
আরবেরা রাজতন্ত্র থেকে সোজাসুজি ডিক্টেটরশীপ-ক্যাপিটেলিজমে পা বাড়ায়েছে; বেদুইন থেকে সোজাসুজি নগরবাসী; উটের পিঠ থেকে নেমে মার্সেডিজে; কুপের পানির বদলে ফ্রান্সের মিনেরাল ওয়াটার। কিন্তু সবকিছু জন্য একদিন মুল্য দিতে হয়; প্রকৃতির নিয়ম না মেনে কোনকিছু করতে হলে, সেই রকম ভিত্তি তৈরি করতে হয়।
ক্যাপিটেলিজম মানেই, আইনী বা স্বরচিত আইনের মাধ্যমে প্রয়োজনের চেয়ে বেশী সম্পদের মালিক হওয়া, যা অপরের অধিকারকে খর্ব না করে, কখনো পুর্নতা লাভ করতে পারে না।
আজকের দিনে, ইউরোপের মাটিতে ৩ আরব দেশের লোক ভিক্ষা করছে, যারা মাত্র ৫ বছর আগেও নিজ দেশে মধ্যবিত্ত ছিল, যাদের নিজস্ব বাড়ী ছিল, গাড়ী ছিল, চাকর চাকরাণী ছিল; সবকিছু তাসের ঘরের মতো উড়ে গেছে।
আগামীতেও এ ধরণের ঘটনা ঘটার সম্ভাবনা আছে আরবে; আগামী ২/১ সপ্তাহের মাঝে সিরিয়ায় 'যুদ্ধবিরতি' স্বাক্ষর হওয়ার সম্ভাবানা আছে; কিন্তু সেখানে মুল স্বাক্ষরকারী হয়ে থাকবে রাশিয়া, আমেরিকা, ইরান ও তুরস্ক। সিরিয়ায় যুদ্ধ হবে, নাকি শান্তি আসবে, সেটা নির্ভর করছে বাহিরের মানুষের উপর; এটা কি করে সম্ভব? সিরিয়ানরা কোথায়?
সিরিয়ানরা কেহ কেহ ইস্তাম্বুলের রাস্তায়, পুর্ব ইউরোপের রাস্ত্তায় ভিক্ষ করছে, কেহ ইরান ও তুরস্কে সামান্য রুটির জন্য রেড-ক্রসের ট্রাকের সামনে লাইন দিয়ে দাঁড়ায়ে আছে।
এগুলো ক্যাপিটেলিজমের বিভিন্নরূপ মাত্র।
আমরা বাংলাদেশও কিছুটা দেখছি, হাইস্কুল-পাশ তারেক মায়ের সরকারের পাশাপাশি আরেক সরকার চালাচ্ছিল হাওয়া ভবন থেকে; একদিনও চাকুরী করেনি, কিন্তু ১০/১২টা বড় বড় শিল্প কারখানার মালিক হয়ে গিয়েছিল; তারপর একদিন খোঁড়ার অভিনয় করে দেশ ছেড়েছিল; এখন প্রবাসে; এগুলো রাজনীতি নয়, এগুলো সম্পদ দখলের জন্য ক্যাপিটেলিজমের প্রয়োগ মাত্র। আমরা আরো দেখবো, মনে হচ্ছে; আমাদের মানুষেরা ক্যাপিটেলিজম পছন্দ করেন।
সর্বশেষ এডিট : ২৩ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৬ রাত ১:২০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




