somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

আমাদের সংবিধানে আছে, 'আমরা ধর্ম নিরপেক্ষ', ও 'আমাদের রাস্ট্র ধর্ম ইসলাম'

০২ রা এপ্রিল, ২০১৬ রাত ৮:৩৪
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :



১৯৭২ সাল থেকে সংবিধানে ছিল ও আছে, 'বাংলাদেশ ধর্ম নিরপেক্ষ দেশ'; জেনারেল এরশাদ যোগ করেছে, 'আমাদের রাস্ট্রধর্ম ইসলাম'; এই দু'টো ক্লজ পরস্পর বিরোধী হয়েও আমাদের সংবিধানে সহ-অবস্হান করছে; এটা হয়তো হবুর দেশে সম্ভব, না হয় বৃটেনের মতো গণতন্ত্রে সম্ভব; আমাদের সংস্কৃতি, মন-মানসিকতা বৃটিশের মতো নয়, নিশ্চয়ই!

রাস্ট্রে যদি কোন বিষয়ের উপর আইন থাকে, আইনের প্রয়োগ হয়; আইন না থাকলে সংবিধান অনুসারে রাস্ট্র পদক্ষেপ নিতে পারে; সংবিধান না থাকলে, পুর্বের ঘটনাবলীকে অনুসরণ করা হয়।

বাংলাদেশের রাস্ট্রধর্ম 'ইসলাম' হওয়াতে আমাদের দেশ লাভবান হওয়ার কথা; কারণ, ধর্ম এখন রাস্ট্রের দ্বারা সংরক্ষিত ও পরিচালিত হবে; ফলে, কোন ধর্মীয় গোস্টী, ধর্মীয় দল, মোল্লা সমাজ, রাজনৈতিক দল, বা ব্যক্তি ধর্মীয় কোন কার্যক্রম, ধর্মীয় প্রতিস্ঠান, ধর্মীয় মতবাদ চালু করতে পারবে না; শুধু রাস্ট্রই তা করার ক্ষমতা রাখে।

এখন থেকে ইসলাম ধর্মের সকল কার্যক্রম রাস্ট্র দ্বারা পরিচালিত হবে; ইসলাম শিক্ষা, ইসলামের লালন পালন, মাদ্রাসা, মসজিদ সবই পরিচালিত হবে সরকারের মাধ্যমে; মোল্লা শ্রেণীর সকল ক্ষমতা বিলুপ্ত হয়ে গেছে।

ব্যক্তি যাতে ইসলাম মেনে চলে, ইসলাম পালন করে, ইসলামিক জীবন যাপন করে, সবই রাস্ট্র কর্তৃক পরিচালিত হবে; এমন কি আমাদের মাঝে সুন্নী, শিয়া, আহমেদিয়া, কাদিয়ানী থাকতে পারবে কিনা, রাস্ট্রই সেটা নির্ধারণ করবে।

সব ধর্মীয় প্রতিস্ঠান, মসজিদের মালিক রাস্ট্র; নতুন করে কেহ মসজিদ নির্মাণ করতে পারবে না, শুধু রাস্ট্রই করবে; কেহ বিনা অনুমতিতে ইমামতি করতে পারবে না; নামাজ পড়াতে হলে রাস্ট্র থেকে অনুমতি, লাইসেন্স নিতে হবে। কেহ ইসলাম পালন না করলে, রাস্ট্র তার বিচার করতে পারবে।

ইসলামরাস্ট্র ধর্ম হওয়ায় বাকী ধর্ম পালনে অসুবিধা হবে কিনা? না, অসুবিধা হবে না; কারণ, ইসলাম নিজেই অন্য ধর্ম পালনে বাধা দেয় না; তবে, অন্য ধর্মের লোকদের উপর রাস্টের ধর্মীয় কর্তৃত্ব থাকবে না; কারণ, শুধু ইসলামই রাস্ট্র ধর্ম, অন্য ধর্মগুলো রাস্ট্রের এখতিয়ারের বাহিরে। কিন্তু, যেহেতু রাস্ট্রের আইন ও সংবিধান সব নাগরিককেই মানতে হয়, রাস্ট্র চাইলে বাকী ধর্মের লোকদেরও ইসলামিক জীবন যাপন করতে হবে।
সর্বশেষ এডিট : ০৩ রা এপ্রিল, ২০১৬ রাত ৮:৫৯
১৪টি মন্তব্য ১২টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

নতুন ভোরের গান

লিখেছেন স্বপ্নের শঙ্খচিল, ৩১ শে আগস্ট, ২০২৬ ভোর ৬:৪৭


নতুন ভোরের গান



কষ্টের দিন পেরিয়ে এবার
আসবে আলোর গান,
নতুন দিনের নতুন সুরে
জাগবে সবুজ প্রাণ।

নষ্ট স্মৃতির আড়ষ্টতা
ঝরিয়ে দেবো অনেক দূরে,
নিজের মনেই ভালোবাসার
নূপুর বাজবে সুরে সুরে।



ভ্রষ্ট পথের আঁধার কেটে
ভোর... ...বাকিটুকু পড়ুন

ব্লগে চার বছর একদিন হয়ে গেল । কি আশ্চর্য!

লিখেছেন সামরিন হক, ৩১ শে আগস্ট, ২০২৬ ভোর ৬:৪৭

অবজ্ঞা

তোমার বিশেষ ঘৃণা দ্বারা আক্রান্ত আমি
চারপাশ ঘিরে ফেলেছে ঘৃণারা আমাকে
আস্তে আস্তে গ্রাস করে নিচ্ছে আমাকে তোমার ঘৃণা
আমার কথা শোন
আমি কখনই মনুষ্যত্বের সীমা পার করিনি
কিন্তু তোমার ঘৃণায়... ...বাকিটুকু পড়ুন

গুপ্ত-গায়েব-গুম এবং পিওর ও শিওর লাভ

লিখেছেন সামছুল আলম কচি, ৩১ শে আগস্ট, ২০২৬ সকাল ১১:১৬


৭ মাসে বাংলাদেশে ১৫ হাজার শিশু নিখোঁজ !!!
এমন রোমহর্ষক, চমকে যাওয়া এবং অন্তরে কাপুনি ধরানোর মতো তথ্য বা কথা বার্তার কোনও মানে হয় ??!!
গরীব পরিবারের শিশুদের কথা বাদ দেই-এ... ...বাকিটুকু পড়ুন

সরকারী অফিসারদের বেতন বাড়ানোর সিদ্ধান্তকে সাধুবাদ জানাই

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ৩১ শে আগস্ট, ২০২৬ রাত ৮:০০

দেশের গুরুত্বপূর্ণ কাজগুলো সরকারী অফিসারদের হাত ধরেই হয়। সেজন্যে, এই পদগুলো যোগ্য মানুষদের হাতে যাওয়া প্রয়োজন। কিন্তু, সমস্যা হচ্ছে, গত কয়েক দশকে দেশের টপ ট্যালেন্টদের বেশির ভাগই কোনক্রমেই সরেকারী অফিসার... ...বাকিটুকু পড়ুন

টাই চাই

লিখেছেন তানভীর রাতুল, ০১ লা সেপ্টেম্বর, ২০২৬ রাত ২:৩১

সরকারি প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে: অদ্য হইতে কোনো সরকারি বা বেসরকারি কার্যালয়ে ও সর্বসাধারণের জন্য উন্মুক্ত স্থানে টাই ও বেল্ট পরিধান দণ্ডনীয় অপরাধ। কারণ ব্যাখ্যা করা হয়েছে একবাক্যে: "কর্মক্ষেত্র ও যত্রতত্র... ...বাকিটুকু পড়ুন

×