১) ডা: বদরুদ্দোজা, বাংলাদেশের প্রেসিডেন্ট হয়েছিলেন; ১৯৭১ সালে স্বাধীনতার পক্ষে ছিলেন না, এবং এই গুণের জন্যই জেনারেল জিয়া উনাকে বিএনপি'র সেক্রেটারী বানায়েছিলেন। জিয়া হত্যার রাতে, সংকেত পেয়ে ঠিক সময়ে সার্কিট হাউস থেকে কেটে পড়েন। জিয়ার বউ ঠিকই সবচেয়ে বড় পোস্ট থেকে টেনে নামায়ে ট্রেনে তুলে দেন। তখন অবসর নিয়ে নিলে, 'প্রেসিডেন্ট' উপাধীটা থেকে যেতো; কিন্তু উনার ছেলে মাহী, যিনি আবার তারেক জিয়ার অপকর্মের গুরু, তাকে নিয়ে হাড্ডির সন্ধানে আছেন।
২) ড: বদিউল আলাম, আমেরিকান ইউনিভার্সিটতে লেকচারার ছিলেন; বড় টাকার জন্য এনজিও খোলেন, 'সুজন', জ্যাকপট পেয়েছেন; ক্যাপিটেলিজমের টাকায় বাংলাদেশের নির্বাচন পর্যবেক্ষন করেন। প্রথমদিকে নির্বাচন কেন্দ্রে মানুষ পাঠাতেন 'অবজারভার' হিসেবে; এখন রাজনৈতিক সমস্যা সমাধানে 'তাবিজ' জাতীয় সমাধান দেয়ার চেস্টা করছেন; টাকা হয়ে গেলে অনেক মানুষের মাথা ঠিক থাকে না; টাকা আয় ও রাজনীতি একত্রে করা সম্ভব নয়, লেকচারার হয়েও বুঝতে পারেনি।
৩) মাহমুদুর রহমান মান্না: ছাত্র রাজনীতিবিদ, একটু 'বিকল্প ধরণের ছাত্রলীগ'; শেখ হাসিনা সুযোগ দিয়েছিল; ভোটে জিততে পারে না; তাই 'নাগরিক' হয়ে গেছেন; বড় বড় নাগরিক: ড: কামাল হোসেন, ডা: বদরুদ্দোজা, ডা: জাফর উল্লাহদের ' ঐক্য' নিয়ে ব্যস্ত আছেন; সম্প্রতি, শেখ হাসিনা, খালেদা জিয়া ও প্রেসিডেন্টকে প্রেমপত্র লিখেছেন, হৃদয় দিয়ে যেন রাজনীতিকে ভালোবাসেন। পত্রের কাজ নরম হলে শেখ হাসিনার বার্থরুম অবধি চলে যাবে।
৪) আনু আহমেদ, বাংগালী জাতির সব সম্পদদের চাবি উনার কাছে; তেল, পানি, বাস্প, কয়লা, ছাই সব রক্ষা করে চলেছেন, মাথার উপর অনেক বড় বোঝা; তাই মাথা ঠিক রাকাহ মুশকিল। শেখ হাসিনার ২০০৮ সালের সরকারে, আনু আহমেদ প্রথম হরতাল ঘোষনা করেছিলেন; পুরোপুরি অকারণে; যদি কারণ থেকে থাকতো, উনি সরকারের সাথে কথা বলতে পারতেন; না হরতালই দরকার; শেখ হাসিনা ভালো ঔষধ দিয়েছেন, কড়া মার লাগায়েছে পুলিশ; এখনও বকবক করছেন, হরতাল ভুলে গেছেন।
সর্বশেষ এডিট : ১০ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৫ রাত ৯:১৫

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



