somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

ইসলাম ডু-ডু পাখির ধর্ম নহে

০৪ ঠা মে, ২০১২ বিকাল ৫:৫০
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

আপনারা ডু ডু পাখির নাম শুনেছেন???? এই পাখিগুলো দেখা যেত ভারতীয় মহাসাগরে অবস্থিত মরিশাস দ্বীপটিতে । এই পাখিগুলো উড়ার ক্ষমতা অর্জন করতে পারে নাই কারন দ্বীপটিতে খাবার ছিল যথেষ্ট, ছিলনা কোন শিকারি প্রানি। তারা যখন কোন মানুষকে দেখত তখন নির্দ্বিধায় তারা মানুষের কাছে চলে আসতো। তাই এদের ধরা ছিল অতি সহজ। এরা এতোটাই বোকা ছিল যে চোখের সামনে নিজেদের স্বজাতিদের ধরে নিয়ে যেতে দেখে এরা কখনই বিচলিত হত না। দলবদ্ধভাবে কখনই আত্তরক্ষার জন্যে আক্রমন করত না। এমনকি দৌড়ে পালানোরও কোন চেষ্টা করত না। অত্যন্ত নিরিহ এই পাখিটির কিন্তু শেষ রক্ষা হয় নি। মানুষ এদের ধরে ধরে খেতে থাকল, এদের সংখ্যা কমতে কমতে আস্তে আস্তে এরা বিলুপ্ত হয়ে গেল। আজ কেবল এদের ছবি আর কিছু হাড়গোড় আমরা যাদুঘরে দেখেত পাই।

প্রায় ২০ কেজি ওজন , সারে ৩ ফুট উচ্চতা আর শক্ত ঠোঁট থাকার পরেও এরা কখনই আত্মরক্ষার কোন চেষ্টা করত না বিধায় আজ এদের অস্তিত্য নিশ্চিহ্ন করে দেয়া হয়েছে। নিরিহ এই প্রাণীটি কারও কোন ক্ষতি না করে নিজেদের মত করে দ্বীপটিতে বিচরন করে বেরাত। আর সেটাই তাদের বিপুপ্তির কারন হয়ে দেখা দিল।

ডু ডু পাখির ভুলগুলো ছিল নিম্নরূপ
১) এরা ডাচ নাবিকদের বন্ধু ভাবত
২) আত্মরক্ষার বিন্দুমাত্র চেষ্টা করত না
৩) এরা স্বজাতিকে মানুষের পেটে সাবার হতে দেখে বিচলিত হত না
৪) এরা নিজেদের শিকারির হাত থেকে বাঁচানোর জন্যে প্রস্তুত ছিল না

আজ এই কারনেই "ডু ডু" শব্দটি আজ " স্টুপিড" বা " আহাম্মক" শব্দের সমার্থক শব্দ হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে ( যা ইংরেজি ভাষায় ব্যবহৃত হচ্ছে ব্যপকভাবে)
কেউ যদি বলে " ডু ডু পাখির রাস্তা ধর" তাত মানে সে বলছে "তুমি অস্তিত্যহিন হও/বিদায় হয় উচ্ছন্নে যাও"
বস্তুত Do Do শব্দটি এসেছে পর্তুগীজ শব্দ (duodo) থেকে যার অর্থ দাঁড়ায় 'বোকা" বা "আহাম্মক"

এইবার আসি ইসলামের কথায়। কুরানে জিহাদের আয়াত নিয়ে নাস্তিকদের অনেক এলারজি দেখা যাচ্ছে। তারা দাবি করে ইসলাম যদি শান্তির ধর্মই হয়ে থাকে তাহলে এতে জিহাদের আয়াত আসলো কিভাবে???
কেন জিহাদের মাধ্যমে হত্যা করার অনুমোদন দেয়া আছে?

কেন অস্ত্র মজুদ রাখার কথা বলা আছে?

কেন অহিংস আন্দলনের কথা বলা হয় নি?

উত্তরঃ ইসলাম এমন একটি জীবন বিধান যা ব্যক্তি, সমাজ, রাষ্ট্র, সকল ক্ষেত্রেই দিক নির্দেশনা দেয়। ইসলাম স্বীকার করে মানুষকে এই পৃথিবীতে অন্যায়ের বিপক্ষে যুদ্ধ করতে হবে। সেটা তার ইচ্ছার বিরুদ্ধে হলেও।
এই যেমন ধরুন, ৭১ রে বঙ্গবন্ধু বার বার পাকিস্তানি শাসকদের সাথে আলোচনার টেবিলে বসেছেন, কারন তিনি চেয়েছিলেন শান্তিপূর্ণ উপায়ে সমস্যার সমাধান করতে। কিন্তু মানুষের মাঝে মাঝে একটি দল চিরকালি থাকবে যারা শয়তানের চেয়েও সবসময় দু হাত আর চার পা এগিয়ে থাকবে।

পাকিস্তানিদের একটাই লক্ষ্য ছিল ৭১ এ সেটা হল মানুষ চাই না মাটি চাই
আর তাই ২৫ মার্চের পরে যুদ্ধের দামামা বেজে উঠে। প্রশ্ন জাগে ৭১এ যুদ্ধ করে আমারও তো মানুষ খুন করেছিলাম। তাহলে কি আমরাও খুনি? বীরশ্রেষ্ঠরাও কি খুনি?? মুক্তিযোদ্ধারা কি তাহলে সন্ত্রাসী?? ওরা কি তাহলে পাকিস্তানিদের হত্যার অপরাধে অপরাধি???????
নাস্তিকরা মুক্তিযোদ্ধাদের জাতির বীর সন্তান হিসেবে আমাদের মত করেই মেনে নিয়েছে,
আর কোন এক অজানা কারনে ইসলামের রাসুলের যুদ্ধগুলোকে তারা অবৈধ বলে দাবি করে

(তার কারন মুলত একটাই, তারা ইসলামকে ঘৃণা করে, পৃথিবীর আর কোন কিছুকেই তারা এত বেশি ঘৃণা করে না)


এইবার আসুন দেখি ইসলামে জিহাদের বিধান না থাকলে কি হতে পারত??
এখানে ২ টি হাইপথিসিস আমি দেখাতে চাই

১ নং হাইপথিসিসঃ

ইসলামে জিহাদের বিধান নেই। মুসলিমরা যুদ্ধ করাকে ধর্ম বিরোধী কাজ বলে মনে করত। তাই মুসলিম দেশগুলো কখনই নিজেদের রক্ষার জন্যে সামরিক শক্তি সঞ্চয় করত না, বা কোন সুসংঘঠিত সৈন্যদল তৈরি করত না । মোটকথা ডু ডু পাখির মত মুসলিমরা কখনই শত্রুর সাথে লড়তে যেত না (এমনকি যদিও তাদের সামনে তাদের সঙ্গীদের হত্যা করা হয় তবুও না)

ফলাফলঃ ইসলাম বিদ্বেষী, ক্ষমতা আর সম্পদলভী দেশি বিদেশী শত্রুর হাতে মুসলিমদের গননিধন, অতঃপর মুসলিমদের ডু ডু পাখির ভাগ্য বরন।

২ নং হাইপথিসিসঃ
ইসলামে জিহাদের আয়াত নেই। কিন্তু মানুষ তার বিচার বুদ্ধি দিয়ে বুঝতে পারল দুষ্টের দমনের জন্যে অনিচ্ছা সত্যেও যুদ্ধে ঝাপিয়ে পরতে হবে এবং মানুষ তাই করল।
অতঃপর মানুষ দেখল যে তাহারা ধর্মের পথে থেকে নিজেদের রক্ষা করতে পারবে না, শুধু তাই না ভবিষ্যতে মুসলিমরা যদি নিজেদের আত্মরক্ষার জন্যে অস্ত্র মজুদ ও সামরিক প্রস্তুতি গ্রহন করতে থাকে তাহলে তা ধর্মের বিপক্ষে যাবেই। অতএব যেহেতু আত্মরক্ষা না করলে অস্তিত্যই যেখানে হুমকির মুখে পড়ে সেখানে ধর্মকে বাচিয়ে রেখে কি লাভ???
অতএব মুসলিমরা দলে দলে ইসলাম ত্যগ , ও বাকি মুসলিমদের ডু ডু পাখির ভাগ্য বরন।

লক্ষ্য করুন এখানে আমি যে ২ ট হাইপথিসিস দেখালাম তার যেকোনো একটি সঙ্ঘটিত হলেই ইসলাম ১৪০০ বছর কেন রাসুলের বিদায়ের ১৪ বছরেই মুসলিমদের চিরশত্রুরা তাদের নিশ্চিহ্ন করে ফেলত

উভই ক্ষেত্রেই মুসলিমদের ডু ডু পাখির ভাগ্য বরন করতে হত
তখন মুসলমান শব্দটা হত "আহাম্মক" এর সমার্থক শব্দ
"মুসলিমদের" রাস্তা ধর বলতে বুঝাতো "উচ্ছন্নে যাও'/ "অস্তিত্যহিন হও" ইত্যাদি ইত্যাদি

সুরা আনফাল আয়াত ৬০ এ আল্লাহ বলেন "তাদের সাথে যুদ্ধের জন্যে তোমরা যথাসাধ্য সাজ সরঞ্জাম, শক্তি ও ঘোড়া প্রস্তুত রাখবে, এবং তোমরা আল্লাহর দুশমন ও তোমাদের দুশমনকে ভিত সন্ত্রস্ত করে দিবে।"


আবার ৬১ নম্বর আয়াতে বলা আছে " হে মুহাম্মাদ তারা যদি সন্ধির প্রতি আগ্রহ দেখায় তাহলে তোমরাও সন্ধির প্রতি ঝুকে যাবে, এবং সর্বদা আল্লাহর উপর ভরসা করবে, নিশ্চয়ই আল্লাহ সবকিছু শুনেন সবকিছু দেখেন"

এখানে লক্ষ্য করুন মুসলিমদের পর্যাপ্ত পরিমান সমরাস্ত্র মজুদ রাখার কথা কুরানে বলা আছে।
আজকের বিশ্বে আমরা লক্ষ্য করলেই দেখব প্রতিতি রাষ্ট্রই বাজেটের একটি উল্লেখযোগ্য অংশ সামরিক খাতে ব্যয় করে (যদিও সেই দেশ আপাতত কারও সাথে যুদ্ধাবস্থায় নেই), তার মানে কি এই দাঁড়ায় এই যুগের সকল রাষ্ট্রই সন্ত্রাসি মতাদর্শে বিশ্বাসী?????

তাহলে আমাদের সেনা সদস্যের আমরা অস্ত্র দিয়ে প্রস্তুত রেখেছি কেন??
আমরা কি তবে মানবতার শত্রু?? যুদ্ধে যাদের আমরা হত্যা করব তারাও তো মানুষ, তাহলে কি মানবতার মুখে লাথি মেরে আমরা আমাদের সেনাবাহিনি ট্যংক/কামান দিয়ে সাজিয়েছি??


সেনাবাহিনির প্রতিটি সদস্য কি তাহলে সন্ত্রাসী আদর্শে দীক্ষিত??????????

পৃথিবীর প্রতিটি রাষ্ট্রই তাদের সামরিক শক্তির আধুনিকায়নে সচেতন, প্রতিটি সংবিধানই সেনাবাহিনির প্রয়োজনীয়তা স্বীকার করে । তাহলে কুরানের আয়াত কি করে সন্ত্রাসী আয়াত হতে পারে???

৭২ নম্বর আয়াতে বলা আছে ঃ "যারা ইমান এনেছে কিন্তু হিজরত করে নি, যতক্ষণ পর্যন্ত তারা হিজরত না করবে ততক্ষণ পর্যন্ত তাদের অভিভাবকত্তের দায়িত্ব তোমার নেই,
যদি তারা একান্ত দ্বীনের খাতিরে তোমাদের সাহায্য চায় তাহলে তাদের সাহায্য করা তোমাদের কর্তব্য, তবে তা যেন এমন কোন সম্প্রদায়ের বিরুদ্ধে না হয় যাদের সাথে তোমাদের কোন চুক্তি হয়েছে, বস্তুত তোমরা যা কিছু কর আল্লাহ তা সবকিছুই দেখেন"

এখানে আল্লাহ আমাদের মুসলিমদের পক্ষ হয়ে শান্তিচুক্তিতে আবদ্ধ বিধর্মীদের সাথে যাতে আমরা শত্রুতা না করি সে নির্দেশ দিয়েছেন। কোন মুসলিম অপর মুসলিমের পক্ষ নিয়ে বন্ধু রাষ্ট্রের সাথে বিশ্বাসঘাতকতা করবে এটা ইসলামে কঠোরভাবে নিষিদ্ধ।


সুরা তাওবা আয়াত ৬ এ আল্লাহ রাসুল কে বলেন ঃ "আর যদি মুশরেকদের মাঝ থেকে কেউ যদি তোমাদের কাছে আশ্রয় চায় তাহলে অবশ্যই তাকে আশ্রয় দিবে, যাতে তারা আল্লাহর বাণী শুনতে পায়, অতঃপর তাকে তোমরা কোন নিরাপদ স্থানে পৌঁছে দিবে, এটা এজন্যই যে এরা আসলে এমন এক সম্প্রদায়ের লোক যারা কিচ্ছু জানে না"
এখানে আল্লাহ শত্রুদের নিরাপত্তা চাইলে তাদের বিমুখ না করার নির্দেশ দিয়েছেন। শুধু তাই নয় তাদের নিরাপদ আশ্রয় পৌঁছে দেয়ার নির্দেশও দিয়েছেন।

আল্লাহর রাসুল বহুবার আমাদের বলেছেন (যা কুরানেও এসেছে) "যে অবিশ্বাসীরা তোমাদের শত্রু"

আজকের পৃথিবীতে এর পক্ষে প্রমান আমদের চোখের সামনে।
এক কালিন হিন্দু , বৌদ্ধ, খ্রিস্তিয়ান, যারা আজ নাস্তিকতার মুখোশ পড়ে আছে তারা আজ ফেসবুকে ইসলামের নবি, রাসুল, আর ধর্মপ্রচারকদের ইচ্ছামত গালিগালাজ করছে।
অথচ যারা সত্যের পুজারি তারা নিজেরা সত্যের পথ না দেখিয়ে কিভাবে আরেকটি আদর্শকে গালিগালাজ করতে পারে?????????

নাস্তিকরা আমাদের প্রচন্ড ঘৃণা করে, আমাদের অপরাধ আমরা এক আল্লাহকে বিশ্বাস করি।

নাস্তিক হওয়া অপরাধ নয়, কিন্তু নাস্তিকরা মুসলিমদের বিশ্বাসকে তাদের ঘৃণা করার কারন হিসেবে জাস্টিফাই করে, আমরা আল্লাহকে বিশ্বাস করি এই কারনে তারা মনে করে আমাদের ও আমাদের রাসুল কে জঘন্য ভাষায় গালিগালাজ করা, রাসুলের বিরুদ্ধে কু রুচিকর কাল্পনিক কথাবার্তা বলা, আর অশ্লীল কার্টুন একে মুসলিমদের ধরমানুভুতিতে আঘাত দিয়ে তারা আসলে ভাল কাজ করছে



যদি ওরা কেবল ইসলামের শত্রু না হত তাহলে ওরা যে ধর্ম থেকে সরে এসে নাস্তিক হয়েছে সে ধর্মের সীমাবদ্ধতাগুলো তুলে ধরে তাদের অবস্থানের কারণকে যুক্তি দ্বারা ব্যখ্যা করত। অন্য ধর্মের মানুষের প্রতি খড়গহস্ত হত না। ফেসবুক, আর ব্লগ এ ঘৃণা ছড়াত না।

নাস্তিকরা দাবি করে তারা যুক্তিবাদী, মানবতাবাদি, মুক্তমনা।
একবার নাস্তিকধর্মে দীক্ষিত হয়ার পর হায়েনার আক্রোশ নিয়ে মুসলিমদের উপর ঝাপিয়ে পরার নাম কি নাস্তিকতা????????????
ইসলামের নবি ও ধর্ম প্রচারকদের অশ্লীল কার্টুন,। আর কাল্পনিক গালগল্প বানিয়ে বলার নাম কি যৌক্তিকতা????????????????
মুসলিমদের কেবল তাদের ধর্ম বিশ্বাসের কারনে ঘৃণা করার নাম কি মানবতা??????????

ওরা বলে ওরা মুক্তমনা

সত্য কখনও একাধিক রুপে আসতে পারে না, সত্য একটাই। আজ যারা নিজেদের মুক্তমনা দাবি করে তারা কি বলতে চায় তাদের আগে পৃথিবীতে কোন সৎ লোক আসে নাই, তাদের আগে কেউ সত্য পথ কি তা জানত না????? যারা একটি বিশেষ ধর্মের রাসুল আর অনুসারীদের সারাদিন জঘন্য ভাষায় গালিগালাজ করে, মিথ্যাচার করে, অশ্লীল নারীর ছবি দিয়ে নারী অধিকারের পোস্ট দেয়, অথচ নিজেদের কোন বিকল্প রাস্তা দেখায় না, যাদের কোন আদর্শ নাই, কোন নির্দিষ্ট নীতি নাই, যাদের শুরু হচ্ছে অধর্ম ব্যবসা, তারাই কি শুধু মুক্তমনা????????? হস্তমৈথুন, গেলমান, সেক্স, ছাগু, আবাল, যাদের সর্বাধিক ব্যবহৃত শব্দ তারা কি মুক্তমনা?????? যারা আর দশ জনের মতের বিরুদ্ধে যায় তারাই কি মুক্তমনা????????? তাহলে কি হিটলার, আর টানবাজারের পতিতাও মুক্তমনা????????? যদি তাই হয় তাহলে বলব ঘৃণা করি মুক্তমনাদের কারন তাদের ব্যবহার দিয়ে তারা আমাকে জয় করতে পারে নাই, রাসুল পেরেছেন। কে আছে রাসুলের চেয়ে বৃহত্তর আর সফলতর মুক্তমনা???????????????????????? কে আছে এমন একা একা এক আদর্শ প্রতিষ্ঠিত করেছেন ১৪০০ বছর পরেও সে আদর্শ মাটিতে মিশিয়ে তথাকথিত সর্বজ্ঞানী নাস্তিকরা শোচনীয় ভাবে ব্যর্থ??????????????? কার আদর্শ আজো ১৫০ কোটি মানুষকে প্রভাবিত করে???????? কার আদর্শ আজো পৃথিবীর সবচেয়ে প্রসারণশীল?????????????????? রাসুল ছিলেন মুক্তমনা আমরা সেই মুক্তমনার অনুসারী। বাকি সব আবর্জনা


আমি নাস্তিক হতে পারলে খুশি হতাম, যদি আল্লাহ না থেকে থাকেন তাহলে কে আমাকে জাহান্নামে পোড়াবে????????? আমি বেচে যাব হাজারও অপরাধ করে।

কিন্তু নাস্তিকতার ব্যবচ্ছেদ করতে গিয়ে দেখি সেখানে কেবল ধার্মিকদের প্রতি ঘৃণা!! আর ঘৃণা!!!!! প্রচণ্ড ঘৃণা!!!!!

[কৃতজ্ঞতাঃ আল ফাত্তাহ ভাই]
২টি মন্তব্য ১টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

৭ই নভেম্বর বিপ্লব ও সংহতি দিবস....

লিখেছেন জুল ভার্ন, ০৭ ই নভেম্বর, ২০২৬ সকাল ১০:২০


৭ই নভেম্বর বিপ্লব ও সংহতি দিবস....

দেখা হবে যুদ্ধ ফুরোলে সন্ধের মাহফিলে;
দেখা হবে ঠিক চেনা রাস্তার অচেনা-অন্ত্যমিলে।
ছড়াব আবার শস্যের দানা দেশ থেকে মহাদেশে
মানুষই জেতে, খুঁজে নেয় আলো অন্ধকারের শেষে...

তোমার গল্পে... ...বাকিটুকু পড়ুন

বস্ত্রশিল্পের জন্য আমি সরকারের যথাযথ স্থানে থাকলে কি করতাম !!!

লিখেছেন অপলক , ০৭ ই নভেম্বর, ২০২৬ দুপুর ১২:১৬



গত ১০ দিন হল দেশের বস্ত্র শিল্পের উপর আঘাত খুব চিন্তার বিষয়। অনেক আগে বিচ্ছিন্নভাবে বস্ত্রশিল্প নিয়ে কথা বলেছিলাম। আজ সব মিলিয়ে কিছু চিন্তা করলাম। তার কিছু এখানে নোট... ...বাকিটুকু পড়ুন

বাংলাদেশের চরম দারিদ্র্য নির্মূলে পাঁচ বছর মেয়াদি একটি সমন্বিত নগর পরিকল্পনা

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ০৭ ই নভেম্বর, ২০২৬ বিকাল ৩:১৭


প্রস্তাবিত প্রকল্প: স্বাবলম্বী বাংলাদেশ - দারিদ্র্যমুক্তির নতুন নগর

আমি যদি সরকারের দারিদ্র্য নির্মূল বিভাগের প্রধান হতাম, তাহলে আমার প্রথম লক্ষ্য হতো বাংলাদেশের চরম দারিদ্র্য সীমার নিচে বাস করা ১ কোটি ৭০... ...বাকিটুকু পড়ুন

Sajna

লিখেছেন আরমান আরজু, ০৭ ই নভেম্বর, ২০২৬ বিকাল ৩:৩১



Sajna
Love is sacred;
Commences from the intense mystery of pure souls.
Has a beginning, but no end;
Here, only peace prevails.
So, love—
Solely for the sincere and the disenchanted,
Not for the pharisaic.
...বাকিটুকু পড়ুন

বিপ্লব সংহতি দিবস সফল ও সার্থক হোক.....

লিখেছেন কলিমুদ্দি দফাদার, ০৭ ই নভেম্বর, ২০২৬ বিকাল ৫:১১



আজকে নাকি বিপ্লব সংহতি দিবস। দল ক্ষমতায় থাকলে অনেক রকমের দিবস পালিত হয়। আওয়ামী লীগের সময় শেখ জামাল-কামালের বিবাহ দিবস, শিশু শহীদ শেখ রাসেলের সুন্নাতে খৎতা দিবস আরো কতো কি?... ...বাকিটুকু পড়ুন

×