ড: এমাজুদ্দিন, বা ড: কামাল ভোটে দাঁড়ালে ৫/১০ হাজারের বেশী ভোট পাবে না; হাজী সেলিম, বা শামীম ওসমান সহজেই ড: এমাজুদ্দিন ও ড: কামালকে ভোটে পরাজিত করবে। তা'হলে তারা ভোট চায় কেন? তাদের ধারণা ভোট হলে শেখ হাসিনা পরাজিত হবে; এটুকুই একমাত্র আনন্দ। তারপর কি ঘটবে, উনারা জানে না; শেখ হাসিনা বেঁচে থাকলে সরকারকে উল্টানো অবধি থামবে না; উনি ৯১ দিনের আগেই তারেক মিয়ার সিংহাসন উল্টায়ে দিবে। এটাই বাংলাদেশের জন্য চরম সত্য।
ড: এমাজুদ্দিনরা ও ড: কামাল হোসেনরা বিএনপি ও আও্যামী লীগকে রাজনীতি হতে দুরে নিয়ে গেছে নিজেদের স্বার্থে; এরা কোনদিন বলেনি যে, খালেদা জিয়া কেন ৩৩ বছর বিএনপি'র সভাপতি, শেখ হাসিনা কেন ৩৪ বছর আওয়ামী লীগের সভাপতি? এদের মতো শিক্ষিতরা যদি গণতণ্ত্রের স্বার্থে, সঠিক কথা বলতো, এই দল ২টি রাজনীতির পথে থাকতো; আমি ২ জনকে উদাহরণ হিসেবে ব্যবহার করছি; ২ দলে এ রকম বহু শিক্ষিত আছে, যারা নিজের লাভ হিসেব করতে গিয়ে দেশের বড় ২ রাজনৈতিক দলের মাথায় পঁচা গোবরের সার দিয়েছে।
আপনারা এমাজুদ্দিনের বই ও নিডিয়াতে লেখা আর্টিকেগুলো পড়েন, আমি বলবো, উনার লেখা বাংলা ব্লগের যেকোন ব্লগারের লেখা থেকে নীচু মানের; উনি ঢাকা ইউনিভার্সিটির ভিসি হয়ে জাতির ১নং ইউনিভার্সিটিকে গার্বেজে পরিণত করেছেন; ঢাকা ইউনিভার্সিটির গ্র্যাজুয়েটদের মান খুবই নীচু বিশ্বের তুলনায়; উনার আমলে ছাত্রদল, এখন ছাত্রলীগ ওখানে ব্যবসা করছে।
ড: এমাজুদ্দিন ভাবছেন, আবারো খালেদা জিয়া ফিরে আসবে; সেই আশায় গুড়ে বালি; উনার মত থিংক ট্যাংক শেখ হাসিনার একটা চালও বুঝেনি; বুঝলে, খালেদা জিয়া বিরোধী দলে থাকতো; সমস্যা বাড়টো মাত্র; ভোট এখন আর সমাধান নয়।
সমাধান হচ্ছে, জনসংখ্যা বৃদ্ধিকে শুন্যের কোঠায় আনা; সবার জন্য ফ্রি শিক্ষা, চাকুরী সৃস্টি, দেশের ব্যবসা বাণিজ্যে সাধারণ মানুষের মালিকানা প্রতিস্ঠিত করা ; এগুলো করার লোক বিএনপি'তে নেই; এমন কি আওয়ামী লীগেও নেই; তবে, আওয়ামী লীগকে বুঝানো যায়, বিএনপি'কে বুঝানো যায় না, ওখানে তারেক ও কয়েক হাজার তরুণ মাফিয়া জাতির বিপক্ষে ব্যবসা করছে।
বাংলাদেশে ২৫% ভোট বেচাকেনা হওয়ায়, ভোটের কোন মুল্য নেই; এখন ভোট হলে শেখ হাসিনা জয়ী হবে, বিেনপি বিরোধী দলে আসবে; যা দেশকে নতুন কিছুই দেবে না।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


