somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

এন ইডিয়ট ইন লাভ!!! (আঠার)

১২ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৫ সকাল ৭:১১
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
(এই সিরিজের পোস্টগুলা শুধু বিনুদনের জন্য! জ্যান্ত কিম্বা মৃত কিছুর সাথে কাহিনী মিল্লা গেলে কাউকে দায়ী করা যাইবেক না!)




(আগের পুস্টের পর.........)
সিটি কলেজের ক্রাশ (এক)
সিটি কলেজে যাইয়া দেখি, অকি!!! এক ক্লাসরুমে এত্ত পুলাপাইন কিয়েরে? একশ এর কাছাকাছি ছাওয়াল পাওয়াল! আমি তো পুরাই অবাক! সামনে না বইলে কিচ্ছু শুনি না, আর সাইজে ছোট বইলা পেছনে বইলে কিচ্ছু দেখিও না! পুরাই ধরা খাইয়া গেছি! নতুন ইশকুল, নতুন ক্লাস একটু ভয়ে ভয়েই আছিলাম প্রথম প্রথম। সপ্তাহ খানেক পর মাথা ঘুরাইয়া ক্লাসের এইদিক সেইদিক দেখা শুরু করছি! (কুনু সুন্দরির দেখা মিল্লা যায় যদি!!!) একদিন ক্লাসের মাঝামাঝি সময়ে পিছনে ঘাড় ঘুরাইয়া দেখি, আমাগোর দেশি চেহারার এক সুন্দরি বইয়া দাঁত দিয়া পেন্সিলের পশ্চাৎদেশ কামড়াইতেছে! ঘটনাটা দেখামাত্রই তো আমার দিল জাগার মধ্যেই নাচা শুরু কইরা দিছে, আমি তো পুরাই সিডিউসড! (চক্ষে কিন্তুক চশমা আছিল না) আর কই যায়! ক্লাসের আধা মনোযোগ মাইয়ার দিকে ঈমিডিয়েটলি চইল্লা গেল আর বাকি আধা প্রফেসরের দিকে দিয়া ক্লাসটা কুনু মতে শেষ করলাম!

পরের দিন থেইকা পুরাই সারভেইল্যান্স মোডে চইলা গেলাম আরকি!!! সিস্টেমে মাইয়ার উপ্রে চোক রাখতাছি! একটা সমস্যা হইল মাইয়া কুন দেশি এইডা জানা হয় নাই! দেখি মাইয়া আবার পাইক্কা পুলাপাইনগোর লগে চলাফেরা করতাছে! কেনু পাইক্কা কেনু? মাইয়া দেশি না হইলেতো আবার সমস্যা! মাইয়ারে না জানাইয়া এইডা ফাইন্ড আউট করি ক্যামনে?

এইভাবে কয়েকদিন অতিবাহিত হওয়ার পর একদিন কি মনে কইরা ড্যান্স ফ্লোরে গেলাম (এইখানে পুলাপাইনেরা রিহার্সাল করে, আড্ডাবাজরা আড্ডা দেয়)! যাইয়া দেখি পুলাপাইন প্রাকটিচ করতাছে! দেখি এক গ্রুপ মাইয়া ধুমাইয়া নাচতাছে! একটা মাইয়ার দিকে অবাক হইয়া দেখি আরেহ! ক্লাসের সেই মাইয়া না? এই মাইয়ার উপ্রে না আমি ক্রাশ খাইছি? কি নাচেরে বাপ!!! পুরা ফোলোর কাঁপাই ফালাইতেছে! শইল থেইকা হিট রেডিয়েট করতাছে! নাচ দেইখা লিটারালি মাথা ঘুরতাছিল আমার সেইদিন! তারপর কাউরে কুনু কুলু না দিয়া ইনভেস্টিগেশন কইরা জানলাম ওরা SATC ক্লাব এর নাচনেওয়ালি! সেইদিন রাতেই বহুত ঘাটাঘাটি কইরা ওরে আমি ফেসবুকে খুইজ্জা বাইর করলাম! পুলাপাইন আইজকাল জয়া চালাক হইছে না, প্রাইভেসি দিয়া রাখে। মিউচুয়াল ফ্রেন্ড গুলারেও দেখা মুস্কিল হইয়া গেছে! ঘাইট্টা দেখি মাইয়া আমাগোর দেশি না!!! বাল। মনটাই খারাব হইয়া গেল! তারপরও হাল ছাড়ি নাই সিস্টেমে ফলো করতেই আছিলাম! দিলে দলা দিছে বইল্লা কথা! এর মধ্যে SATC এর শো হইয়া গেল! মাইয়া জব্বর নাচা নাচছে! আমি গ্রুপ নাচের সব্বাইরে বাদ দিয়া খালি অর নাচ দেখছি! এখনো মাঝে মাঝে ইউটিউবে যাইয়া অর নাচা দেখি! মেয়েটা আসলেই ভালো নাচে।

হঠাৎ কইরা একদিন দেখি মাইয়া ১২৫ স্ট্রিটে সাবওয়ে স্টেশনের বাইরে এক সাদা পুলার লগে ঢলাঢলি করতাছে! আর বস্ত্রের কি ছিরি! ওই বস্ত্র গুলা মুলতঃ শুক্রবার আর শনিবার রাইতে ভিলেজগুলাতে দেখা যায়! দেইখা তো আমার মেজাজ পুরাই বিলা! আমার শুরু থেকেই সন্দো আছিল কাহিনিডা এরাম হইতে পারে! এই জন্য টাইম লইতেছিলাম ডিসিশনে আইতে। একে তো আমাগোর দেশি না তার উপ্রে এরাম সাদা পুলাপাইনের লগে এইরাম প্লেসে আকাম.........।ক্যামনে হয়! সারভেইল্যান্স মোড অফ কইরা নরমাল মোডে আইয়া পরলাম ইমিডিয়েটলি!
বিলা মিজাজ লইয়া নিজেরে দোষ দিতাছিলাম। কেনু এই মাইয়ারে ভালা পায়ীতে গেলাম। আমার ক্লাস বইল্লা কুনো জিনিস নাই কিয়ারে? পরে মনে মনে নিজেরে কই যে, যেই মাইয়া এরাম খুলা খুল্লা নাচতে পারে সে ঢলাঢলিও করতে পারে (আর কিচ্ছু নাই কইলাম)।

এর পর মনে মনে পিরিতরে তোবা কইরা বাইদ্ধ্য ছাওয়ালের মতন কইরা পড়াশুনায় মনোযোগ দিলাম! হাজার হোক ওইটাই আসল কাম!


(চলপে......।)
৭টি মন্তব্য ৭টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

জগন্নাথবাসীগণ, আমার কথা শুনছেন কি?

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ১৬ ই অক্টোবর, ২০২৬ রাত ৯:০৩

জগন্নাথবাসীগণ,
আপনাদের গরু কোরবানি যদি হযরত জাবের (রাঃ)-এর মতো
নবীজীর সম্মানে হয়ে থাকে, তাহলে মোবারকবাদ।
আর, শুধু প্রতিবাদ দেখাতে একটি অবলা পশুকে হত্যা করে থাকলে,
তার জন্যে খোদার দরবারে বিচার দিলাম।
...বাকিটুকু পড়ুন

রংয়ের মানুষ

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ১৭ ই অক্টোবর, ২০২৬ রাত ১২:৫০


গ্রেট মাদ্রাজ ফ্যামিন যখন অনুপ্রেরণার উৎস
একদিন আমাদের সবার প্রিয় সংসদ সদস্য আমির হামজা ওয়াজে বেশ গরম গরম কথা বলছিলেন। মহান আল্লাহ তায়ালার সৃষ্টির সৌন্দর্য ব্যাখ্যা করতে গিয়ে হঠাৎ রাশমিকা... ...বাকিটুকু পড়ুন

অভিনন্দন নাবিহা সাকলায়েন: ৩০ বছর পরের এআই পটেনশিয়াল

লিখেছেন কলাবাগান১, ১৭ ই অক্টোবর, ২০২৬ রাত ৩:৩৮


কনসেপ্ট টা খুবই সোজা...পৃথিবীর তাবত মানুষ ই জানে যে আপনার বিশ বছর বয়সে শরীরে যে কোষ গুলি আছে তা আপনার ৬০ বছর বয়সের কোষ আর সেইম না ..লম্বা সময়... ...বাকিটুকু পড়ুন

লক্ষ্মীপুরের সুপারি থেকে উপকূলের অর্থনীতি: কৃষিজ সম্পদই পারে গ্রামীণ ভাগ্য বদলাতে

লিখেছেন শাম্মী নূর-এ-আলম রাজু, ১৭ ই অক্টোবর, ২০২৬ দুপুর ১২:৫৮


বাংলাদেশের প্রতিটি অঞ্চলে এমন কিছু নির্দিষ্ট ফল, ফসল বা মৎস্য সম্পদ প্রাকৃতিকভাবে উৎপাদিত হয়, যা শুধু স্থানীয় চাহিদা মেটায় না, বরং পুরো অঞ্চলের অর্থনীতিতে জোরালো প্রভাব ফেলে।... ...বাকিটুকু পড়ুন

”আমার রাজনীতির রূপরেখা” -- জিয়াউর রহমান

লিখেছেন প্রামানিক, ১৭ ই অক্টোবর, ২০২৬ বিকাল ৪:০০


শহীদুল ইসলাম প্রামানিক
আমি তখন দৈনিক দেশ পত্রিকায় চাকরি করি। এটা আমার দ্বিতীয় চাকরি। প্রথম চাকরি নিয়েছিলাম ব্রিটিশ আমলের প্রকাশিত দৈনিক আজাদ পত্রিকায়। আজাদ পত্রিকাটি ব্রিটিশ আমলে মুসলমানের পক্ষের একমাত্র... ...বাকিটুকু পড়ুন

×