আমার কাজিন তাসমিয়া বর্তমান বয়স ১৬। দুই বছর আগে এক ছেলের সাথে সর্ম্পকের জন্য বাড়ি ছেড়ে বিয়ে করে। মূলত ছেলেটি তাকে প্রতারণার মাধ্যমে মেয়েটির আবেগকে কাজে লাগিয়ে বাসা থেকে নিয়ে গিয়ে পালিয়ে বিয়ে করে। ছেলেটি বর্তমানে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যায়নরত। (মূলত আমার কাজিন যথেষ্ঠ সুন্দরী এবং স্মার্ট)। আমার কাজিন বর্তমানে মিরপুর -২ মনিপুর স্কুলে নবম শ্রেণীতে পড়ালেখা করছে। প্রথম কিছুদিন ছেলেটি আমার কাজিনের সাথে ভালো ব্যবহার করত। এমনও সময় গিয়েছে তারা দুইজনে দিনে একবেলা খাবার খেয়ে থাকত।কারণ ছেলেটির বাসা থেকেও তাদের মেনে নেয়নি। পরে ছেলের বাসা থেকে তাদেরকে মেনে নেয়। তারপর থেকেই মূল সমস্যা শুরু। তারা টাকার জোড় এবং বাহুর জোড়ে মেয়েকে বিদায় করে দিতে চায়। কিন্তু অপ্রাপ্ত বয়স্ক তাই রিস্ক নিতে রাজি হয়নি। তাই ছেলে এবং তার পরিবার বিভিন্ন ফন্দি আটে যাহা বর্তমানে বিদ্যমান। এরই মধ্যে আমার কাজিন অন্ত:সত্তা হয়। এদিকে ছেলের নির্যাতন দিন দিন বাড়তে থাকে। আমার কাজিন যখন ৩ মাস দশ দিনের অন্ত:সত্তা ছেলেটি আমার কাজিনের পেটে এত্ত্বো জোরে লাথি মারে যার ফলে পেটের ভিতর বাচ্চাটি মারা যায় এবং বাধ্য হয় এবরোশন করাতে। ঠিক তার পরের বাচ্চাটিও নষ্ট করতে বাধ্য হয়। এই সবই ঘটতে থাকে ছেলের মা-বোনের নির্দেশে ও পরামর্শে। কারণ তাদের পরামর্শে ছেলেটি আমার বোনকে নিয়ে আলাদা বাসায় ভাড়া থাকে। যেন কোন ভাবেই তার মা-বোনের উপর দোষ না দেয়। তারপর প্রতিদিন সকালে উঠে ছেলেটি তার মায়ের বাসায় যায় আসে রাত ১১/১২ টায় আমার বোন সারাদিন বাসায় একা একা কাটায়। ৫/৬ মাস যাবত বাসা ভাড়া দেয়না। ৪/৫ মাস যাবত ছেলেটি তার মায়ের বাসা থেকে খেয়ে আসে আমার বোনকে কোন প্রকার খাবার দেয়না। বাধ্য হয়ে আমার বোন অনাহারে থেকে কয়েক দিন অসুস্থ হয়ে পড়ে। যেহেতু আমার বোনের মা নেই বাবা থাকে অনেক দুরে। তাই তার সহযোগীতা করার মতো কেউ নেই। মাঝে মাঝে তার ফুফুর বাসা থেকে খেয়ে আসে তাও দিনের বেলায়। বাকি সময় অনাহারে থাকা লাগে। রাতে যখন আমার বোন তার স্বামী নামক নরপশুকে বলে যে তুমি তোমার মায়ের বাসা থেকে খেয়ে কোন দিন আমার খোজ নাওনা তোমাকে বললাম বাসায় কিছু নেই একটা ডিম নিয়ে আসো আর কিছু চাউল নিয়ে আসো আমি সারাদিন না খাওয়া তুমি তাও আনলা না। কত আর না খেয়ে থাকব। বলার পর প্রচন্ড রকম মার-ধোর করে। এমনিতেই প্রায়ই অকারণে মারধোর করে। গত কিছুদিন যাবত ছেলেটি আমার বোনের কাছে আসেও না খোজও নেয় না সারাদিন আমার বোন কাদে আর রিং করে তাও ধরে না। ছেলের মাকে রিং দেয় প্রতিদিন ছেলের মাও প্রতিদিন বিভিন্ন বাজে কথা বলে। কিছুদিন আগে আমার বোন আত্নহত্যা করতে চেয়েছিল (হারপিক খেয়ে) আশে পাশের লোকজন দেখে তাকে চিকিৎসা করায়। বর্তমানে আমার বোনকে সহযোগীতা করার মতো কেউ নেই। তার বাবাও না থাকার মতো। আর কোন আত্নীয় স্বজনও নেই। কিন্তু সে প্রনান্ত চেষ্টা এখনো করে যাচ্ছে ছেলেটির সাথে সংসার করার জন্য। পরে গত পরশু আমি আমার বোনকে নিয়ে মহিলা পরিষদের একজন সদস্যর সাথে দেখা করি। তিনি আজকে যেতে বললে আজকে আমার বোন গিয়েছিল তারা বলে পরে দেখব। এখন আমাদের প্রোগ্রাম আছে। তাই দশ তারিখের পর। অন্য একজন বলল মামলা করার জন্য তার জন্য অর্থের প্রয়োজন তাছাড়া মামলা চালাতেও খরচের প্রয়োজন। এই মুহুর্তে আমি ছাড়া আমার বোনকে সাহায্যে করার মতো কেউ নেই। আমিই বা কি করতে পারব। গত দুই দিন অনেক চেষ্টা করছি কিছু করার। কিন্তু কিছুই করতে পারিনি। চিন্তুা করেছিলাম এলাকার লোকজন ধরব। এলাকার লোকজন রাজি হয়না। কিছু হলেও তারা টাকা পয়সা দিয়ে মিট করে ফেলে। এরকম দুরবস্থায় অতিশীঘ্রই সুফল পাওয়া যাবে এরকম কোন সংস্থা বা ব্যাক্তির সন্ধান যদি কেউ দিতে পারেন তবে হয় আমার কাজিনের প্রাণটা এ যাত্রায় চিরতরের জন্য বেচে যাবে।
কারণ এখন যে অবস্থা চলছে তাতে যে কোন সময় আমার কাজিন আত্নহত্যা করতে পারে। সেক্ষেত্রে ছেলে পক্ষের হয়তো অনেক সুবিধাই হবে।
তাই এই ব্যাপারে কারো কোন পরামর্শ বা তথ্য দিয়ে বা কোন না কোন ভাবে সহযোগীতা করলে অনেক অনেক অনেক কৃতজ্ঞ থাকব।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



