জেনারেল জিয়া এক চিড়িয়াখানা খুলে গেছেন, যেখানে আধা-সেক্রেটারী হয়ে মানুষ সেক্রেটারীর রাজনীতি করতে পারেন; যেখানে পুরুষ মানুষকে রোরখা পরতে হয়। যাক, মির্জা ফখরুল মাথা ও ঘাঁড়ের চিকিৎসা করায়েছেন সিংগাপুরে ও আমেরিকায়; চিকিৎসা সফল হলে, মাথায় বোরখা পরার মত অবুদ্ধি আর ফেরত আসবে না মাথায়; আর ঘাঁড় যদি ভালো হয়ে যায়, মাথাকে ধরে রাখবে শক্ত করে, গন্ডগোল হতে দেবে না।
মির্জা ফখরুল একজন শিক্ষিত মানুষ, উনার আর্থিক অবস্হাও বিরাট; উনাকে পিন্টু, বা লালু , কালুদের মত হওয়ার দরকার ছিলো না কখনো; তিনি জাতির জন্য ভালো কিছু করার জন্য রাজনীতি করতে পারতেন; খালেদা জিয়ার সমস্যা উনার সমস্যা হওয়ার কথা ছিলো না; বিেনপি করলে, তারেকের মতো, আমান উল্লাঃ আমানের মতো হওয়ার দরকার নেই; খালেদা জিয়া উনার রাজনীতি করছেন ৩২ বছর, এবং মানুষের কাছে উনার কোন মান সন্মান নেই; মির্জা খালেদা জিয়াকে রাজনীতির পথে নি্যে আসতে পারতেন; আর সেটা না হলে উনি সরে গেলেই ভালো হতো; খালেদার দোষ মাথায় নিয়ে, বোরখা পরা ছিল মহা বেকুবী।
উনাকে খোকার মতো চুরির দায়ে পালায়ে থাকতে হবে না; বা ফজলুল হক মিলনের মতো হাওয়া ভবনের অপারেটর হিসেবে গা ঢাকা দিতে হবে না; উনি জাতির সামনে দাঁড়া্যে রাজনীতির ক্ষমতা রাখেন। উনাকে শুধু বোমাবাজ, সন্ত্রাসী ও মাফিয়াদের থেকে দুরত্ব বজায় রাখতে হবে।
আর খালেদা জিয়ার সাথেও উনার বুঝাপড়া করার দরকার; উনি যদি সেক্রেটারীর পদ না পান, খালেদার দলে উনার থাকার কোন কারণ থাকতে পারে না; উনি সমমনাদের নিয়ে আরো ভালো রাজনীতি করতে পারবেন।
সর্বশেষ এডিট : ২২ শে সেপ্টেম্বর, ২০১৫ রাত ২:৫০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


