ফেসবুকে প্রবেশের আগে সংক্ষেপে এক ঘটনা।
গত ১০ তারিখ রাতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন শিক্ষার্থীকে দেখেছিলাম। যিনি হলে থাকেন। তো সেদিন রাতে ভয়ে সে তার বন্ধুর বাসায় চলে গিয়েছিল। কারণ জানতে চাইলে বলল, তাদের নাকি গেস্টরুমে ডাকা হয়েছে।








এবার প্রথমে বলা ঘটনায় ফিরে যাই। উপরের সবার স্ট্যাটাসগুলো যুক্তিযত। হ্যাঁ, প্রমাণ ছাড়া আর গুজবের উপর ভিত্তি করে এত কিছু ঠিক হয় নি। কিন্তু কিছু মানুষ হয়তো ভুলে গিয়েছে যে, ইশা-ও হয়তো গেস্টরুম করাতো ছাত্রীদের। গত ১-২ বছর যে সে ছাত্রীদের উপর অত্যাচার করেনি এটা বললে হয়তো বিশ্বাস করতে কষ্ট হবে। কিন্তু স্ট্যাটাসগুলোতে ইশা-কে সন্ন্যাসী বানানো হয়েছে। যেন অবিচার শুধু তার উপরই হয়েছে। শিক্ষার্থীদের উপর দিনের পর দিন অত্যাচারগুলোকে হয়তো ক্যামেরাবন্ধী করা যায় না বলে সেগুলো কেউ মনে করে না। আবেগ দিয়ে সব হয় না, আর যদি আবেগেই সব হতো তাহলে রাজনীতি ব্যাপারটি হতো ছেলেখেলা। গতকাল সামুতে এক ভাইয়ের পোস্টে পড়েছিঃ
কিছুক্ষণ পর একটু চিতকারের শব্দ পাওয়া গেল। আমাদেরই প্রথম বর্ষের কয়েকজন ছেলে বড় ভাইদের চোখ এড়িয়ে, সুফিয়া কামালের সামনে গিয়েছিল। তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। গায়ে হাত দেবে না হয়তো। এখন আর কোন ছাত্রের গায়ে হাত দেয়ার সাহস ছাত্রলীগের নেই।
এখন বলতে ঘটনাটি ঘটার পর বুঝিয়েছে। একটু চিন্তা করে বুঝে নিন। একদিনের ক্ষোভে হয়তো এমন মনোভাব জন্মায় না কারো। ইশা-র সাথে ঘটে যাওয়া ব্যাপারটি নিন্দনীয়(!)। তবে দাদা, দেয়ালে পিঠ ঠেকে গেলে কি করবেন আপনি? নিশ্চয়ই, সামনে যে থাকবে তাকে সজোরে ধাক্কা দিবেন। তা কাজে লাগুক আর নাই লাগুক।
খোকন ভাইয়ের পোস্টগুলো ভালোই লাগে। হ্যাঁ, ভাই দৃশ্যটা কষ্টকর। কিন্তু ইশা-র আগের নির্যাতনের কথা জানতে পারলে হয়তো তা আরো বেশি কষ্টকর মনে হত। শুনেছি, যখন এই ঘটনা ঘটে তখনও নাকি ইশা ২-৩ জন ছাত্রীদের নির্যাতন করছিল(?)। যাই হোক, ইশা-র পদ যাবার পর অনেক ছাত্রলীগ ভাই-ই বলেছেনঃ ছাত্রলীগ কখনো অন্যায়কে প্রশ্রয় দেয় না।
বিঃদ্রঃ ছবিগুলোতে নাম দেখানো হয়নি। কারণ, আমি ভয় পাই। হ্যাঁ ভাই, সত্যিই।
সর্বশেষ এডিট : ১২ ই এপ্রিল, ২০১৮ বিকাল ৪:১৯

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




