somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

দ্যা লানচোন গল্পের সেই পীচ ফল

২০ শে জুন, ২০১১ সন্ধ্যা ৭:৩০
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

দ্যা লানচোন গল্পের সেই পীচ ফল

প্রখ্যাত ইংরেজ সাহিত্যিক উইলিয়াম সমারসেট মমের অনেক গল্পের মধ্যে একটু বেশিই পরিচিত ‘দ্যা লনচন' গল্পের লেখক ও চরিত্রটি অনেকের হৃদয়ে গেঁথে আছে। ফয়েটস হোটেলে নানা লোভনীয় এবং আকর্ষণীয় খাবারের মধ্যে পীচ ফল ছিল অন্যতম একটি আইটেম। সেই পীচ ফল-এর সঙ্গে আমাদের অনেকের পরিচয় নেই। সংবাদপত্রের কল্যাণে বিগত ক’বছরে ছবি এবং তথ্য জানার কিছুটা সুযোগ অনেকের হলেও খুব কাছ থেকে ফল গাছটি দেখা কিংবা একটু পরখ করার সুযোগ খুব কম জনেরই হয়েছে, তা নির্দ্বিধায় বলতে পারি।

পীচ সাধারণত শীত প্রধান অঞ্চলের ফল হলেও এর আদিনিবাস আজো অজানা। ৮ থেকে ১২ মিটার উচ্চতাবিশিষ্ট মাঝারি আকারের বৃক্ষ জাতীয় গাছটির পাতা ডালিম বা শরিফার পাতার মতো। পাতার গোড়ায় ছোট ছোট অনেক পাতা দেখা যায়। ফুলের বর্ণ লাল বা গোলাপী হতে পারে। ফলের আকার ডিম্বাকৃতি, অনেকটা হরিতকির ফলের সঙ্গে তুলনীয়। ফলের শীর্ষভাগ আমের মতো বাঁকানো এবং সূঁচালো। সাধারণত ফলের বর্ণ সবুজ, তবে পাকলে হালকা হলুদের ওপর লালচে আভার সৃষ্টি হয়। তিন থেকে আট সেন্টিমিটার ফলের খোসা অল্প চাপে সহজেই খুলে আসে। কাঁচা ফল ভীষণ শক্ত, বহিরাবরণ বা খোসা বেশ খসখসে। ফলের শাঁস রসালো হালকা হলুদ এবং ভেতরের দিকটাও লাল। শাঁসের স্বাদ টক। ফলের ভেতরে খয়েরি বর্ণের শক্ত বিচি দেখা যায়। পীচ ফলের বৈজ্ঞানিক/ উদ্ভিদ তাত্ত্বিক নাম Prunus Persica। পরিবার Rosaceae। পীচ ফল পাকে মে-জুন মাসে। পীচ ফল পুষ্টিকর এবং নানা ওষুধি গুণসম্পন্ন। প্রতি কেজি ফল থেকে পাওয়া যায় প্রায় ৪৭০ ক্যালরি শক্তি। ১৮ থেকে ২০ বছর পর্যন্ত ভালো ফলন দিয়ে থাকে। প্রতি গাছে গড় উৎপাদন ৩০ থেকে ৩৫ কেজি।

পীচ ফলের স্থানীয় কোনো নাম নেই। দিনাজপুর, নাটোর, নীলফামারী, চট্টগ্রাম, গাজীপুর, সাভার এলাকায় পীচ গাছ চোখে পড়ে। বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় ময়মনসিংহের জার্মপ্লাজম সেন্টার বেশ কয়েক বছর ধরেই সাফল্যের সঙ্গে চারা তৈরি করে আসছে। ভারতের সিমলাতে অসংখ্য পীচ গাছ চোখে পড়ে। চোখ কলম করে পীচ ফলের নতুন বংশধর সহজে সৃষ্টি করা যায়।
সর্বশেষ এডিট : ২৪ শে জুন, ২০১১ সকাল ১০:৪৮
০টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

বিএনপি কেন “গুম সংক্রান্ত অধ্যাদেশ” বাতিল করতে চায় ?

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ০৪ ঠা এপ্রিল, ২০২৬ বিকাল ৫:৫৮


"গুম প্রতিরোধ অধ্যাদেশ বাতিলের বিরোধিতা করলাম। এই অধ্যাদেশ বাতিলের সিদ্ধান্ত আমাদের এমন ধারণা দেয় যে বিএনপি গুমের মতো নিকৃষ্ট অপরাধের বিলোপ করতে উৎসাহী নয়। তারা কেন এটা বাতিল করতে... ...বাকিটুকু পড়ুন

নিখোঁজ সংবাদ

লিখেছেন ঠাকুরমাহমুদ, ০৪ ঠা এপ্রিল, ২০২৬ রাত ১১:৫২



কাজকর্ম, রোজা, ঈদ, ছুটি, গ্রামের বাড়ি - সকল কিছুর পরেও আমি মাঝে মাঝেই ব্লগ পড়ি, পড়ার মতো যা লেখা ব্লগে প্রকাশিত হচ্ছে কম বেশি পড়ি। এখন তেমন হয়তো আর... ...বাকিটুকু পড়ুন

রোগাক্রান্ত সাস্থ্য ব্যাবস্থাপনা

লিখেছেন মোঃ খালিদ সাইফুল্লাহ্‌, ০৫ ই এপ্রিল, ২০২৬ রাত ১২:১৪

বাংলাদেশে স্বাস্থ্যখাতে বরাদ্দ কম—এটা সত্য, কিন্তু শুধু বাজেট বাড়ালেই সমস্যা পুরোপুরি সমাধান হবে না। বরং ব্যবস্থাপনা, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা—এই তিনটি জায়গায় শক্তিশালী সংস্কার সবচেয়ে বেশি কার্যকর হতে পারে। নিচে বাস্তবভিত্তিক... ...বাকিটুকু পড়ুন

ভঙ্গুর ভবিষ্যৎ এর ভয় কি আমাদের শিক্ষার্থীদের জীবন কেড়ে নিচ্ছে?

লিখেছেন শরৎ চৌধুরী, ০৫ ই এপ্রিল, ২০২৬ সকাল ১১:১২


আমরা প্রায়ই একটা কথা শুনি—
“ডিপ্রেশন ছিল”, “প্রেশার নিতে পারেনি”, “পারিবারিক সমস্যা ছিল”…


তারপর গল্পটা শেষ।

কিন্তু সত্যি কি এতটাই সহজ?

বাংলাদেশে ২০২৫ সালে অন্তত ৪০৩ জন শিক্ষার্থী আত্মহত্যা করেছে। এর মধ্যে ৭৭... ...বাকিটুকু পড়ুন

মায়েরা ,আপনার শিশুকে টিকা দিন

লিখেছেন স্বপ্নের শঙ্খচিল, ০৫ ই এপ্রিল, ২০২৬ দুপুর ১:১১


টিকা দান কর্মসূচী আবার শুরু হয়েছে,
মায়েরা আপনার শিশুকে কেন্দ্রে নিয়ে টিকা দিন
এবং সকল টিকা প্রদানের তথ্য সংরক্ষন করুন, যা আপনার সন্তানের
ভবিষ্যৎ জীবন যাপনে কাজে লাগবে ।



(... ...বাকিটুকু পড়ুন

×