খুব ক্রিটিক্যাল একটা পরিস্থিতি সৃষ্টি হইছে । একবার মনে হইছিল ইরাকের সব ত্যাল পাইয়া কাকারা একটু চুপ করবো ।কিন্তু ভাও চক্কর ভাল্লাগতাছে না । 11 সেপ্টেম্বরের ঘটনা কারা ঘটাইছিল এখনও কেউ জানেনা । ব্লেয়ার আইসা মোশাররফরে কি ভুং ভাং দেখাইলো 10-15 দিনের মধ্যে আফগানিস্তান পাইয়া গেল । ব্যাপক বিধ্বংসী অস্ত্র কোথায় ছিল ভগবান জানার আগেই বোম ফালাইয়া ঢুইকা গেল গা ইরাকে । তারপর 2 দিন পর পর এদিক ওদিক বোম ফাটাইয়া গোয়েন্দা ঢুকানোর হালাল রাস্তা বানাইতাছে একটার পর একটা ।
মনে কইরা দেখেন একটা ব্যাপার । 1999 থিকা 2001 এর সেপ্টেম্বর পর্যন্ত একের পর একটা বিশ্বায়ন বিরোধী বিক্ষোভ হইতেছিল । সেই বিক্ষাভের ইস্যুগুলা মানুষের নজরের বাইরে চইলা গেল গা 11ই সেপ্টম্বরের পরবতর্ী হাউকাউতে । কিন্তু হাউকাউ এর আড়ালে গায়ের জোরে পুজি সম্প্রসারণ কিন্তু চলতাছে । মজুরি লেভেল নামতাছে পশ্চিমে । ভতর্ুকি আর ভুয়া ট্যাক্সকাট দেখাইলো বুশ এম্রিকানরা নাচতে নাচতে ভোটাইলো বুশরে । ইউরোপে পুজি বিকেন্দ্রিকরণ করতে গিয়া ফ্রানস-জামর্ানী-হল্যান্ডের মজুরি লেভেলও নামছে এবং নামতাছে । কিন্তু এগুলা বিশ্বরাজনীতির মূল ইসু্য হিসাবে জনগনের চোখে পড়তাছে না ক্ল্যাশ বিটুইন সিভিলাইজেশনের হান্টিংটনীয় ভুয়া তত্ত্বের চালাকিতে ।
আমার মনে হইতাছে যেইটা, ল্যাটিন আমেরিকার অনেকগুলা দেশে কাকারা কায়দা করতে পারতাছে না একদিকে । অন্যদিকে সাংহাই প্যাক্ট এশিয়ায় কাকাগো ট্যাকে টান ফালানোর তাল করতাছে । এই আতঙ্কগুলা কাকার ঘরে আছে । তাই যেইসব দেশে কাকাগো আগের থিকাই কন্ট্রোল আছে সেগুলাতে টাইট হইয়া বসা ফরজ হইয়া গেছে । এই টাইট হইতে লাগে আঞ্চলিক গুন্ডা বাহিনি । সামরিক আমলা তন্ত্রতো হাতেই আছে, সেই সাথে বহু বছর ধইরা পোষা নারায়ে তকবীররা ও আছে । মাদ্রাসায় টেকা দিয়া বহু দিন ধইরা ট্রেনিং দিছে এগো । পুরান পিড়িত কি চাইলেই উইড়া যায় ?
এখন কথা হইছে অ রা এখন কি করতে পারে ? 3 টা রাস্তা আছে :
1. আবার মাশর্াল ল কিংবা "সিভিল সোসাইটি" দিয়া ক্রিয়েটিভ ফ্যাসিজম
2. মাইর পিট আর ইলেক্টোরাল কু্য দিয়া বি.এন.পি জামাতরে আবার পাওয়ারে আনা
3. একই কাজের দায়িত্ব আওয়ামী লীগরে দেওয়া
আপনারা কি কন ?
সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে ডিসেম্বর, ১৯৬৯ সন্ধ্যা ৭:০০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




