মনে হয়, যেই বিচারক ঐশীকে ফাঁসী দিয়েছেন, উনি অনেক বড় ফ্যাক্টর, হত্যার সময় ঐশীর মানসিক অবস্হাকে দাম দেননি; বাংলাদেশে 'পাগল' দেখলে ইউনিভার্সিটিতে-পড়া ছেলেরাও 'পাগল'কে ঢিল মারে; মানসিক রোগ বাংলাদেশে গুরুত্ব পায় না; হয়তো সেজন্য, দেশের শতকারা ২০ ভাগের বেশী মানুষের হালকা থেকে বড় মানসিক সমস্যা আছে।
ঐশীর ব্যয়, জীবন ধারণের মান, মাদক ক্রয়ের প্যাটার্ন, পড়ালেখার স্কুল ইতয়াদি ও ওর বাবার পারিবারিক অবস্হা দেখলে মনে হয়, পরিবারটির অবৈধ আয় ছিল অনেক; অবৈধ আয়ের টাকা যখন ভুল পথে খরচ হয়, অবৈধ আয়কারী বিচলিত হয় না; অবৈধ আয়কারীরা তাদের ছেলেমেয়েদের জীবনকে পাশে ঠেলে দিয়ে নিজদের নিয়ে ব্যস্ত থাকে।
বসুন্ধরার মালিক শাহ আলমের ছেলে মানুষ মেরেছিল; বিএনপি'র টেলিমন্ত্রী তরিকুলের ছেলেমেয়ে থাইল্যান্ড যেতো সেক্স ট্যুরিজমে; এগুলো হলো অবৈধ আয়ের পরিবারের ছেলেমেয়েদের জীবনের প্যাটার্ণ।
যাক, ঘটনার সময় ঐশী সুস্হ ছিল না, তার বয়সও কম ছিল, সে নিজের বিচার নিজে করতে চেয়ে নিজকে হত্মা করতে চেয়েছিল; সে হত্যা করেছে নিজ মা-বাবাকে, সমাজের কারো জন্য সে বিপদজনক নয়; এগুলো ফ্যাক্টর; এসব বিবেচনা করে, আমাদের প্রেসিডেন্টের উচিত, নিজ থেকে ঐশীর জীবন রক্ষা করে, ওকে পড়ালেখা করার সুযোগ দেয়া কঠিন পর্যবেক্ষণে রেখে; অকারণ, আপিল মাপিল করে, বিচারকদের ব্যস্ত করার দরকার নেই। ওর ফাঁসী থেকে কেহ কিছু শিখবে না; ফলে, এই মেয়েটাকে ঝুলায়ে কোন লাভ নেই, ওকে বাঁচতে দেয়া হোক।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


