সৈয়দ আশরাফ যত কিছু হয়েছেন, যতকিছু পেয়েছেন, সবকিছু বাবার গুণে, বাবার জন্য; সৈয়দ আশরাফ একজন অলস কিন্তু সুপ্রিয় ব্যক্তি, আওয়ামী লীগের দেবদাস। উনাকে শেখ হাসিনা কাজের জন্য সেক্রেটারী বানাননি, এবং কাজের জন্য সরাননি; শেখ হাসিনা ঐ ধরণের সেক্রেটারী চান, যিনি চেয়ার দখল করে রাখবেন, আর সেক্রেটারীর ক্ষমতাও থাকবে শেখ হাসিনার হাতে; এ দিক থেকে শেখ হাসিনা জেনারেল জিয়ার ছাত্রী। তা'হলে আশরাফের মন্ত্রীত্ব যায় কেন, এবং সেক্রেটারীর পদও যাবার সম্ভাবনা দেখা দিচ্ছে কেন?
আওয়ামী লীগের কেহ এখনো মুখ খুলছে না, মনে হয়, সৈয়দ আশরাফ জয়ের বিপক্ষে কোথায়ও, জেনে বা না জেনে কিছু একটা বলেছেন, যা শেখ হাসিনার কানে গেছে। শেখ হাসিনা জয়ের বেলায় খালেদা জিয়ার মতো। এখন আওয়ামী লীগের ও শেখ হাসিনার ব্যাপারে মিডিয়া মোটামুটি চুপ, সময় মতো পরে এগুলো বেরিয়ে আসবে।
দলের সভাপতি প্রাইম মিনিস্টার, দলের সম্পাদক এলজিআরডি মিনিস্টার, পৃথিবীতে এ ধরণের সুপারম্যান পাকিস্তান, সোমালিয়া ও জিম্বাবের মত দেশে আছে মাত্র। আসলে, উনারা মোটেই সুপারম্যান নন, বাংলাদেশ চালায় সরকার-পক্ষের ব্যুরোক্রেটরা; ফলে, দুই চার পোস্টে থাকা কোন ব্যাপারই না, বরং ভালো, ক্ষমতা নিয়ন্ত্রণের ভেতরে থাকে।
আশরাফকে সরানোতে ভালো হলো, এখন দরকার শেখ হাসিনার প্রধানমন্ত্রীর পদ থেকে সরে যাওয়া; আওয়ামী লীগ সুসংগঠিত দল নয়; তারা সরকার হিসেবে যেটুকু পারে তাই করে; দলের যেসব নেতারা ক্ষমতার বাইরে থাকে, তারা ২য় সরকার চালু করে সব সময়, এরা তারেক মিয়া থেকে বুদ্ধি বেশী রাখে, এদের হাওয়া ভবনের ঠিকানটা কারো জানা থাকে না; এদের সংগঠিত রেখে দলকে পরিস্কার রাখা জাতীর উন্নয়নের জন্য খুবই দরকারী।
সৈয়দ আশরেফের উচিত ছিল সরায়ে দেয়ার আগে সরে যাওয়া; সরানোতে প্রমাণিত হলো যে, উনি সঠিকভাবে কাজ করছিলেন না; এটা কিন্তু প্রায় মন্ত্রীর বেলায় সত্য; সৈয়দ আশরাফের যায়গায় যাকে এনেছেন, উহা মোটামুটি কাজের বেলায় আশরাফ থেকে আরো অনেক পেছনে।
সর্বশেষ এডিট : ১২ ই জুলাই, ২০১৫ বিকাল ৫:৩২

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




