যেখানে জীবন মৃত্যুর ব্যাপার আছে, সেই ধরণের ব্যবস্হাপনায় বাংগালীকে রাখা ঠিক নয়; সেই অনুযায়ী দেশের হাসপাতালগুলোর ম্যানেজমেন্টে ও ইমারজেন্সীতে পশ্চিম ইউরোপ বা আমেরিকান সাদা চামড়ার ডাক্তার দরকার; এতে চিকিৎসার খরচ বাড়বে, কিন্তু মানুষ এদের উপর আস্হা রাখতে পারবে; ভারত, সিংগাপুর ও থাইল্যান্ডে গিয়ে হার্ড-কারেন্সী পোড়ানো কমে আসবে।
কিশোরী গায়িকা খেয়ালী কর্মকারকে ১৬ই ডিসেম্বর রাতে ভয়ানক অসুস্হ অবস্হায় হোলি ফ্যামেলী হাসপাতালে নেয়া হয়; ১৮ই ডিসেম্বর খেয়ালীর মৃত্যু হয়; মৃত্যু হওয়া অবধি, অর্থাৎ ১৮ই ডিসেম্বর অবধি ওর কোন টেস্টের রেজাল্ট পাওয়া যায়নি; একজন ডাক্তার বলেছে যে, খেয়ালীর মাথায় হয়তো ভাইরাস বা ভেক্টেরিয়া আক্রমণের ফলে তার মৃত্যু হয়েছে।
এ ধরণের রোগীকে, সামান্যতম সময়ের মাঝে চিকিৎসা দেয়া শুরু করার দরকার ছিল; ডাক্তারেরা সিম্পটম দেখে সঠিক, বা কাছাকাছি একটা ধারণায় উপনীত হন, এবং সেই ধারণাকে কেন্দ্র করে টেস্ট করানো হয়; একেবারে শুন্য ধারণা নিয়ে কোন টেস্ট করানো ঠিক নয়; যাক, ডাক্তারদের প্রফেশান ডাক্তারেরা ভালো বুঝে।
ইমারজেন্সীতে আনা রোগীর টেস্ট রেজাল্ট পেতে যদি ৪০ ঘন্টা বা তার বেশী সময় লাগে, সেই হাসপাতালের ম্যানেজমেন্ট ও ডাক্তারদের প্রফেশানেলিজমে ও দক্ষতায় ভয়ংকর হেরফের আছে। খেয়ালীর ঘটনা মিডিয়ায় এসেছে, এ রকম শতশত ঘটনা সামনে আসার সুযোগ পাচ্ছে না।
বাংলাদেশের মেডিক্যাল স্কুলগুলোতে সঠিভাবে প্রফেশানেল ডাক্তারী পড়ানো হচ্ছে না, এটা মোটামুটি পরিস্কার; এরা অদক্ষ ডাক্তার প্রস্তুত করছে; এ ডাক্তারগুলো সময়ের সাথে হয়তো দক্ষ হবে; কিন্তু রোগীর প্রতি দায়িত্ববোধ সময়ের সাথে বাড়বে না, বরং কমবে; দায়িত্ববোধ গড়ে তোলায় জন্য এদের সামনে উদাহরণ দরকার ও দায়িত্বশীল ম্যানেজমেন্টের অধীনে রেখে এদের শিখানো দরকার; এতে আমেরিকান ও ইউরোপের সাদাদের বিকল্প নেই।
সর্বশেষ এডিট : ২১ শে ডিসেম্বর, ২০১৫ সন্ধ্যা ৬:৪৩

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




