
মানুষ ব্যতিত, অন্য কোন প্রাণীদের 'বিয়ে' হয় না; ফলে, যৌবন প্রাপ্তীর সাথে সাথে তারা বিপরিত লিংগের সাথে যৌন মিলনে মিলিত হতে পারে; ফলে মানুষ ব্যতিত, প্রাণী জগতের বাকী অংশ মোটামুটি ধর্ষণমুক্ত।
মানুষ ও সামান্য কিছু প্রাণী ব্যতিত, বাকী প্রাণীদের যৌন মিলনের ব্যাপারে প্রকৃতি ভয়ানক এক অন্যায় করেছে, যৌন মিলনের অনুভুতির হরমোন মানসিক অবস্হার উপর নির্ভর না করে, শারীরিক অবস্হার উপর নির্ভর করে; শারীরিক হরমোনের ট্রিগার ঘটার পর, তা মানিসিক হয়; ফলে, তারা বিপরিত লিংগের সাথে সারাক্ষণ একত্রে থাকলেও, তারা প্রজননের একটা সময়ে মাত্র মিলিত হয়, এবং বেশীরভাগ ক্ষেত্রে স্ত্রী লিংগের ক্ষেত্রে মাত্র একবার জিং জিং খেলে। প্রাণী জগতের মিলনের ব্যাপারে, প্রকৃতি আরো একটা বড় কন্ট্রোল হাতে রেখেছে, স্ত্রী-লিংগের হরমোনের ট্রিগার ঘটার পর, তাদের মনোভাব, চালচলন ও শারিরীক হাবভাব সেই প্রজাতির পুরুষের মিলনের হরমোনের ট্রিগার টিপে।
মানুষের যৌন মিলনের হরমোনের ট্রিগার ঘটে মানসিকভাবে, সাথে সাথে উহা শারীরিক প্রসেসে পরিণত হয়; এবং এটা যেকোন মহুর্তে ঘটতে পারে; এটা ভয়ংকর পরিস্হিতি, প্রকৃতির দান, অথবা শাস্তি; অর্থাৎ, যৌন মিলনের ইচ্ছা ও হরমোনের সাথে যুদ্ধ করে মানুষকে জয়ী হতে হয় বেশীর ভাগ সময়ে, মানসিক ট্রিগারকে নিউট্রেল করতে হয়; যদি মানুষ এই পরিস্হিতিতে পরাজিত হতো, বিশ্ব ভয়ানক সমস্যায় পতিত হতো।
মানুষ প্রানী জগতের সদস্য হলেও, বুদ্ধিমত্তায় সে এত উপরে যে, মানুষের পর দ্বিতীয়, তৃতীয় বা হাজার কোটী স্হানেও কেহ নেই; খুশীর ব্যাপার হলো, যেই মানুষ যতই বুদ্ধিমান, তার যৌনতার হরমোনের ট্রিগার ততই সুসংহত; ফলে, সে মোটামুটি হরমোনের কাছে পরাজিত না হয়ে, হরমোন বিজয়ের উৎসবের আনন্দঘন মহুর্তে হরমোনকে শরীরে প্রবাহিত হতে দেয়।
কিন্তু যে মানুষ বিবাহিত নয়, এবং বুদ্ধিমান নয়, তার অবস্হা কি? ভয়ংকর অবস্হা, যৌন মিলনের ইচ্ছার কাছে সে পরাজিত হয়; তার মিলনের ইচ্ছা জাগার সাথে সাথে, তা শারীরিক রূপ নেয়, এবং সে সামাজিক নিয়ম ভংগ করার জন্য প্রস্তুত; একমাত্র নিয়ম ভংগের শাস্তির 'ভয়ই' তাকে রক্ষা করতে পারে; যদি, সে সেই ভয়কে জয় করে, তখন সে নিয়ম ভংগ করবে।
মানুষের মানসিক কামনা ও শারীরিক হরমোন বিপরিত লিংগের সাথে মিলনের পরিস্হিতিতে নিয়ে যায়; তাই যৌবন প্রাপ্তির পর, যথা সম্ভব কম সময়ের মাঝে বিয়ে হলে, ধর্ষন কমে যাবে; অথবা শিক্ষার মাধ্যমে তার বুদ্ধিমত্তাকে উপরের স্তরে নিলে সমস্যা কমবে; সবচেয়ে শেষ পদক্ষেপ হবে, সামাজিক শাস্তির মাধ্যমে নিয়ন্ত্রন।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

