মিডিয়া ও ব্লগে রাজেনের নির্যাতনের ছবি আর দেয়া ঠিক হবে না; মানুষ ভয়ংকরভাবে বিমর্ষ ও ক্ষুব্ধ হয়েছে এই গ্রাফিক ভিডিও ও ছবি দেখে; আমাদের শিশুরাও এই ছবি দেখে চলছে। যেহেতু রাজেনের ব্যাপারটা বেশ কিছুদিন মিডিয়ায় থাকবে, মানুষের মন থেকে বিমর্ষতা দুর করানোর জন্য ও শিশুদের মন হতে ভয় কাটানোর জন্য তার একটা পারিবারিক, বা একক ছবি ব্যবহার কলে ভালো হবে।
আমাদের দেশে, মিডিয়া দুর্ঘটনায় মানুষের নিহত, আহত হওয়ার ছবি, ভিডিও দেয়ার সময় ভেবেচিন্তে দেয় না; তারা জানে না যে, কোন ছবি মানুষের উপর কিভাবে প্রভাব ফেলছে; আমাদের মিডিয়ায় যারা সম্পাদনায় আছেন, তারা বেশীর ভাগই এসব সাবজেক্রের ছাত্র নন; বা ছাত্র হলেও, পরীক্ষার আগের রাতে পড়ে পাশ করেছেন, দক্ষ নন।
ফেলানীর কাঁটা তারে ঝুলন্ত ছবিটা যে পারছে সেই মিডিয়ায়, ব্লগে যখন তখন লাগিয়ে দিচ্ছে; আমরা ফেলানীর সব ইতিহাস জেনেছি; এখন ফেলানীর হাসি-মুখে একটি ছবি দেখ্তে চাই; ফেলানী একটি সুন্দর মেয়ে হয়ে থাকুক আমাদের হৃদয়ে, ভালোবাসায়; তার জীবনটা কস্টে গেছে, সে আমাদের হৃদয়ে আছে, আমরা তাকে সুন্দররূপে দেখতে চাই আমরা; আমরা মগজহীন বিএসএফ সদস্য অমিতকে হায়েনা হিসেবে মতো দেখতে চাই; বরং তার একটা ভয়ংকর ছবি কিংবা চিত্র দেয়া হোক; আর ফেলানীর সুন্দর একটা ছবি দিন।
আসলে আমি ফেলানীর ব্যাপারে বিএসএফ, বা অমিত রায়ের থেকে বেশী রাগান্নিত খালেদা জিয়া ও শেখ হাসিনার উপর; খালেদা জিয়া ও ফালু বিলিওনিয়ার হতে গোয়ে লাখ লাখ ফেলানী তৈরি হয়েছে; শেখ হাসিনার অদক্ষ অর্থনীতির ফলে ফেলানীকে ভারতে কাজ রতে যেতে হয়েছে।
রাজেনের বেলায় কামরুল, মুহিত ও ময়নার চেয়ে আমাদের শিক্ষামন্ত্রী নাহিদ বেশী দায়ী; রাজেন স্কুলে থাকলে, রাজেনের জীবনে এই ঘটনা ঘটার সম্ভাবনা ছিল না; নাহিদ ড্রপ আউটদের জন্য কিছু না করে, বিকেলে খেয়েদেয়ে ঘুমাতে যায়, এরা অদক্ষ।
সর্বশেষ এডিট : ১৭ ই জুলাই, ২০১৫ সন্ধ্যা ৬:৪৬

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




