ঝরঝরে সকালে অনাড়ম্বর আগমন
কোল আলো করা অজানা দিনক্ষণ
তবু শত আদরের-মায়ের জঠর ধন
হাসি কাঁন্নার গলাগলি অন্য আবেশন
আশির দশক যার মধ্য গগণ
পঞ্জিকা টগবগিয়ে ছোঁয় উল্কাপতন
দশে বিশে ত্রিশে অকালবােধন
পয়ত্রিশের কলসে যাঁচি সনদ-মতন
দিনে দিনে দিবাকর দিনশেষের গান
নাচে গায় সবে ঊদিল নয়ন
হায় রচিলে বৃথা কুসুম কানন
শুন্য রিক্ত মিছে সব সাতকাহন
দাদা বাবা ভাই গেল আলগোছে শােন
সাদার মত কালো স্বপ্নের কাশবন
ইশকুল পেরোনো কলেজের ঘান
ভার্সিটি ভার্সিটি! ফিঁকে আর ম্লান
ভরি বমি পাই দামী কাগজের রতন
সম্বল করি তারে কি অতি যতন
বিদ্যা বুদ্ধি সেতাে বইয়ের লিখন
দাসত্বের জিঞ্জিরে রচি আপন ভুবন
সৃষ্টি কৃষ্টি ডরে হেথা করে পলায়ন
অমুক তমুক গুণে সেথা অযথা বচন
একরাশ মরিচীকা পেছনে চাহে নয়ন
আজো নেই কাংখিত লক্ষ্য চয়ন
স্রোতের তালে কালের খেয়ার নাচন
চুরমার ভেঙে তাসের ত্যাজ্য সিংহাসন
তেলে তেলা তেলির তুলির কীর্তন
তাতে তোতার তীরে দেখ অজেয় কেতন
চারিদিক ঝাঁঝরা বুলেট তােষণ শােষণ
নিমকহারাম লুটেরা আজ দেশের ভূষণ
নাহ্! সত্য মশাল জ্বালো বিবেকের চেতন
শানিয়ে বুকের পাটা নাচো মৃত্যু নাচন
কলমের হুংকারে তোলো পাষাণে কাঁপন
তুড়ি মেরে রুখো যত সব জ্বরার আচ্ছাদন
কপোতাক্ষের ছন্দে হাসুক বাঙালীর মনন
পঁয়ত্রিশেই ঝলসে উঠুক প্রগতির উদ্বোধন।
সর্বশেষ এডিট : ০২ রা এপ্রিল, ২০১৮ সকাল ১০:৫৩

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।





