মির্জা ফখরুল নিজ হাতে পেট্রোল বোমা মারনি, বা বিচার চলাকালীন পালিয়েও যাবে না; এটুকুর নিশ্চয়তা থাকলেও মৃতদের ও পংগু মানুষগুলোর নাগরিক অধিকার রক্ষার জন্য, তাদের নাগরিক জীবনের ক্ষতির সঠিক বিধান করার জন্য কোন অবস্হায়, কোন বিচারপতি কোনভাবেই ফখরুলের মতো দায়িত্বপুর্ণ পদের মানুষকে বিচার শেষ না হওয়া অবধি জামিন দিতে পারেন না।
ফাখরুলের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে সরকারের পক্ষ থেকে, কোন পরিবার মামলা করার সুযোগ পায়নি; পরিবারগুলো এ ধরণের বিস্তৃত সন্ত্রাসের মামলা চালানোর মত ফান্ড, সাক্ষী, কিছুরই ব্যবস্হা করতে পারবে না; তাই এসব মামলা সরকার করেছে, পুলিশ করেছে; কিন্তু আমাদের জানামতে এবার সরকারের কেহ মরেনি, পুলিশের তেমন ক্ষতি হয়নি; ফলে, সরকার ও পুলিশ অনেকটা নির্লিপ্ত।
সরকার ও পুলিশ ব্যতিত নাগরিকদের প্রতি বড় দায়িত্ব হচ্ছে হাইকোর্টের; যেখানে শত শত পরিবার নিজেদের আপন জনকে হারিয়েছেন, নিজের ভালোবাসার মানুষ পংগুত্ব বরণ করেছেন, এবং নিহতরা ও আহতরা আসামীদের প্রতিপক্ষ নয়, সেখানে কোর্টকে বড় ভুমিকা পালন করতে হবে।
কোর্টকে এসব ক্ষেত্রে নাগরিকের অধিকার রক্ষায় প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে হবে। খুবই দরকার ছিল, '৯১ দিনের তান্ডবের' বিচার দ্রুত আইনে সম্পন্ন করা; দরকার ছিল, পার্টির ২য় উচ্চতম পদের অধিকারীর ভুমিকাকে সঠিকভাবে তলিয়ে দেখা; যদি বেকসুর হয়, তাকে নিস্কৃতি দেয়া; না হয় যথাযথ শাস্তি দেয়া।
'৯১ দিন পেট্রোল বোমা' হামলায় ফখরুলের ভুমিকা পরিস্কার; উনি জানতেন যে, প্রথম পেট্রোল বোমা আক্রমনে হতাহত হয়েছে সাধারণ নাগরিক, যারা উনার পার্টির প্রতিপক্ষ নয়; তখন তিনি কি ব্যবস্হা নিয়েছেন; যদি দেখা যায় যে, তিনি বোমা আক্রমণ থামানোর চেস্টা করেননি, উনি দোষী।
ফখরুলকে জামিন দেয়া আইনের বরখেলাপী, কারণ ফখরুল জানতো, পার্টির মাঝে কারা এসব দায়িত্বে আছে। আজ ফখরুলের উচিত আইনের সামনে অপরাধীদের লিস্ট তুলে ধরা; না হয়, নাগরিকেরা ফখরুলের বিচার করবে; কারণ কোর্ট সঠিক পদক্ষেপ নিতে পারেনি; দায়িত্ব আপনা থেকে নাগরিকদের হাতে এসে গেছে।
সর্বশেষ এডিট : ১৬ ই জুলাই, ২০১৫ সকাল ৮:৫২

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




