নিম্ন-মধ্যম আয়ের দেশে পরিণত হতে পারতো বাংলাদেশ ১৯৮৫ সালের আগেই; সেটার জন্য দরকার ছিল১৯৭২ সালেই কার্যক্ষম সাড়ে ৩ কোটী লোক যাতে প্রতিদন কাজ করে জাতির জন্য সম্পদ সৃস্টি পারে, সেই প্ল্যান করার; এবং সেটার দায়িত্ব ছিল তাজুদ্দিন সাহেব ও শেখ সাহেবের উপর; উনারা নিজেদের প্রচন্ড ক্ষমতাকে উপলদ্ধি করতে পারেননি। যেখানে মানুষকে দায়িত্ব দেয়ার কথা, সেখানে উনারা সবকিছুর দায়িত্ব নিজেরা নিয়ে হয়রাণ হয়েছিলেন অকারণ।
জিয়া ক্ষমতায় আসার আগে সঠিকভাবে অংক করেননি; করলে এত উপরে উঠতেন না; ক্ষমতা নেয়ার পর, উনি বুঝেছিলেন যে, জাতির কথা বাদ, নিজের প্রাণ রক্ষা করাটাই বড় সমস্যা; জাতির জন্য উনার কোন প্ল্যান ছিল না, বড় প্ল্যান ছিল বেঁচে থাকার জন্য; কিন্তু পটেনশিয়াল এনার্জি উনাকে নীচে নিয়ে এলো।
শেখ হাসিনাকে রাজনীতি শেখার সুযোগ দেয়নি ষড়যন্ত্রকারী ড: কামাল হোসেন ও ড়োফায়েল আহমেদ; একদিনে আওয়ামী লীগের সভাপতি বানানোর পর, শেখ হাসিনার নিজের উপর ভুল আত্মবিশ্বাসের জন্ম নিলো, উনি ধরে নিয়েছিলেন যে, উনার বাবার সাথীরা উনার থেকে নিশ্চয় রাজনীতি কম বুঝেন, না হয় এত বড় পোস্ট উনাকে কেন দেবেন? সেই বিশ্বাস গত ৩৪ বছর উনার আছে, আর ভাংগার সম্ভাবনা নেই।
এদের বাইরে, পরগাছা এরশাদ ও খালেদা জিয়া জাতির শরীর থেকে রস চুসে নিয়েছে দীর্ঘদিন; জেনারেল এরশাদ আজও আগের টাকা খরচ করে যাচ্ছে।
খালেদা জিয়া রাস্তাঘাটের মানুষ ফালুকে বিলিওনিয়ার বানায়েছে, এমপি বানায়েছে; শুধু ফালুকে বিলিওনিয়ার বানাতে গিয়ে উনার অনেক চামচা মালটি মিলিওনিয়ার হয়ে গেছে, মাহী, বাহী, আমান, কামান, লালু, ভুলু, ইলিয়াচ ফিলিয়াছ হাজার হাজার নোমান ফোমান, মোর্শেদ খান, সুপারী পান।
ভাবুন, গুম হয়ে যাওয়া ইলিয়াছ আলী ১ দিন চাকুরী করেনি, ব্যবসা করেনি; সেই লোককে মিলিওনিয়ার হতে হলে, কত হাজার বাচ্ছার পড়ালেখার টাকা তাকে দিতে হয়েছে? উনার নিজের মানসিক সমস্যার ছেলে কোকোকে মিলিওনিয়ার বানাতে কত লাখ ছোট মেয়ের স্কুলের টাকা কাটতে হয়েছে?
উনার গত আন্দোলান কিভাবে শেস হবে, তা লিখে মার্চ মাসের ২৯ তারিখ পোস্ট দিয়েছিলাম; এবার তো আন্দোলনে যেতে পারবে না, গেলে ভালো হতো, মানুষের ইট পড়তো উনার গায়ে; সাথে সাথে মহিলা পুলিশের লাঠির বাড়িও খেতেন।
এরশাদ ও খালেদা এখনো আছে; আজকে ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময়ে খালেদা জিয়া বলেছে যে, আবারও 'আন্দোলনে যাবে'; বাংলাদেশের আন্দোলন এখন পেট্রোল বোমায় এসে ঠেকেছে; আমার মনে হয়, উনি বুঝতেছেন না যে, মানুষ উনাকে আক্রমণ করতে পারে আগামী আন্দোলনে।
উনাকে আজকেই উনার লোকেরা থামিয়ে দেয়ার দরকার ছিল; উনার লোকেরা নিজেদের কথা ভাবার দরকার ছিল; ৩২ বছর জাতিকে চুষে যা যোগাড় করেছে, তা নিয়ে পালানোর সময় এখন, আন্দোলনের সময় নয়; খালেদা জিয়া নিজের বিলিয়ন খরচ করার সময়ও পাবে না আন্দোলনে গেলে।
আন্দোলনে গেলে তারেকের ফেরার পর একেবারেই বন্ধ হবে; গন্ডগোল ছেড়ে, ভালো হয়ে রাজনীতি করলে, শেখ হাসিনা নিজের দরকারেই তারেককে দেশে নয়ে আসবে।
খালেদা জিয়াকে অবসরে পাঠিয়ে বিএনপি নিজকে পরিস্কের পরিচ্ছন্ন করার চেস্টা করে দেখতে পারে; ফখরুলের উচিত, গতবারের '৯১ দিনের ' তান্ডবে নিহত ও আহতদের খোঁজ খবর নেয়া।
সর্বশেষ এডিট : ১৮ ই জুলাই, ২০১৫ রাত ১১:০১

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




