"ভাই, আমাদের সবাইকে তো একদিন মরতে হবে", এ বাক্য দ্বারা যারা কথোপকখন শুরু করে, তাদের কথা বাদ দিন; দৈবচক্রে, কোন কারণে, যদি আপনার ভাবনায় এসে যায় যে, আপনি আপনার সমাধির কথা কথা জীবিত থাকাকালীন সময়ে বলে যেতে চান, এই ওভার-পপুলেইটেড বাংলাদেশে কোথায়, কতটুকু যায়গার উপর, আপনার দেহকে রাখার জন্য আপনি বলে যেতে পারেন?
ফিলখানা, রমনা পার্ক, পার্লামেন্ট ভবন, ঢাকা ইউনিভার্সিটি, বনানী গোরস্হান, বুড়িগংগা, শিশু পার্ক, শোয়ার ঘর, ধানের জমি, পারিবারিক কবরস্হান; কোনটা হওয়ার সম্ভাবনা?
যায়গা কতটুকু হলে ভালো হবে, ২৪ বর্গফুট, ১ একর, ১২০ একর?
চেংগিস খানকে যারা সমাহিত করেছিল, ও শব যাত্রায় অংশ নিয়েছিল, তাদের কাউকে জীবিত রাখা হয়নি; সেই কারণে, আজ কেহ জানে না, চেংগিস খানের সমাধি কোথায়; দেখা যাচ্ছে, উনি অনেক কিছু বলার সময় পেয়েছিলেন।
এখন বাংলাদেশ মিলিটারীতে যুদ্ধের অভিজ্ঞতাসহ কোন সৈনিক নেই; এর আগের জেনারেশনে ছিল; যেসব সৈনিক যুদ্ধে যান, তাঁরা সব সময় মনে করেন যে, শত্রু পক্ষের সৈনিকদের মৃত্যু হবে মাত্র; এটা একটা মানসিক অবস্হা; এটাই যুদ্ধ করার বাসনাকে টিকিয়ে রেখেছে চিরকাল।
সৈনিকেরা মৃত্যু নিয়ে কখনো কথা বলে না; ফলে, কোথায় ও কতটুকু যায়গায় সমাহিত করতে হবে, এটা আলোচনায় আসে না কখনো। হয়তো আপনিও সৈনিক, এটা নিয়ে মাথা ব্যথার কোন কারণ দেখতে পাননি।
সর্বশেষ এডিট : ২৯ শে জানুয়ারি, ২০১৬ রাত ১১:৩০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



