
বহুবার বলা হয়েছে যে, বর্তমান পুলিশ বাহিনী দেশের আইন শৃংখলা অধপতনের বিরাট কারণ; বর্তমান বাহিনী দেশের আইন কানুন রক্ষা না করে, উহাকে নিয়ন্ত্রিত উপায়ে খারাপের দিকে নিয়ে যাচ্ছে ক্রমাগতভাবে। মনে হচ্ছে, এসপি বাবুলের স্ত্রী হত্যার ঘটনা প্রবাহ জাতিকে বিস্মিত ও সন্দেহ-প্রবন করবে, ও সাথে সাথে নিজেদের অসহায়ত্বের বিষয়টি প্রমাণ করবে।
স্ত্রী হত্যাকান্ডে কোন নাগরিকের বক্তব্য গ্রহন করার জন্য, বা জিজ্ঞাসাবাদ করার জন্য রাত ১২টা বাজে পুলিশ এসে নিয়ে যায়? এসপি বাবুল পুলিশের লোক, স্ত্রী হত্যাকান্ডে উনার সাথে যদি গোয়েন্দারা বা পুলিশের টিম কথা বলতে চায়, উনাকে কি রাত ১২টায় তুলে নেয়ার কথা, নাকি উনাকে অফিসিয়েলী ওখানে যাবার জন্য নির্দেশ দেয়ার কথা? এগুলো কি প্রফেশালদের কর্ম প্রণালী?
৯০ হাজার সদস্যের এই বাহিনী যেভাবে দেশের আইন-কানুন রক্ষা করছে, এটা গ্রহনযোগ্য নয়, বরং এটা জাতিকে সমুহ এনার্খির দিকে নিয়ে এসেছে।
বেগম খালেদা জিয়া 'র্যাব' গঠন করে, পুলিশকে মিথ্যা বলার সুযোগ করে দিয়েছেন। এর আগে যে পুলিশ সৎ ছিল তা নয়; তবে, 'বন্দুক যুদ্ধের' কাহিনী পুলিশকে পুরোপুরি অপরাধের জগতে প্রবেশের লাইসেন্স দিয়ে দেয়। বন্ধুক যুদ্ধের কাহিনী জাতিকে 'মিথ্যায় বিশ্বাসী জাতিতে' পরিণত করে।
বেগম জিয়ার বন্দুকযুদ্ধকে স্বাভাবিকভাবে বন্ধ করার কথা ছিল শেখ হাসিনার সরকারের পক্ষ থেকে; কিন্তু এখানে ব্যতিক্রম পাওয়া গেছে, এখানে ২ জনের মাঝে মিল আছে।
বন্দুক যুদ্ধ দেশের মিলিটারীরও ক্ষতি করেছে; আসলে বন্দুক যুদ্ধ দেশকে মগের মুল্লুকে পরিণত করেছে। দেশের শিক্ষিত মানুষেরা বন্দুকযুদ্ধ বন্ধ করতে সরকারের উপর চাপ সৃস্টি করেনি; কারণ, তাদের শিক্ষা এই প্রক্রিয়ার সুদুর প্রসারী ভয়ংকর ফলাফল অনুমান করতে সাহায্য করেনি।
জাতিকে বুঝতে হবে যে, দেশের আইন কানুন রক্ষা করার নামে, নিজেদের পয়সা খরচ করে এই রকম ভয়ংকর লোকদের পুলিশ বাহিনীতে রাখা ঠিক হবে না।
স্বরাস্ত্র মন্ত্রনালয় থেকে শুরু করে, প্রতিটি পুলিশ সদস্যকে এভালুয়েট করার দরকার; এদের বিরাট অংশ আইন শৃংখলা রক্ষা করার মতো অবস্হানে নেই।
দেশে কমপক্ষে ৩ লাখ পুলিশের দরকার; একটা সম্পুর্ণ নতুন বাহিনী গঠন করে, বর্তমান বাহিনীকে রিটায়ার করার দরকার।
সর্বশেষ এডিট : ২৫ শে জুন, ২০১৬ সন্ধ্যা ৬:১৮

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



