ইরান প্রায় ১০টি বোমা বানানোর মতো ইউরেনিয়াম 'এনরিচড' করেছিল ইতিমধ্যে; তবে, একেবারে বোমার গ্রেইডে নিতে পারেনি; বিশ্বের সোভাগ্য যে, আমেরিকা তার আগেই আয়াতোল্লা মায়াতোল্লাকে থামায়েছে; হয়তো বলতে হবে, সাময়িকভাবে থামায়েছে; এসব ফানাটিকরা কি কোনদিন চুক্তি মানে? ২ সপ্তাহ পরেই কোন ফতোয়া দিয়ে বলবে যে, চুক্তি নেই; এখন থেকে চুক্তি টিকাতে আমেরিকারই গলদঘর্ম হবে।
ইরানের মানুষকে নাচায়েছে আহমেদিনেজাদ, উনি ইসরায়েলকে ধুলাতে মিশাবে এটম দ্বারা; বেকুব ইরানীরা যদি ভালোভাবে ২ মিনিট চিন্তা করে, তারা বুঝতে পারবে যে, ইরান ইসরায়েলের একটা পালকও উড়ায়নি; ধ্বংস করেছে ইরাকের তরুণ ছেলেগুলোকে ও নিজদের যুবকদের ৮ বছরের শিয়া-সুন্নী যুদ্ধে।
ইরানের দরকার ছিল এটমিক পাওয়ার, এখন কোনটাই সহজে হবে না; আমেরিকাও সোজা না, কথা না শুনলে দেশকে লিবিয়া বানায়ে দেবে সুযোগ মতো ।
চুক্তি যা হয়েছে, তা বিশ্বের জন্য ভালো; ১০ বছর পর, ইরান ২টা বোমা বানাতে পারবে; বিদ্যুতের জন্য চুল্লী ব্যবহার করতে পারবে, রিচার্চ করতে পারবে। ১০ বছরে, বর্তমান আয়াতোল্লা হয়তো পটল তুলবে, বা ইনটেনসিভ কেয়ারে থাকবে; ততদিনে ভালো মানুষ ক্ষমতায় আসবে বলে সবার ধারণা; আর ১০ বছরে যুবক যুবতীদের সংক্যা বাড়বে, কম শিক্ষিত ফানাটিকদের সংখ্যা কমবে।
ইরান তেলের আয় থাকা সত্বেও ভালো করতে পারেনি; অনেক টাকা খরচ করে সিরিয়া, লেবানন, প্যালেস্টাইন, ইরাক ও ইয়েমেনে যুদ্ধ লাগায়ে রেখেছে; এটাই ইসলামিক সিভিল-ওয়ার।
সন্ত্রাসী পালনে বেশী টাকা খরচ করে আসছিল এতদিন; এখন যদি মানুষ হয়, সবার জন্য ভালো হবে। আমেরিকা ও ইউরোপ ইরানের অনেক টাকা পয়সা আটকায়ে রেখেছিল, সব দিয়ে দিবে; ভালো যদি মানুষের জন্য ব্যবহার করে; নাকি আগের মতো হেজবুল্লাহ মেজবুল্লাকে পালন করতে থাকবে কে জানে।
সর্বশেষ এডিট : ১৬ ই জুলাই, ২০১৫ ভোর ৫:০৫

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




