ড: মইন খান হচ্ছেন বিএনপি'র একমাত্র নেতা যিনি চুরি ই্ত্যাদির সাথে জড়িত নন; বিএনপি'র এই দুর্সময়ে উনি হাল ধরতে পারতেন; কিন্তু তিনি সেটা না করে, ভুলের দিকে এগুচ্ছেন; তিনি চাচ্ছেন যে, বাংলাদেশের বর্তমান অবস্হায় জাতি সংঘ হস্তক্ষেপ করুক। জাতি সংঘে মাহমুদুর রহমান মান্না, ড: এমাজুদ্দিন, ড: কামালরা চাকুরী করে না; খালেদা জিয়ার শেষ এখানেই, পেট্রোল বোমাবাজরা পালাবার সময় পাবে না।
জাতি সংঘ ১৯৪৮ সাল থেকে প্যালেস্টাইনে হাত দিয়ে বসে আছে; বর্তমানে জাতি সংঘের বড় বড় প্রজেক্ট হলো সিরিয়া, আফগানিস্তান, ইয়েমেন, লিবিয়া, সুদান, কংগো ও ডজন খানেক আফ্রিকান দেশ।
জাতি সংঘ ৬৬ বছরে প্যালেস্টাইনে কি করতে পেরেছে? কাশ্মীরেও জাতি সংঘ কাজ করছে ৬৭ বছর। এখন ড: মইন খান চাচ্ছেন, জাতি সংঘ আওয়ামী ও বিএনপি সমস্যা সমাধান করুক; এগুলো কি ভাবনা, এত কম ভাবনার লোকেরা কি করে পিএইচডি পায়?
যাক, বহু পিএইচডি খালেদা জিয়ার ও শেখ হাসিনার লন্ড্রি করছেন; অসুবিধা নেই; অনেকই উচ্চ শিক্ষা নেন, সেগুলোকে ব্যবহার করতে জানেন না, যেমন বিএনপি'র ড: খন্দকার মোশারফ ও আওয়ামী ড: হাছান মাহমুদ। কিন্তু মইন খান ওদের তুলনায় ভালো অবস্হানে ছিলেন; তিনি পেট্রোল বোমার সন্ত্রাসের বাহিরে থাকতে পারতেন, পারবেন।
উনার উচিত, জাতি সংঘ সম্পর্কে গুগলে ৫ মিনিট ব্যয় করা, কিংবা আমার পোস্টগুলো পড়া; তা'হলে উনার পিএইচডি'টা ফল দেয়ার শুরু করবে; উনার উচিত, পার্টির সাথে কথা বলে, বিএনপি'র ৩১ বছরের সভাপতিকে সামন্য হলেও শান্তিতে থাকতে দেয়া: সভাপতিকে অবসরে পাঠায়ে বিএনপি'কে পেট্রোল বোমা ব্যবসার বাহিরে নিয়ে আসা। ৩১ বছর একই পদে থাকলে বানরেরও মাথা খারাপ হয়ে যাওয়ার কথা; আসলে, বানর কতদিন বাঁছে?
সর্বশেষ এডিট : ১১ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৫ রাত ৮:১৪

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



