গতকাল এক আরবী সন্ত্রাসী আমেরিকার টেনেসিতে ৪ জন মেরিন সৈনিককে হত্যা করেছে ও ২ জনকে আহত করেছে; আমেরিকা ফুঁসছে; ভালো যে, আমেরিকানদের ধৈর্য্য আছে; কিন্তু ই ধৈর্য্য যে ভাংবে না একদিন, তা ভাবা বেকুবী কাজ হবে।
সিরিয়ার সাধারণ মানুষ যদি সুযোগ পেতো, হয়তো সবাই আজ পশ্চিমে পালিয়ে যেতো; বাংলাদেশ থেকে অর্ধেকের বেশী মানুষ পশ্চিমে চলে যেতো ভিসা পেলে; পাকিস্তান হয়তো খালি হয়ে যেতো; এ হচ্ছে মুসলিম প্রধান দেশগুলোর অবস্হা; মুসলিম দেশগুলোর সরকারেরা ক্রমেই দেশগুলোকে বসবাসের অযোগ্য করে তুলছে, বিশেষ করে অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক দিক থেকে। একমাত্র আলজেরিয়া, তুরস্ক, মালয়েশিয়া ও ইন্দোনেশিয়া ছাড়া বাকী সব দেশগুলোতে মানুস কস্টে আছে।
ইউরোপের ধারণ ক্ষমতা কম, তারা চাইলেও মানুষ নিতে পারবে না; এবং ক্রমেই ইউরোপীয়ানরা নতুন অভিবাসীদের উপর আস্হা হারিয়ে ফেলছে; বিশেষ করে বৃটেন ও ফ্রান্সের গণতন্ত্রের সুযোগ নিয়ে নতুন অভিবাসীরা স্হানীয় সংকৃতিকে অবমাননা করছে, ও অহেতুক অর্থনৈতিক সুযোগ নিয়ে স্হানীয় লোকদের উপর বোঝা হচ্ছে।
আমেরিকা, কানাডা ও অস্ত্রেলিয়া বড় দেশ, তারা মানুষকে আসতে দিচ্ছে এবং সামাজিক সুযোগ সুবিধা দিচ্ছে; কিন্তু এই ৩ দেশেও, মুসলিম অভিবাসীদের মাঝে চরমপন্হীরা স্হান করে নিচ্ছে।
এদের নিজের মানুষ যে সন্ত্রাস করে না, তাই নয়; কিন্তু বিদেশ থেকে আসাদের অপরাধ বেশী চোখে পড়ে।
কানাডা মোটামুটি ভালো করছে; কিন্তু অস্ট্রেলিয়ানরা ক্রমেই ক্ষেপে উঠছে; এখন যদি মুসলিম অভিবাসীরা নিজেদের সমস্যাকে সমাধান না করে, তা'হলে এটা রাজনৈতিক রূপ নেবে শীঘ্রই।
ইউরোপিয়ান ও আমেরিকান মুসলমানদের উচিত নিজেদের সমস্যার সমাধান নিজেরাই খোঁজা; তাদের উচিত কোনভাবেই স্হানীয় সংস্কৃতির উপর নিজেদের সংস্কৃতিকে চাপিয়ে না দেয়া ও শিক্ষা ও চাকুরীর সুযোগ নেয়া; ইউরোপের মানুষ বাহিরের মানুষকে সাহয্য করতে চায়, কিন্তু কেহ বসে বসে সরকারের টাকা নিলে তারা তা দীর্ঘদিন মেনে নেবে না।
আমেরিকায় সুযোগ নিয়ে, বিশাল পরিমাণ মুসলিম অভিবাসীরা পরিবারের একাংশকে সরকারী খরচে চালিয়ে যাচ্ছে; এতে পরিবার সামন্য টাকা পয়সা বাঁচাচ্ছে, কিন্তু নিজেদের ছেলেমেয়েরাও এতে হীনমন্যতায় ভোগে। আসার পর, কিছুদিন সাহায্য দরকার, সেটা ঠিক; কিন্তু স্বামী ব্যবসা করে, ভালো গাড়ী চালায় পরিবার, আর স্ত্রী সরকারী সাহায্য নেয়, এটা সমস্যার সৃস্টি করছে। অন্য দেশ থেকে আগতরাও এসব সুযোগ যে নিচ্ছে না, তা নয়; কিন্তু মুসলমানেরা মাইক্রোস্কোপের নীচে আছে সন্ত্রাসের কারণে।
সর্বশেষ এডিট : ১৯ শে জুলাই, ২০১৫ রাত ৩:১৪

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




