বাংগালী জাতিয়তাবাদের রাজনীতি করে শেখ সাহেব অনেক সুনাম পেয়েছেন, প্রশাসনে ভুল মানুষ এনে অনেক তিরস্কার শুনেছেন; কিন্তু উনি এক বিরাট কাজ করে গেছেন, সেটা হলো আমাদের দরিদ্র কবি, সাম্যের কবি, অসুস্হ কবিকে ঢাকায় নিয়ে এসে; এবং কবির বাকী জীবন নিশ্চিন্ত করে।
বাংলাদেশের শতকরা ৫০ ভাগ মানুষ এখনো কবির লেখা কবিতা বাংলায় পড়তে পারে না; এরা বাংলায় কথা বলে, কিন্তু লেখাপড়ার সুযোগ পায়নি; ফলে, তাদের জাতীয় কবি কি লিখে গেছেন, স্বাধীনতার ৪৪ বছর পরেও, না পড়ে কবিকে ভালোবেসে যাচ্ছেন।
আজ মৃত কবি বাংগালী জাতির সবার কাছে পরিচিত, সন্মানিত; মোল্ল পোল্লারাও উনার ভক্ত হয়েছেন; কবির তরুণ বয়সে মোল্লা পোল্লারা উনাকে পছন্দ করতেো না, উনার কবিতা ভালোবাসতেো না; অবশ্য মোল্লা পোল্লারা কবিতা পড়ার কথাও না।
কৈশোরে কবি মহা দরিদ্র ছিলেন, স্কুলেও যেতে পারেননি; যৌবনে কবি দরিদ্র ছিলেন, বাধ্য হয়ে কবি বৃটিশ সেনাবাহিনীতে চাকুরী করেছেন; কলিকাতায় অসুস্হ অবস্হায় কবি দরিদ্র ছিলেন; বাংলাদেশে উনাকে আনার পর, কবির নিজের বাড়ী ছিল, তিনি প্রথমবার স্বাভাবিক অর্থনৈতিক জীবন পেয়েছিলেন।
শেখ সাহেব এ কাজটা করে জাটিকে অনুপ্রানিত করেছেন; বাংগালী জাতির পক্ষ থেকে কবির প্রতি সঠিক সন্মান দেখায়েছেন তিনি।
সর্বশেষ এডিট : ২৫ শে মে, ২০১৫ রাত ৮:৪৪

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



