একদিন-
উন্মুখ অস্ফুট শব্দেরা
উড়ছিল প্রজাপতি হয়ে। কিছু ঝরছিল টুপটাপ।
লাঙলের ফালি
যখন ছুঁয়ে দিলো মাটির বুক-
চিরে যেতে যেতে জেনেছিলো তারা-
কিছু কান্না চাই।
কান্না থেকে ভালবাসা
তারপর জন্ম নেবে শব্দের উত্তরসূরী।
মেঘের কাছে পত্র দিলো তাই সুপ্তবীজের দল।
তার আগে, পৃথিবীতে, কবিতার স্থান ছিল না কোথাও।
তারপর একদিন-
উত্তরের বরফেরা ক্যামন
অল্পস্তুতিতেই গলে গেলো, ফুঁসে উঠলো ঢেউ।
পাল নিয়ে হিমসিম খেলো নাবিকেরা যত-
নদীতেও এল বান।
ক্যানারির গান শুনে অপ্রস্তুত বসন্ত
ফোটালো কিছু ফুল।
তারপর একদিন-
কোনো অবাক অহ্নকালে
পৃথিবীর প্রান্তসীমায় দেখা হলো দু'জনের।
জ্যোৎস্না-কুঁড়ি পিছলে গ্যালো মেয়েটির গালে।
ছেলেটির বুকে ছিল ইউক্যালিপ্টাসের ঘ্রাণ।
বৈসাবির তীরে
অঝোর শব্দেরা নিশ্চিত ছিলো,
অবশ্যম্ভাবী ছিলো সেইক্ষণ।
চোখ যখন ছুঁয়ে দিলো চোখ, বর্ষা এলো;
একটি কবিতার জন্ম হলো সেদিন।
সর্বশেষ এডিট : ০২ রা আগস্ট, ২০১৪ ভোর ৪:৪০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



