somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

হা বি জা বি

১৪ ই জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১:২৩
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

আজকে ২ দিন হল এত ঠান্ডা পড়ছে !!!! আজকে রাতে নায়িমের মেস থেকে আসার সময় এত ঠান্ডা লাগছিল মাবুদ!!! আরেক রাতের কথা মনে পড়ে গেছিল। সেটাও ঠান্ডার রাত। তবে এখনকার মত এত ঠান্ডা না। তবে সেটা পুশিয়ে নিয়েছিল কারন সেই রাতে বৃষ্টি ছিল। আর আমার গায়ে একটা শার্ট ছাড়া কিছু ছিল না। রাত ১ / ২ টার মত হবে। মটরসাইকেল চালিয়ে যাচ্ছিলাম। এত ঠান্ডা লাগতেছিল যে শরীরে সাড়া পাচ্ছিলাম না। ভয় পাচ্ছিলাম একসিডেন্ট করব।

শালার প্রজেক্ট নিয়া আরেক ভেজালে পড়ছি। আমি কিছুই করি না।খালি প্রদীপ আর নায়িম করে।আর আমার নিজেরে গাধা মনে হয়। আমি কি করব কিছু বুঝিনা।কিছু পারিও না অবশ্য!!!

কালকে আমার কপালে খারাপি আছে। আব্বু আমারে নিয়া মারকেটে যাবার ইচ্ছা ব্যাক্ত করিয়াছেন। আমাকে একটা অতীব ভাল জ্যাকেট কিনে দিবেন। আমি শেষ। উনার যেইটা পচ্ছন্দ হয় সেটা আমার পচ্ছন্দ হয় না। আর আমার যেটা হয় সেটা উনার প্রায় সময়ি পছন্দ হয় না। আর একটু পর পর বলবেন উনি আর আমার সাথে ঘুরতে পারবেন না। আমার নাকি কিছুই পছন্দ হয় না। আর আমি শেষমেশ প্রেশার সহ্য না করতে পেরে কোনমতে একটা কিনে ফেলি। আল্লাই জানেন কি আছে কপালে।

আজকাল নিজের ছোটবেলার কথা মনে হয় অনেক। কাউকে বলতে ইচ্ছা হয় । বাট সবাই এখন বলতে চায়। কেই শুনতে চায় না। ভাবতেছি ডাইরী মশাই তোমার সাথে শেয়ার করব। লিখব ঐসব দিন গুলোর কথা।
হয়ত আজ থেকে অনেক দিন পরে আমি আমার লিখা গুলো পড়ে অনেক মজা পাব। আজকাল এই কথাটা প্রায়ই মনে হয়। আমি ছবি তুলতে পছন্দ করি না। কিন্তু এখন মনে হয় কিছু পিক তুলা দরকার। পরে এগুলো দেখলে অসম্ভব ভালোলাগে। এইটা বুজছি সেদিন হটাৎ করে আমার ক্লাস সিক্সের ছবি দেখে। এত ভাল্লাগছিল!!!
এখন অনেক একা লাগে। ভাইয়া চলে গেল আরমিতে। ও যখন ছিল তখন ওর সাথে শুধু ঝগড়া করতাম। কিন্তু আমি একা ছিলাম না। যা করার দুই জন একসাথেই করতাম। আমাদের পছন্দও কমন ছিল। দুই জনেই বই পছন্দ করতাম। আমাদের প্রিয় জায়গা ছিলা নীলখেত আর বাংলাবাজার। কারন এই দুই জায়গায় বই অনেক সস্তা। আর এত বই দেখে মনে হত স্বর্গে আসছি। অসম্ভব ভাল লাগার একটা অনূভুতি আসত মনে। দুইজনে কম্পিউটার গেমসও পছন্দ করতাম। আর ছিল দুইজনেরই কমন অভ্যাস বিয়ে টিয়ে এসব অনুষ্ঠান এভয়েড করা।

লিখব আরও অনেক কিছু লিখব। কত কিছু বলার আছে আমার!!! সব বলব।
০টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

"জাগো বাহে কোনঠে সবাই"....

লিখেছেন জুল ভার্ন, ০২ রা আগস্ট, ২০২৬ সকাল ১০:৩৬



ফেসবুক মেমোরিঃ
৩২ জুলাই এই পোস্ট লিখেছিলাম.....

"জাগো বাহে কোনঠে সবাই"....

ভালো থাকার চেষ্টা সবসময় করি, বেঁচে থাকার উপাদান খুঁজে নিতে চেষ্টা করি- পুঞ্জিভূত ক্ষোভ আর কিছু করতে না পারার আফসোস... ...বাকিটুকু পড়ুন

সিনেমা সীমানা পেরিয়ে - বালির দাগে রাজনীতি

লিখেছেন রাজসোহান, ০২ রা আগস্ট, ২০২৬ সকাল ১১:০২



১৯৭০ সালের ১২ নভেম্বর রাতে পৃথিবীর ইতিহাসে রেকর্ড হওয়া সবচেয়ে প্রাণঘাতী ঘূর্ণিঝড় আঘাত হানে। ভোলা সাইক্লোন। দশ মিটার উঁচু জলোচ্ছ্বাস উঠে আসে ব-দ্বীপের নিচু চরে। মৃতের সংখ্যা তিন থেকে পাঁচ... ...বাকিটুকু পড়ুন

কথার বুলেট ছুড়ি

লিখেছেন আলমগীর সরকার লিটন, ০২ রা আগস্ট, ২০২৬ দুপুর ১২:৫০



ভাবতে তোমার দোষটা কোথায়?
ভেবে দেখো পাপ করোছো নাকি
সংসারে কেনো জাহান্নামে পুড়ো-
ভাবতে তোমার দোষটা কোথায়?

দোষটা তোমার নিজের ভুলগাড়ি
কেমনে চালাও ব্রেক ফেল হয় আড়ি
অহমিকার ভুলটা তোমার নয় কি
দোষটা তোমার নিজের ভুলগাড়ি।

এক্সিডেন্ট... ...বাকিটুকু পড়ুন

আজকের ডায়েরি - ১৯৫

লিখেছেন রাজীব নুর, ০২ রা আগস্ট, ২০২৬ দুপুর ২:১২



আজ সকালে হোটেলে নাস্তা করেছি।
ইচ্ছা ছিলো ঘুম থেকে উঠবো ১২ টায়। কিন্তু এক ছাগলে অকারণে ফোন করে ঘুমটা নষ্ট করে দিয়েছে। রাতে যে মোবাইলের সাউন্ড বন্ধ করে... ...বাকিটুকু পড়ুন

দেশ ভ্রমনঃ মেহেন্দীগঞ্জ উলানিয়া_জমিদার বাড়ি

লিখেছেন মৌন পাঠক, ০২ রা আগস্ট, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:৫৭

আপনি যদি ঢাকায় থাকেন, তবে কোনো এক বিকেল কিংবা সন্ধ্যায় চলে যান সদরঘাটে। সেখান থেকে উলানিয়াগামী কোনো একটি লঞ্চে উঠে পড়ুন। লঞ্চের ম্যানেজারের সঙ্গে কথা বলে এক পাশের একটি কেবিন... ...বাকিটুকু পড়ুন

×