একটা সময় ছিলো পুলিশের চাকুরি মানুষ ইচ্ছাকৃতভাবে এড়িয়ে যেত।
এবং এদের সাথে কোন সামাজিক, বা পারিবারিক সম্পর্ক গড়ে তুলতে অনীহা দেখাতো।
এখনো কোন সৎ, আদর্শ পরিবার তাদের কন্যা কে কোন পুলিশের কাছে বিয়ে দেয় না।
সমাজের শান্তি প্রতিষ্ঠার দায়িত্ব নিয়ে যারা স্লোগানে বলে মানুষের বন্ধু অথচ কাজে তারা মানুষের শত্রু, তাদের দেখলে মানুষ ভয় পায়, এরা বেতন পায় ১৫/২০ হাজার অথচ একজনে মাসে ইনকাম করে ৫০ থেকে ৫ লাখ টাকা করে।
এই টাকার উৎস হলো নিরীহ মানুষকে ভয় দেখিয়ে চাঁদাবাজি, অন্যায় ভাবে ঘোষ খাওয়ার বিনিময়ে কাজ করে দেয়া, মিথ্যা মামলা, ভালো মানুষকে ক্রেমিনাল বানানো সহ অনেক অবৈধ পন্থানুসরণ করে তারা এসব হারাম টাকা আয় করে।
আর সেই অবৈধ ঘুষখোর, চাঁদাবাজ, দুর্নীতিবাজ পুলিশ যখন অন্যকে জ্ঞান দেয় কার কাছে বিয়ে বসবে কার কাছে বসবে না তখন তা হাস্যকর মনে হয়।
#প্রবাসী বাংলাদেশীর সংখ্যা ১ কোটি বেশি
#দেশের অর্থনীতিতে পরিবর্তন এসেছে এই প্রবাসীদের হাত ধরে।
#তাদের আয় শতভাত সৎ উপার্জন ও হালাল টাকা।
#প্রবাসীদের পাঠানো রেমিট্যান্সে দেশের অর্থনৈতিক চাকা ঘুরে।
# প্রবাসে সবাই নিন্মস্থরের চাকুরি করে না।
এখানে রয়েছে কোটি কোটি ডালের ইনভেস্টরস
রয়েছে বড়, ছোট ও মাঝারি আকারের সফল উদ্যোক্তা ব্যবসায়ী এবং ১ম, ২য়, ও ৩য় স্তরের কর্মচারী
এখানে আছে, ডাক্তার, ইঞ্জিনিয়ার, অর্থনীতিবিদ, আর্কিটেচার, ফ্যাশন ডিজাইনার, মডেলার, মিডিয়া কর্মী, ভারী শিল্প এলকা পরিচালনা করার জন্য দক্ষ ম্যানেজম্যান্ট, সার্টারএকাউন্টেন, আইনজীবী, আইটি এনালিস্ট, রিচার্স এন্ড ট্রেইনার, প্রজেক্ট ম্যানাজার, ও ইংরোজি মাধ্যম সহ ভার্সিটির টির্চার/ অধ্যক্ষ সহ শিল্পী সাহিত্যিক।
সো কোন মানুষ যদি নরমাল কাজও করে তা দেশের পুলিশের চাকুরি থেকে সম্মানের বলে আমি মনে করি।
কারণ তার ইনকাম সৎ পথে।
সর্বশেষ এডিট : ২৫ শে জানুয়ারি, ২০১৯ বিকাল ৫:৩১

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



