্পূর্ন টাকা সমন্বয় না হওয়া স্বত্বেও ৩নং গ্রান্টারকে ঋনের প্রফাইল থেকে অব্যহতি প্রদান করেন বাকি ১নং ও ২নং গ্রান্টার এখনো সেই প্রফাইলে বিদ্বমান রহিয়াছে। এতে সাইজুদ্দিন লিটনের ব্যাংকের সাথে গোপন আতাতের প্রমান পাওয়া যায়।
(৪) ব্যাংককৃত সম্পাদিত ১১/০৬/২০১৪ইং তারিখের দলিলে লিপিবদ্ধ আছে যে ০৬/০৫/২০১৪ইং তারিখে ১২ লক্ষ টাকা এবং ০৮/০৫/২০১৪ইং তারিখে ১০ লক্ষ টাকা পে অর্ডারের মাধ্যমে উক্ত কুলসুম ব্যাংকে টেন্ডারের আগেই জমা দিয়াছেন।
(৫) দলিলে ৭ তালা ভবনটিকে পুরাতন জনাকির্ন ভবন উল্লেখ করিয়া সরকারি রেজিষ্ট্রি ফি যথাযথ ভাবে না দিয়ে রেজিষ্ট্রি কর ফাঁকি দেয়।
এলাকার সাধারণ মানুষের বিবেকের কাছে প্রশ্ন আমার বাড়িটি আদৌ কি ২৬ লক্ষ ৫১ হাজার টাকা বাড়ি?
আমি অতিকষ্টে আমার নিয়োজিত উকিলের মাধ্যমে মহামান্য হাইকোর্টে ব্যাংকসহ ৬জন কে বিবাদী করে (৯২৮৩/১৪) রিট আবেদন করিলে, হাইকোর্টের (২২নং কোর্টে ) দৈত্বব্যাঞ্চে আমার দায়কৃত ২৩টি গ্রাউন্ডের উপর দীর্ঘক্ষন শুনানি পর জানুয়ারী ১৪তম, ২০১৫ইং মহামান্য আদালত নিম্নলিখিত আদেশ সমূহ জারি করেন।
১১/০৬/২০১৪ইং তারিখে ব্যাংককৃত সম্পাদিত দলিল নং- ২৩২২ যা উপরোক্ত জমি এবং তথায় দ-ায়মান দালাল সম্পর্কে ব্রাক ব্যাংককৃত সম্পাদিত ঢাকাস্থ সুত্রাপুর সাব-রেজিষ্টার অফিসে, জাল নিলাম বিক্রয় এর ভিত্তিতে যা অবৈধ, বাতিল, বানোয়াট, এখতিয়ার বর্হিভূত এবং কোন আইনানুগ ফলাফল ব্যতিরেকে।
অত্র রুল ৪ ( সপ্তাহ) এর মধ্যে ফেরত যোগ্য।
বিজ্ঞ ডেপুটি এ্যাটর্নী জেনারেল অন্তবর্তী কালীন আদেশ এর আবেদনে বাধা প্রদান করেন।
রুলের শুনানী স্থগিত রেখে সন্দেহজনক নিলাম নোটিশ এবং বিক্রয় দলিল যা ব্যাংক কর্তৃক সম্পাদিত হয়েছে। তার কার্যক্রম অত্র তারিখ থেকে ৬ (ছয়) মাস সময়সীমার জন্য স্থগিত করা হকো।
ইতিমধ্যে নির্দেশ দেয়া যাচ্ছে তফশিলভূক্ত সম্পত্তি নিলাম ক্রেতা কুলসুম কে হস্তান্তর না করতে।
দরখাস্তকারীকে নির্দেশ দেওয়া যাচ্ছে জবাবদাতাগণের উপর নোটিশের জারীর জন্য প্রয়োজনীয় কাগজপত্রাদি রেজিষ্টার্ড ডাক এর মাধ্যমে এবং যথা সময়ে প্রেরণের জন্য।
রিটের আদেশ বের হওয়ার পরে উক্ত সন্ত্রাসীচক্রের দল বেপরোয়া হয়ে আমার পরিবারে উপর অত্যাচারের মাত্রা অতিরিক্ত ভাবে বেড়ে যায় এবং আমাদেরকে বাড়ি থেকে বের করার জন্য উঠেপরে লাগে। একাদিক বার আমার বৃদ্ধ মাকে মারধর করে অজ্ঞান করে ফেলে যা এলাকাবাসি আপনারা নিজেও জানেন। আদালতের ৬ মাসের স্থগিত সময়সীমা থাকা স্বত্বেও বিবাদীপক্ষ মহামন্য হাইকোর্টের ২২নং কোর্টে শুনানি না করিয়া উক্ত মেয়াদের মধ্যেই ৩৩নং কোর্টে আমাদের উকিলের অনুপস্থিতে ২০১৫ এপ্রিল মাসের ০৯,১২,১৩,১৫,১৯ তারিখে কজ লিস্টে ছিল। ৫ কর্মদিবসের মধ্যে ৩ কর্ম দিবসেই অন্য মামলা রিট নং ছিল যা আমাদের রিট নং এর সাথে কোনো সম্পর্ক নেই। আদালতে ব্যাংকের বিবাদী (শাহিন আক্তার,পিতাঃ মৃত আনসার আলী,সহযোগী ব্যবস্থাপক, আইন সমন্বয়ক,বিশেষ সম্পদ ব্যবস্থাপনা,ব্রাক ব্যাংক লিমিটেড,১ গুলশান এভিনিউ,গুলশান,ঢাকা-১২১২) এর বিপরীতে অন্য ব্যক্তি ৩৩নং কোর্টে রিটের রুলটি সঠিক জবাব ছাড়াই অব্যহতিপত্র গ্রহণ করিয়াছে এবং তাহাদের রুলটির অব্যহতির কপিতে সম্পত্তির তফসিল তথ্য বিবরনী নাই। রিটের ব্যাঞ্চ চলমান অবস্থায় থাকা স্বত্বেও নিজের ইচ্ছামত ব্যাঞ্চ পরিবর্তন করিয়া অব্যহতি পত্র গ্রহণ করিয়াছে, যা কোনো আইনের আওতায় বার্তায় না। বর্তমানে উক্ত রিটটি মহামান্য সুপ্রীমকোর্টে আপিল বিভাগে বিচারাধীন রহিয়াছে।
আমি আমার অনুপস্থিতে মামলা দেখাশুনার জন্য আমার বড় ভাগিনা সাকিবকে আমক্তার নিযুক্ত করি। এর প্রতিহিংসায় কুলসুম বিবি আমার বাগিনাকে তাকে ধর্ষণ করিয়াছে মর্মে থানায় জিডি না করিয়া আদালতে নারী নির্যাতন মামলা দায়ের করে এবং তাহাকে জেল হাজতে প্রেরন করে, পরে ভাগিনা জামিনে ছাড়া পায় এই মামলাটিও আদালতে বিচারাধিন আছে। উক্ত মামলায় স্বাক্ষীপ্রদান করে পান্না ও মনি তারা কি রকম ব্যক্তিত্ববান তা সকলেরই জানা।
আমি অত্যন্ত দুঃখের সহিত এই লেখার মাধ্যমে দেশের মহামান্য রাষ্ট্রপতি/মাননীয় প্রধানমন্ত্রী/জাতীয় সংসদের স্পীকার,ডেপুটি স্পীকার/বিচার বিভাগের মাননীয় বিচারপতি/মন্ত্রীমহোদয়/দেশের প্রশাসন(তথা স্থানীয় প্রশাসন)/ দেশের গনমাধ্যম/ দেশের সাধারণ জনগন/ সমাজের বিশিষ্ট ব্যক্তিগনের এবং আমার এলাকাবাসির দৃষ্টি আকর্ষন করছি। আমরা কতদিন এই রকম জালিয়াতি চক্রদের কাছে জিম্বি হয়ে থাকবো। সরকার যেখানে চাঁদাবাজ,দূর্নীতিবাজ ও সন্ত্রাসী কর্মকান্ডের বিরুদ্ধে কঠিন অবস্থান নিয়েছেন তথাপি তারা প্রকাশে দিবালোকে তাদের কর্মকান্ড চালিয়ে যাচ্ছে। কখনো হুমকি কখনো থামকি থাকা স্বত্বেও আমি ও আমার পরিবারের সদস্যগণ মোট ৫টি জিডি স্থানীয়(সুত্রাপুর) থানায় দায়ের করি। আমরা কি পারি না সকলের একান্ত প্রচেষ্টায় দেশের প্রচলিত আইন মেনে উক্ত জালিয়াতির চক্রদেরকে চিরদিনের জন্য এই সমাজ ও দেশ থেকে চিরতরে বিতারিত করতে?
বিঃদ্রঃ উপরোক্ত ঘটনাটি সম্পূর্ণ সত্য ও ইহার দালিলিক প্রমাণ রহিয়াছে।
ধন্যবাদান্তে,
(মোঃ নাসির উদ্দিন)
সর্বশেষ এডিট : ১৯ শে ডিসেম্বর, ২০১৫ সকাল ১১:৪৩
০টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

গত ৪৮ ঘণ্টায় সামু'র সর্বোচ্চ পঠিত ২ ব্লগার হচ্ছেন - অপলক এবং সৈয়দ কুতুব

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ১০ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ রাত ৯:১৭

গতকাল রাত ৮টা ১২ মিনিট থেকে এখন রাত ৯ টা ১৭ মিনিট পর্যন্ত সামুতে পোস্ট এসেছে মোট ১৬টি, আমার এই পোস্টটি ছাড়া।
এই পোস্টগুলোতে উত্তর ও প্রতিউত্তর মিলিয়ে কমেন্টেসের সংখ্যা... ...বাকিটুকু পড়ুন

একদিন আমরা ক’জনা মিলে …….

লিখেছেন আহমেদ জী এস, ১০ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ রাত ১০:১২



ব্লগের একাধারে নম্র ও প্রাজ্ঞ এবং গবেষক সহ-ব্লগার শ্রদ্ধেয় ডঃ এম এ আলীর “ব্লগের সুদিন ফিরিয়ে আনতে ব্লগ টিমের প্রতি বিনীত আবেদন”... ...বাকিটুকু পড়ুন

জুলাই আগস্ট সেপ্টেম্বর কোন মাসেই নয় দুর্নীতি সেদিনই বন্ধ হবে-----

লিখেছেন ডঃ এম এ আলী, ১০ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ রাত ১১:৫৪



জুলাই আগস্ট সেপ্টেম্বর কোন মাসেই নয় ..।

দুর্নীতি সেদিনই বন্ধ হবে
যেদিন মানুষ নিজের কাছে
মিথ্যে বলা বন্ধ করবে
অন্যায়ের সঙ্গে আপস না করে
সত্যের পথে দৃঢ় পায়ে চলবে।

যেদিন বিবেক জাগবে মনে
লোভ হারাবে... ...বাকিটুকু পড়ুন

সরকার কি ইউনূস সাহেবকে ভয় পাচ্ছে ?

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ১১ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ রাত ২:০৩


ব্যাপারটা এখন আর কোনো সন্দেহের অবকাশ রাখে না। বাংলাদেশে যে সরকারই আসুক, আওয়ামী লীগ হোক কিংবা বর্তমান সরকার, সবাই যেন একজন কমন করফাঁকিদাতা খুঁজে পেয়েছে। সেই করফাঁকিদাতার নাম... ...বাকিটুকু পড়ুন

অন্ধকারের আলোকবর্তিকা

লিখেছেন স্প্যানকড, ১১ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ বিকাল ৪:৩৬




একটা দেশ যখন শিক্ষিত চাপাবাজ, ক্ষমতার দরবারে নতজানু বুদ্ধিজীবী এবং মুখোশধারী ডাকাতদের হাতে পড়ে, তখন সেই দেশ আর মানচিত্রে থাকা একটি ভূখণ্ড থাকে না, হয়ে যায় আলীবাবার চল্লিশ চোরের... ...বাকিটুকু পড়ুন

×