শিক্ষামন্ত্রী নাহিদের ডাটাবেজে ৯০ লাখ শিশুর ডাটা আছে; নিশ্চয় ডাটাবেজ কম পক্ষে প্রতি সপ্তাহে আপডেট করার কথা; ডাটাবেজে নিশ্চয় 'ড্রপ আউটদের' রিপোরট তৈরি করার জন্য ম্যানু আছে; অপারেটরকে বললে, বা নাহিদ যদি নিজে ম্যানুতে গিয়ে রিপোরট তৈরি করেন, উনি জানার কথা কত শত রাজন, বা কত শত হালিমা এই সপ্তাহে , এই মাসে 'ড্রপ আউট' হলো; ওরা কোথায় থাকে, পরিবার কোথায় আছে।
নাহিদের যদি একটা টাস্কফোর্স থাকে, ৭ দিনের মাঝে সেই শিশুর পরিবারের সাথে দেখা করে, বের করে ফেলতে পারে শিশু কোথায়, কি হয়েছে। রাজেনের বেলায়, বাবা গাড়ী চালায়, রাজেনের আয় করার কোন দরকার ছিলো না; তাকে পরিবার থেকে নিয়ে এসে, বোর্ডিং স্কুলে রাখা যেতো।
হালিমার বাবা মারা যাওয়ার পর, হালিমার মা তাকে এক বাসায় কাজ করতে দিতে বাধ্য হয় ঢাকায়, গত রোজায়; হালিমা ইফতারী বানাতে না পারায়, গৃহকত্রী খুন্তি দিয়ে আঘাত করার পর, হালিমার মৃত্যু হয়।
নাহিদ হালিমার বাবার মৃত্যুর খবর জানতে পারতো ১ সপ্তাহের মাঝে; হালিমাকে বোর্ডিং স্কুলে আনতে পারতো ২ সপ্তাহের মাঝে; নাহিদকে আরেকটু বুদ্ধিমান হতে হবে; এখন বাংলাদেশে অনেক বুদ্ধিমান ছেলেমেয়ে আছে, উনাকে ওদের সাহায্য নিতে হবে।
নাহিদ যদি সমান্য ডাটাব্যাজের মতো এপ্লিকেশন ব্যবহার করতে না জানে, টাস্কফোর্স গঠন করতে না জানে, সরকারী টাকায় বোর্ডিং স্কুল করে ড্রপ আুটদের স্কুলে ফেরত আনতে না জানে, অসুবিধা নেই; আমরা আছি, সাহায্য করবো।
সরকারের কাছে অগাধ টাকা আছে এধরণের সব ব্যবস্হা নেয়ার জন্য টাকা পড়ে আছে, খরচ করার লোক নেই; নাহিদের উচিত আমাদের ডাকা, আমরা উনাকে সাহায্য করবো; আমরা প্রতিটি ছেলেমেয়েকে স্কুলে কলেজে ধরে রাখবো; উনাকে শুধু নিজের ভাবনা শক্তিকে বাড়াতে হবে। উনি যদি ব্লগিং না করেন, উনি বুদ্ধিমান হবেন না, উনাকে ব্লগে আসতে হবে; উনি ব্লগে নতুন আইডিয়া পাবেন।
রাজেন, হালিমাদের স্কুলে, কলেজে রাখা চ্যালেজ্জের ব্যাপার, নাহিদকে সেটা করতে হবে।
সর্বশেষ এডিট : ১৫ ই জুলাই, ২০১৫ সকাল ৭:৪১

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




