সিআইএ।
জিয়ার আদর্শ ছিল আমরিকার সিআইএ; আইয়ুব খান, পিনোচেটের আদর্শ ছিল সিআইএ; ইয়াহিয়া খান, জিয়া উল হক, এরশাদ, পারভেজ মোশারফের আদর্শ ছিল সিআইএ। বিএনপি'র সবাই বলে, জিয়া তাদের আদর্শ; সেদিক থেকে, বিএনপি'র আদর্শ হচ্ছে সিআইএ'র আদর্শ।
কখনো জানা সম্ভব হবে না, জিয়া কি সিআইএ'র কাছে গিয়েছিল, নাকি সিআইএ জিয়াকে মনোনীত করেছিল। শেখ সাহেব যখন কিউবার ফিদেল ও যুগোশ্লাভিয়ার মার্শাল টিটোর সাথে দেখা করেছে, তখন থেকে হয়তো সিআইএ শেখ সাহেবকে ভাবনা চিন্তা শুরু করেছিল, ও প্রস্তুতি নেয়ার শুরু করেছিল।
পাকিস্তানের খুবই ঘনিস্ট বন্দ্ধু ছিল সিআইএ'র লোকেরা, সেই আইয়ুবের আমল থেকে; আবার পাকিস্তানী মিলটারী মরিয়া হয়ে উঠেছিল পরাজয়ের প্রতিশোধ নেয়ার জন্য; ২ পক্ষের উদ্দেশ্য ও আদর্শও এক ছিল।
মনে হয়, পাকিস্তানই জিয়ার নাম দিয়েছিল; মনে হয় না, জিয়ার মতো চালাক লোক নিজের থেকে সিআইএ'র সাথে যোগাযোগ করবে; সিআইএ'র সাথে বন্ধুত্ব করলে মৃত্যুর নিশ্চয়তা আছে ৭০/৮০%; তাই মনে হয়, জিয়া হয়তো নিজের থেকে আগায়নি।
সমস্যা হলো, সিআইএ যদি একবার মনোমীত করে, তাদের সাথে না গিয়ে আর কোন উপায় থাকে বলে মনে হয় না; ওদের সাথে না গেলে হয়তো জীবনের নিশ্চয়তা হারিয়ে যায়।
সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে অক্টোবর, ২০১৫ সন্ধ্যা ৬:৪৮

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



