মুসলিম দেশসমুহের অপশাসন ও দারিদ্রতা এড়াতে মুসলমানেরা খৃস্টান-প্রধান দেশ সমুহে চলে যাচ্ছে গত ৫০ বছর; এখন যদি ইউরোপ, আমেরিকা, কানাডা ও অস্ট্রেলিয়া দরজা খুলে দেয়, মুসলিম দেশের জন সংখ্যার ৮০ ভাগ ঐসব দেশে চলে যাবে।
ইউরোপ ছোট, যায়গা কম, তবুও মানবতার খাতিরে এখনো মুসলিমদের সীমিত সংখ্যায় সেখানে যেতে দিচ্ছে; এখন ইউরোপের অর্থনীতি এমন অবস্হানে, সস্তা শ্রমের জন্য মানুষ তাদের দরকার নেই; কারণ পুর্ব ইউরোপ প্রচুর শ্রমিক দিচ্ছে; এবং কালচারের দিক থেকে তারা মোটামুটি একই।
ইউরোপের নিজস্ব কিছু সমস্যা আছে, এখন তাদের বাড়তি সমস্যা হয়ে দাঁড়াচ্ছে মুসলিম মৌলবাদীদের সন্ত্রাস।
ইমিগ্র্যান্টদের প্রথম জেনারেশনের সামন্য অংশ স্হানীয়দের মতো বা তাদের থেকেও ভালো করে; কিন্তু বড় অংশ টিকে থাকে; তাদের আশা দ্বিতীয় জেনারেশন। আরব ও পাকীদের দ্বিতীয়, তৃতীয় জেনারশন ভালো করছে না; ভালো করছে চীনা, ভারতীয় ও কিছু বাংগালীদের নতুন জেনারেশন।
আরব ও পাকীদের নতুন জেনারেশন পড়ালেখায় ভালো করে না; ভালো করলেও তারা কালচার মেনে নিতে চাহে না; ফলে, চাকুরী, ব্যবসায় পেছনে পড়ে যায়; ক্ষোভ বাড়তে থাকে; তাদের মাঝে রেডিক্যাল মনোভাব আসে। ইউরোপীয়ানরা গত ২০ বছর অর্থনীতি নিয়ে চাপে আছে; ফলে, নতুন ইমিগ্র্যান্টদের জন্য সীমিত শক্তিতে যা সম্ভব করছে।
পাকী ও আরবেরা পেছনে পড়লেই তারা স্হানীয়ভাবে সমাধান না খুঁজে লোকেলদের দোষারোপ করতে থাকে; সাহায্য চাইলে ইউরোপে সাহায্য পাওয়া যায়। তারা সাহায্যের বদলে রেডিকালিজমের পথকে সহজে সমাধান হিসেবে নিচ্ছে।
ইউরোপীয়ানরা সহনশীল; কিন্তু সবকিছুর সীমা আছে; পাকী ও আরবরা বুঝতে পারছে না যে, তারা অন্য জাতির সহানুভুতিতে সেখানে স্হান পাচ্ছে; ওটা তাদের অধিকার নয়।
সর্বশেষ এডিট : ১৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৫ রাত ১০:৪৮

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


