বাতাসী মেঘের অবাক ঘূর্ণির ছায়াতলে-
অযুত শব্দ ঝরে পড়ে
অজস্র আকাশের বাদামী খোলসে
কণা কণা বৃষ্টি ঝরে
টুপটাপ গাঢ় রাতের জুলপিতে
লেগে থাকা মেঘের সাদা আঁশ যেন
বৃষ্টির মাখামাখি ঝাপটায়
কিছুকিছু মাছ সাঁতরায়
নিচু জলের পিঠ বের হওয়া কানকায়
হাপরের মতো শ্বাস টানে বাতাসী মেঘ
রাত আমার কেউ না
সমুদ্রচিলকে আপন ভাবিনি কোন দিন
বৃষ্টিকে চিনি দূরতম আহবানে
বাতাস আকাশ কিছু চিনি না
চিনেছিলাম শুধু একদা
অচিন গাঁয়ের শ্যামলা মেয়েটিকে
যে বলতো সে পরীর মত আপন
রেণু বৃষ্টি আর অস্বচ্ছ জোছনায়
সে আমাকে চিনিয়েছিল
কিভাবে হাওয়ার চেয়ার বানাতে হয়
কিভাবে ভাসে মেঘ, কেমনে রাত নামে মাছের ঘোলাটে চোখের দ্রাঘিমায়
সমুদ্রচিলের আবাসে ছিল অনায়স যোগাযোগ তার-
যেমন কেউ কেউ মরে যায়
যেমন কেউ কেউ হারিয়ে যায় মরণের মত
কেউ কেউ ভুলে যায় অসহ্য আবেশে
আমি তেমনি উত্তর খুঁজেছি, বাতাস চেয়ারে বসে
সমুদ্রচিলের উড়াউড়ি দেখে
সাদাকালো মেঘের কল্পিত ঘূর্ণির মহিরুপ বিষাদে
এখন বসে থাকাই নিয়তি আমার।
৩০/০৫/২০১৪
সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে মে, ২০১৪ ভোর ৬:২৬

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



