
কেউ তুমি সবুজ পাতাবাহার ফতুয়ায় স্মিতহাস্যে
সরোদে ‘তা দিয়ে গালিচায় করো ভর-
কেউ তুমি চমনবাহারের নির্যাসে চিলিমদানীতে পিক
ফেলে ফিক ফিক হেসে বলো: কেয়াবাত!
যেন সুনীল এবং স্নিগ্ধ চারপাশ-
সুখী আর পরিতৃপ্ত পেটফোলা মানুষজন;
জনান্তিকে তবুও রাতজাগে অজস্র পাপ-
যদিও কোনটা পাপ তা নিরীক্ষার অভিশাপ;
তোমার কাছে, তোমার নিক্তিতে!
তবুও ভেবে নিই, রাতভর রাতজাগে অজস্র পাপ,
কন্ডুলী পাকিয়ে, মিশ্র ভগ্নাংশে, রাজনৈতিক এবং
সামাজিক; মানষিক এবং বস্তুগত;
পাপসমূহ যেন কেউটে, অজগর, গোখরা আর দাঁড়াশের দামী চামড়ার পাদুকা!
পাপসমুহ যেন অস্থায়ী বহুমূল্যের রতি:ক্ষরণ,
চোখের নিচে জন্মকবচের কালচে মদিরতা, বিহ্বল এবং উৎস্যুক!
কেউ তুমি উড়োজাহাজে শরীর এলিয়ে কর্নিয়াকের
শিশি খুলছো, কেউ তুমি অলক্ষ্যে যৌবন পোহাচ্ছো
রাতকুমারীর বগলদাবায়, কেউ তুমি শাসানি দিয়ে
পকেটে ভরছো গনতন্ত্রের মোহর!
তবুও মিশ্র জীবনে বিজয় দিবস আসে,
লম্পট জনদরদী পতাকা তোলে মেরুদন্ডহীন হেডমাষ্টারের সমান্তরালে সহসা-
দেহপসারিনীর কিম্ভূত ঝুলিতে প্রবচনের খই, যারা বেড়ালের মতো হাটে, আর
শরীরে ঢাকে বৈভবের পাহাড়-
যদিও বিলুপ্ত হচ্ছে যাবতীয় ক্ষুদিরাম;
বন্ধত্বের দায়ে প্রতিনিয়ত একটি একটি করে খসে
পড়ছে আহসান মন্জিলের ইট, আজ বুড়ীগঙ্গায় দেখ
শোষিতের রজ:স্রাব, কামিনীর কুন্তল, বিষন্ন দু’একটি
নোনাধরা মুক্তিসংগ্রামের ফটোগ্রাফ-
তারপর, সবার মতো চুপচাপ; কেউ কেউ মরে যাবে
নক্ষত্রহীন রাতে- উচ্চাঙ্গ সঙ্গীতের মজমায়,
আলোহীন বসিলার সস্তা গাজার আসরে; ম্রিয়মান,
পান্ডুর এই সমসাময়িক জীবন হয়ত তারপরও পোহাবে
অবিমিশ্র এককালীন দূর্ভোগ, আর কিছু জানা নেই-
থাকে না আর।।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

