somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

নারীর সমঅধিকার,একটি সমাজ ধ্বংসের উথান

২১ শে নভেম্বর, ২০১৫ ভোর ৬:১৪
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

‘জেন্ডার ডিসক্রেমিনেশন’নিয়ে এক ছোট ভাই বললো-মেয়েরা তো এখন ডিসক্রেমিনেশন মানতে চায়না।তারা সকল ক্ষেত্রে সমঅধিকার চায়।

তাকে জিজ্ঞেস করলাম-তুমি হিন্দী ‘রোবট’মুভি দেখেছো?

বললো-হ্যা দেখেছি।

বললাম-সেখান থেকে কি বুঝেছো?

পাশ থেকে এক ফ্রেন্ড বলছে-রোবটের মধ্যে ইমোশন ঢুকিয়ে দেওয়া হয়েছিলো।এজন্য ঝামেলার সৃষ্টি হয়েছিলো।

এবার বললাম-যতক্ষণ পর্যন্ত রোবটকে রোবটের মত রাখা হয়েছিলো,ততক্ষণ পর্যন্ত রোবট সঠিক পথে ছিলো।কিন্তু যখনই রোবটকে মানুষের সমকক্ষ বানিয়ে ফেলা হয়েছিলো,তখনই দেশে বিশৃংখলা সৃষ্টি হয়েছিলো।এবং এই মুভিটির সর্বশেষে আইন করা হয়েছিলো,কেউ রোবট বা এই জাতীয় কিছু বানাতে পারবেনা।

আজ নারী-পুরুষ সমঅধিকারের কথা বলা হচ্ছে।কিন্তু বাস্তবিকই তা সম্ভব?কেউ কারো চেয়ে কম মেধাবী বা যোগ্যতাসম্পন্ন নয়।কিন্তু তারপরও আল্লাহ নারী-পুরুষকে আলাদা মর্যাদা দিয়েছেন।

কখনো পাশ্চাত্য সমাজের দিকে তাকিয়ে দেখেছো,তাদের কি অবস্হা আর আমাদের কি অবস্হা?

ছোট ভাই বললো-ওদের অবস্হা বলার মত না।আমাদের দেশ ওদের মত হলে ধ্বংস হয়ে যাবে।

আরেকজন বলছে-দোস্ত!আর বলিসনা,ওদের ৫৩ডভ% জারজ বা অবৈধ সন্তান।

-একদম ঠিক।এটা হচ্ছে সমঅধিকারের সুফল।নারীরা তাদের অধিকারের বলে যা খুশী তাই করবে,কিন্তু তুমি এজন্য কিছু করতে পারবেনা।তুমি তোমার পিতৃপরিচয় খুজে পাবানা।তোমার স্ত্রীকে নিয়ন্ত্রণে রাখতে পারবানা।বিয়ের পরে বেশীরভাগ সংসার ভেঙ্গে যাচ্ছে।

আমি আমার দেশে এরকম দেখতে চাইনা।সামাজিকতা বলা হোক বা অসভ্যতা বলা হোক,আমার দেশের মানুষগুলো অনেক ভালো আছে।আমি আমার মায়ের জন্য ঐ পরিবেশ চাইনা,আমার বোনের জন্য চাইনা,আমার মেয়ের জন্য চাইনা।আমি এইটুকু চাই,আমার মা-বোনেরা নির্বিঘ্নে সুখে,শান্তিতে তাদের সংসার নিয়ে বেঁচে থাকুক।

সমাজ স্বাভাবিকভাবেই ভিন্নদিকে প্রবাহিত হচ্ছে।বাঙ্গালী বা মুসলিম সংস্কৃতি আজ খুজে পাওয়া কঠিন হয়ে গিয়েছে।সেখানে অনুপ্রবেশ ঘটেছে হিন্দী ও পাশ্চাত্য সংস্কৃতির।

সেই সংস্কৃতির জোরে সমঅধিকার স্হাপনের জন্য বলা হচ্ছে।এটি আমাদের সমাজের জন্য কতটুকু ক্ষতিকর,সেটি এই আবেগপ্রবণ জাতি বুঝতে পারছেনা।যখন সবকিছু শেষ হয়ে যাবে,তখন হয়ত বলবে-আমার এই সমঅধিকারের চেয়ে বৈষম্যই ভালো ছিলো।আমি আমার স্বামী,সন্তান,নাতী,নাতনী নিয়ে সুখে বাস করতে পারতাম।সেটিতে থাকলে আমি পরিবারের একজন হয়ে থাকতেম,আমাকে কখনো বৃদ্ধাশ্রমে আশ্রয় নিতে হতোনা।

এখন সময় আছে নিজেদের জেগে উঠার ও সুযোগ আছে সংশোধন করার।
সর্বশেষ এডিট : ২১ শে নভেম্বর, ২০১৫ ভোর ৬:১৪
৬টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

আ-তে আনন্দবাজার, আ-তে আওয়ামী লীগ

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ০৪ ঠা সেপ্টেম্বর, ২০২৬ রাত ১:১৫


ইন্টারনেটে খবর পড়তে পড়তে হঠাৎ একটা শিরোনাম সামনে এলো। পড়েই কয়েক সেকেন্ডের জন্য মনে হলো, বাংলাদেশের বিদ্যুৎ খাতে বুঝি বিশাল কোনো ঘটনা ঘটে গেছে। শিরোনাম, “আধ পয়সা বেশি... ...বাকিটুকু পড়ুন

২০১৮ সালের পর ঢাকাতেই ৪টা এক্সপ্রেসওয়ে

লিখেছেন মাথা পাগলা, ০৪ ঠা সেপ্টেম্বর, ২০২৬ রাত ৩:৫৩



একটা দেশের উন্নয়ন কতটা এগিয়েছে, সেটা বোঝার অনেকগুলো উপায় আছে। তবে সবচেয়ে সহজ উপায় হলো সেই দেশের রাস্তা, সেতু আর যোগাযোগব্যবস্থা। কারণ এগুলোর পরিবর্তন সরাসরি মানুষের দৈনন্দিন জীবনে চোখে... ...বাকিটুকু পড়ুন

আজকের ডায়েরী- ১৯৭

লিখেছেন রাজীব নুর, ০৪ ঠা সেপ্টেম্বর, ২০২৬ দুপুর ১২:৫৪



শরতের সকাল! সকাল ৮ টা।
ভাদ্র মাস। ইংরেজি সেপ্টেম্বর মাস। ২০২৬ সাল। ঘটনাটা কি হয়েছে, আমি বলি। মোটামোটি ভয়াবহ ঘটনা বলা যেতে পারে! যে কোনো সময় রোদ উঠবে।... ...বাকিটুকু পড়ুন

বাংলাদেশে বর্তমান গ্যাস-বিদ্যুৎ সংকট: দায় কার?

লিখেছেন ডঃ এম এ আলী, ০৪ ঠা সেপ্টেম্বর, ২০২৬ বিকাল ৩:০৭


সংক্ষিপ্ত রায় সবচেয়ে বড় দায় বাংলাদেশের দীর্ঘদিনের জ্বালানি ও বিদ্যুৎ নীতির। এর মধ্যে ২০০৯–২০২৪ সময়কালের সরকারের সিদ্ধান্তগুলোর দায় তুলনামূলকভাবে বেশি, কারণ ওই সময়ে বিদ্যুৎ উৎপাদন ক্ষমতা দ্রুত বাড়ানো হলেও... ...বাকিটুকু পড়ুন

যাপিত জীবন.....

লিখেছেন কলিমুদ্দি দফাদার, ০৪ ঠা সেপ্টেম্বর, ২০২৬ বিকাল ৫:২৭


১।মালয়েশিয়া, ইন্দোনেশিয়া, ব্রুনাই দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার কিছু দেশে জুম্মার নামাজ পড়ার সুযোগ হয়েছে। ১২.৫০ এ আজান তারপর ১.১৫ দিকে জুম্মার নামাজের সকল আনুষ্ঠানিকতা শেষ। আজানের কিছুক্ষণ পর খুতবা শুরু তারপর... ...বাকিটুকু পড়ুন

×