শেখ মুজিব নিহত হওয়ার সময় বিশাল ক্যাচাল চলতাছিল ।আম্লীগের অবস্থা খুবই খারাপ । জাসদ/সর্বহারা/পূর্ব বাংলাগো ক্ষমতা দখলের বা দখল কইরা টিকা থাকনের যোগ্যতা ছিল কিনা সেইটা নিয়া নানারকম ক্যাচাল আছে, আপাতত ওদিক যামু না ।তয় কাকাগো দিলে ডর আছিল ঠিকই।তাগো কইলজায় তখন ভিয়েতনামের ঘাও থক্ থক্ করতাছে ।জাসদ তাগো তৈরী হইলেও কর্মীরা যে কখনোই নেতাগো খেদাইয়া অন্যকোন দিক যাইবো না সেই ভরসাও নাই।কম্বোডিয়াতে যেমন ছিল ।আবার তাজউদ্দিনরে খেদাইলেও আম্লীগ কেজিবির কথা বেশী শুনা শুরু করছিল।বিশেষ কইরা বাকশালের টাইমটা আম্লীগে ভালো একটা পেজগী চলছে।সিআইএ/কেজিবি একলগে কাম করছে।কেজিবি অনেকগুলা ওয়ার্নিং দিছিল শেখ মুজিবরে। শেখ মুজিব সেগুলা শুনে নাই আম্লীগ ভক্তগো মতে বাঙ্গালী আমারে মারবোনা ধারণা থিকা, আমার মতে দেখিনা কি করে মনোভাব থিকা।কারণ সিআইএ তখন একলগে অনেক নাও এ ঠ্যাং দিয়া রাখছে।ইতিহাসবীদরা খালী বেচারা মোশতাকরে গাইল পাড়ে।মোশতাক একলা এত কিছু করা পারলে তো শেখ মুজিব নেতাই হইতে পারতো না ।তাজউদ্দিনরে মন্ত্রীসভা থিকা সরানোর পরে যারা পাট্টি দিছিল তারা সবাই সিআইএর লগে যোগাযোগ রাখতো।এগো মধ্যে অনেকেই বাকশালের সময় জেলে গেছিল।যাই হোক মোট কথা ১৯৭৫এর সামরিক অভূত্থান কতিপয় "বিপথগামী" বা কতিপয় "দেশপ্রেমিক" অফিসারের কাম না এই ঘটনায় আওয়ামী লীগ জড়িত।শুধু মোশতাকের মন্ত্রীসভায় যারা যোগ দিছিল তারা না । আরো অনেকে নিস্ক্রিয় থাইকা সমর্থন দিছে।তারাই র্বতমান আওয়ামী লীগ।যারা যারা সেই সময় সিআইএর টোপ খায় নাই তারা হয় পলাইয়া গেছে নাইলে মরছে।যেই ৪ নেতারে জেলের মধ্যে বেয়নেট চার্জ কইরা মারা হইছে তারা কেজিবির লোক না হইলেও সিআইএর দালালী করতে চায় নাই।ক্যান চায় নাই সেইটা জটিল প্রশ্ন।চাইলে বাইচা যাইতো।
(বছর দেড়েক আগে একবার কেজিবির কোন এক পুরানা র্কমর্কতার কাগজপাতি ঘাইটা নানারকম কথা শোনা গেল।কথাগুলা তেমন নতুন কিছু না।তবে বুইড়া অজয় রায় কয় এগুলা ঠিক না। কেজিবির তথ্য ভুল ৭৫এর সামরিক অভ্যুত্থানের লগে সিআইএ জড়িত না ইত্যাদি।বুঝলাম বুইড়া মানু কততা কয়।আর সিপিবির উর্বর মস্তিস্কের পরিচয় পাওন যায় এই মন্তব্য থিকা।)
তারপর আর কি! ১৫ আগস্ট থিকা ৭ নভেম্বর বেশ ছককাটা কায়দায় আউগাইছে।খেলোয়াড়রা ভাবছে আমরা খেলি আর পাপেট মাস্টার ভাবছে হালার রামছাগল!
সর্বশেষ এডিট : ০৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৭ ভোর ৬:৩৭

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


