কোকো সোনার চামচ মুখে জন্মেছিলো; তবে, তাহার শারীরিক ও মানিসক সমস্যা ছিল; জে: জিয়ার মৃত্যুর পর, তারেক ও কোকোকে পড়ানোর জন্য জে: এরশাদ খালেদা জিয়াকে ২ টাকায় ২টি বাড়ী, ১০ লাখ টাকার (১৯৮৩ সালে) ফিস্কড-ডিপোসিট, গাড়ী, চাকর, চাকরাণী, বিদেশ পড়ার স্কলারশীপ দিয়েছিল। ছেলে কোনটাই ব্যাচেলর অবধি যেতে পারেনি; তবে, ২ জনেই আমেরিকান ডলারে বিলিওনিয়ার ও মিলিওনিয়ার হয়েছিল।
শারীরিক ও মানসিক সমস্যায় থেকেও কোকো কিভাবে আমেরিকান ডলারে মালটি মিলিয়ন ডলারের ব্যবসা করছিল বাংলাদেশে? সে যদি প্রাইম মিনিস্টারের ছেলে হিসেব, সাধারণ জীবন যাপান করতো, তাকে কি এমন অবস্হায় পড়ে, পরিবারর থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে, মা ও ভাইহীন অবস্হায় থাকতে হতো?
যাক, কোকোকে কেহ পছন্দ করতো না; খালেদা জিয়াই তার একমাত্র আশ্রয়স্হল ছিল; ২০০৮ সালে, ভোটে পরাজিত হওয়ার পর, খালেদা যদি এই ছেলেটার সাথে মালয়েশিয়ায় থাকতো, তা'হলে কেমন হতো? তখন তিনি ও ফালু বিলিওনিয়ার।
২০১৫ সালে, খালেদা জিয়া যখন গুলশান অফিসে থেকে সরকার পতনের আন্দোলন শুরু করে, কোকো বোধ হয় অনুমান করতে পেরেছিল যে, তার মা আন্দোলন নিয়েই থাকবে, পার্টি নিয়েই থাকবে; কোকোর কোন দাম খালেদা জিয়ার কাছে নেই; কারণ, খালেদা জিয়া এই বয়সে অফিসে থেকে যা করতে যাচ্ছে, সেটাই খালেদা জিয়ার একান্ত জীবন; কোকোর জন্য এটা ছিল বড় ধরণের আঘাত।
কোকোর মৃত্যুর পর, তার দেহ দেশে আসলো বিএনপি অফিসে, খালেদা জিয়ার হৃদয়ে যদি এক পয়সার ভালোবাসা থাকতো, উনি কমপক্ষে ১ মাসের সময় নিয়ে, সবকিছু বন্ধ করে, ছেলের দেহটা বাসায় নিতো; ঠিক মতো পারিবারিকভাবে সমাহিত করতো। আন্দোলন বন্ধ রাখা যায়, সব কাজ বন্ধ রাখা যায়; ছেলের মৃত্যুর থেকে মায়ের কাছে কোন কিছু বড় হওয়ার কথা নয়; খালেদা জিয়ার আসল চেহারা তখন বেরিয়ে এসেছিল; কিন্তু উনার সাথে থাকা গরুগুলো সেটা টের পায়নি।
সর্বশেষ এডিট : ১৬ ই জানুয়ারি, ২০২১ সকাল ৯:৫০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



