somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

** লক্ষী অনেক ভালোবাসি তোমায় **

২৫ শে অক্টোবর, ২০১৫ সকাল ৭:৩১
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

লক্ষী,
কতটা দিন ফোন দেও না কিংবা কতটা দিন আমিও ফোন দেইনা ভেবে দেখছো?সেই শেষ কবে কথা হয়েছিল মনে পড়ে?
-
আমার খুব মনে আছে সেই দিন গুলির কথা,খুব বেশি মনে পড়ে তোমায়।দেখো তো এই কথাগুলি তোমার একবারো কি মনে পড়ে?
-
তোমার সাথে দেখা করার জন্য ঘন্টার পর ঘন্টা অপেক্ষা করতাম।কখন তুমি আসবে আর এসেই বলবে সরি সরি একটু দেড়ি হয়ে গেছে।বাসায় অনেক কাজ ছিল আম্মুকে ফাঁকি দিয়ে আসা কি এত সোজা?
-
আমি শুধু তোমার মুখের দিকে তাকিয়ে থাকতাম,কি করে তোমার মুখ থেকে এত সুন্দর করে কথা বলো তাই দেখতাম।তোমার কাছ থেকে সরি শুনে,আমি আর তোমার উপর রাগ করে থাকতে পাড়তাম না।
-
জানো ভালোবাসার মানুষের জন্য অপেক্ষা করার মাঝেই এক প্রকার আনন্দ আছে।আমি তোমার জন্য অপেক্ষা করতাম আর মনে হতো আমি তোমাকে কতটা ভালোবাসি,আর কতটা ধৈর্য ধরে অপেক্ষা করতে পাড়ি।যদি এতটুকু সময় কষ্ট করে অপেক্ষাই না করতে পাড়ি তবে তোমায় কি করে এতো ভালোবাসলাম।
-
তুমি যখন আমার পাশে বসে,শক্ত করে আমার ধরে বসে থাকতে খুব ভালো লাগত।ইচ্ছা করত তোমায় খুব বেশি সময় নিজের কাছে বসিয়ে রাখি,তোমার মুখে ভালোবাসার কথা গুলি শুনি।
-
কিন্তু,যখনই তুমি বলো তোমার বাসায় চলে যেতে হবে,খুব খারাপ লাগতো।তবুও হাঁসি মুখে তোমায় বিদায় দিতাম।অপলক তাকিয়ে থাকতাম তোমার রিক্সায় যাওয়া পর্যন্ত,যখন চোখের আড়াল হতে তখনই আমি সেখান থেকে চলে আসতাম বাসায়।
-
যাবার আগে বার বার তোমায় বলে দিতাম বাসায় গিয়ে আমায় একটা এসএমএস দিয়ে জানিও যে তুমি বাসায় পৌঁছে গিয়েছ।জানতাম তোমার ভুলা মন,মনে থাকবে না।তাই এসএমএস ও দিয়ে রাখতাম কিন্তু তুমি সেই ভুল করতে।আমার ই কল দিয়ে শুনতে হত তুমি বাসায় গিয়েছো কিনা।
-
তখন খুব কষ্ট লাগতো,কেন জানি না,তবে এইটা ভাবতাম আমি তো তোমায় সব সময় মনে করে নিজেই ফোন দেই,নিজেই এসএমএস করি।আমার কল গুলি শুধু রিসিব করতে,আমার এসএমএস গুলির উত্তর দিতে আর এত করে বলার পরও এসএমএস দিতে না।
-
তবে কি শুধু আমিই তোমায় ভালোবাসতাম নাকি তুমি আমায় ভালোবাসার নামে অভিনয় করতে?প্রশ্ন গুলি রাতে চিন্তা করতাম,আর চোখেরজল ফেলতাম।যখন অনেক গুলি এসএমএস দিয়ে রিপ্লাই না পেয়ে কল দিয়ে দেখতাম তোমার ফোন ওয়েটিং এ।
-
তখন তোমায় কিছুই বলার থাকতো না,অনেক গুলি ফোন দিতাম কিন্তু তুমি তোমার ফোনটা ওয়েটিং ই থাকতো।আমার এত ফোন দেখেও কল কেঁটে দিয়ে ব্যাক করতে না।বুঝতে চাইতে না আমার কোন বিপদে তোমায় ফোন দিয়েছি কিনা?
-
পনেরো/ত্রিশ/পঁয়তাল্লিশ কিংবা ষাট মিনিট পর ফোন দিলেও তোমায় ওয়েটিং এ পেতাম।যদি পরের দিন জিজ্ঞেস করতাম কে ফোন দিয়েছিল,বলতে বাবা কিংবা তোমার কোন ভাই কিংবা তোমার কোন বন্ধু বা বান্ধবী।
-
আমি বুঝতাম না,আমি তোমার ভালোবাসার মানুষ হয়ে যেখানে ১৫মিনিট কথা বলতে পারতাম না,এক টানা ২০মিনিট এসএমএস দিতে পারতে না কিংবা অনলাইনে আসতে পারতে না তোমার আম্মুর ভয়ে।সেখানে তুমি মাঝরাতে ঘন্টার পর ঘন্টা ওয়েটিং এ থাকতে।
-
খুব অবাক লাগত তোমার এই কাজ গুলি দেখে।খুব বেশি কষ্টের দিন কখন যেত জানো?যখন কেউ ভালোবাসার মানুষটিকে ফোন দিয়ে ওয়েটিংএ পায় তখন।যদি তাতে তার আপন কেউ ফোন দেয় তবুও,আর এই স্বন্দেহ টা আসে শুধু কাউকে গভীর ভালোবেসে থাকে সেখান থেকেই স্বন্দেহ টা।
-
এমন করতে করতে যেদিন তোমার অবহেলা করার মাত্রা বেড়ে যায়,সেদিন আর সহ্য করতে পাড়ি না।মনের অজান্তেই তোমায় অনেক কিছুই বলে ফেলি।তুমিও আমায় তুই তুই করেই কথা বলেছিলে।কিন্তু আমি তোমায় একবার ও তুই করে কথা বলিনাই।কারন আমি তোমায় ভালোবাসতাম খুব ভালোবাসতাম,এখনো বাসি আগের চাইতেও অনেক বেশি।
-
আমার সুধুই ভুল ছিলো,আমি কেন তোমায় সন্দেহ করি,আচ্ছা তুমি নিজেই চিন্তা করে দেখ তুমি যে কাজ গুলি করতে তা কি ঠিক ছিলো।আমি জানি তুমিও জানো,তবুও মনে করে দেখ আমার কোন দোষ ছিলো না।
-
আর এখনতো দোষ দিতে পারবে না কারন তোমার নতুন ভালোবাসার মানুষ হয়েছে কিন্তু আমি এখনো তোমার অপেক্ষায় আছি,তাই অন্য কাউকে ভালোবাসার কথা কল্পনাও করতে পাড়ি না।।
-
এখন তো তুমি অনেক দুড়ে আছো আমায় ছেড়ে।ভুলে গেছো আমায়,আমিও চাচ্ছি কিন্তু পিছনের কথা গুলি এত বেশি মনে পড়ে যে ভুলে থাকাই অসম্ভব।তবুও চেষ্টা করে যাচ্ছি।শুধু অনুরোধ প্লিজ আমার ভুল হলে মাফ করে দিও।তোমায় ভালোবেসেছি,অভিশাপ দিতে তো পাড়ি না।তাই বলছি সুখে থেকো আর কষ্ট পেলেই আমার কথা মনে করো,আমি তোমার জন্য দোয়া করব যাতে তোমার কষ্ট দূর হয়ে যায়।
.
.সোহেল পাটোয়ারী
.__________®___________
(চাঁদনী রাতের মুসাফির)
০টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

মুখরিত জীবনের চলার পথে, ব্লগের মুখরিত দিন

লিখেছেন মেহবুবা, ১৩ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ রাত ১১:১৪


ব্লগ স্কুল, মজারু
ছোটন চলে স্কুলেতে বই শ্লেট হাতে ,
বদরুল ভাই কাঁদছে ভীষন যাবে সাথে সাথে,
চান্কু হল লক্ষ্মীছাড়া পান্কু হয়ে ঘোরে ,
চিটি যাবে সবার আগে উঠল... ...বাকিটুকু পড়ুন

Ripe Age দুই প্রান্তের দুই মানুষঃ সামু শব্দের সেতু প্রজন্মের বন্ধন

লিখেছেন ডঃ এম এ আলী, ১৪ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সকাল ৮:২৪


একজন দাঁড়িয়ে জীবনের শুরুতে
চোখে তার অগণিত স্বপ্ন
আগামীর পথে কত প্রশ্ন
কত না-জানা, কত বিস্ময়
কত দূরের নীল আকাশ
ডাকে তাকে প্রতিদিন।

অন্যজন বসে জীবনের শেষে নয়
বরং দীর্ঘ পথ পেরিয়ে আসা এক প্রান্তে
প্রায়... ...বাকিটুকু পড়ুন

ট্রেন টু কক্সবাজার: টিকিট পেলাম না, পেলাম বিকল্প পথের সন্ধান

লিখেছেন শাম্মী নূর-এ-আলম রাজু, ১৪ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সকাল ১১:০৭

কক্সবাজার যাওয়ার ইচ্ছে ছিল অনেক দিনের। তবে এবার লক্ষ্য ছিল একটু আলাদা—বাসে নয়, বিমানে নয়; ট্রেনের জানালায় চোখ রেখে সমুদ্রের শহরের পথে যাত্রা। কিন্তু সেই সহজ পরিকল্পনার প্রথম বাধাই হয়ে... ...বাকিটুকু পড়ুন

জিন্নাহ কি বাঙালি মুসলমানের শত্রু?

লিখেছেন সৈয়দ মশিউর রহমান, ১৪ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ বিকাল ৩:২৪


মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ পাকিস্তানের স্বপ্নদ্রষ্টা বা পাকিস্তানের জাতির জনক। একজন বাংলাদেশী হয়ে পাকিস্তানের জাতির জনককে নিয়ে আলোচনা করলে কি গুনাহ হতে পারে কিংবা বড় ক্ষতি হতে পারে? বাংলাদেশে জিন্নাহর... ...বাকিটুকু পড়ুন

শেয়ার বাজারকে গতিশীল করতে স্টক ব্রোকারদের নিয়ে বৈঠকে বসছে ডিএসই আজ ১৪-০৯-২০২৬

লিখেছেন কাজী আবু ইউসুফ (রিফাত), ১৪ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ বিকাল ৩:৫৭



বাংলাদেশের শেয়ারবাজারে মন্দার কারণ ও প্রতিকার

ভূমিকা

একটি দেশের অর্থনীতিকে যদি একটি জীবন্ত দেহ হিসেবে কল্পনা করা হয়, তবে তার শেয়ারবাজার অনেকটা হৃদস্পন্দন ও তাপমাত্রা মাপার যন্ত্রের মতো। অর্থনীতির কোথায় প্রাণশক্তি... ...বাকিটুকু পড়ুন

×