পাকিস্তান আমলে, বাচ্ছারা স্কুলে যাবার সুযোগ খুবই কম পেতো; কিন্তু মোটামুটি সবাই মোক্তবে যেতে পারতো; মোটামুটি সবাই নামাজ ইত্যাদি পড়ার জন্য ৮/১০ টা সুরা মুখস্হ করতো, অনেকেই কুরান পুরোটা খতম করতো; কিন্তু কেহ মোটামুটি সুরা ফাতেহারও অর্থ জানতো না।
স্কুল ও মাদ্রাসায় গেলে, ছাত্ররা সুরা ফাতেহার অর্থ শিখতো; এখন অর্থসহ আরবী জানা লোকের সংখ্যা অসংখ্য; ইউনিভার্সিটির ছেলেরা কুরান, হাদিস ইত্যাদি আয়াতসহ বলে যাচ্ছে ও বাংলা ইংরেজীতে তরজমা করে যাচ্ছে। আমার দেখা মতে, বাংলাদেশ ও পাকিস্তানে এত বেশী ধর্ম জানা লোক কখনো ছিল না।
এরপর, ১৯৭৬ সাল থেকে আজ অবধি, প্রায় ৬/৭ কোটী বাংগালী আরব দেশে কাজ করার সুযোগে আরবী শিখে ফেলেছে; অনেকেই ফ্লুয়েন্ট আরবী বলতে পারেন; এরা সবাই মোটামুটি হাদিছ ইত্যাদি নিয়ে কথা বলে থাকে; ধর্মের অনেক কিছুই আজ অনেক পরিস্কার।
কিন্তু পাকিস্তান আমল থেকে আজ অবধি আমাদের মানুষের প্রাকৃতিক জ্ঞান খুব একটা বাড়েনি; আমার কাছে যারা কুরান , হাদিছ খুব সহজেই ব্যাখ্যা করে, বিশেষ করে সায়েন্সের ছাত্র, তাদের আমি সব সময়ই প্রশ্ন করি, " নিউটনের ২য় সুত্রকে ব্যবহার করে, উৎক্ষিপ্ত কোন বস্তুর উচ্চতা বের করতে পারবে কিনা?" আমি কয়েক শ'তের মাঝে ২/৩ জন পেয়েছিলাম, যারা জানে, বা বই দেখে বের করতে পেরেছিল।
সর্বশেষ এডিট : ২৭ শে অক্টোবর, ২০১৫ রাত ১১:৩৮

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



