
ভারত অনেক বড় মুল্য দিয়ে শিখদের থামায়েছে, ভারতের শক্তিধর মহিলা ইন্দিরা গান্ধীকে প্রাণ দিতে হয়েছে; খুবই কস্টে ভারত আসামকে ঠিক পথে আনার চেস্টা করছে; পুর্ব বাংলা যদি ভারতে থাকতো, এবং একবার যদি বের হবার চেস্টা করতো, উহাকে ভারত কিছুতেই থামাতে পারতো না, বাংগালীরা শিখ বা অসমিয়া নন; এই ধারণাতে কোন ভুল নেই; সেই বাংলাদেশকে ভারত গ্রাস করবে? আমার ধারণা, ভারতের কারো মাথায় এই দুর্বুদ্ধি কখনো আসবে না।
তা'হলে বেগম খালেদা জিয়া ল্যান্দুপ দর্জির ও সিকিমের কথা বলেছিল কেন? কারণ, উনি বাংগালীদের চেনেন না; উনাকে ৩ বার বাংগালীরা ভোট দেয়াতে উনি বাংগালীদের মোটামুটি ইডিয়ট হিসেবে ধরে নিয়েছেন। হ্যাঁ, অশিক্ষিত করে রাখায় কোটী কোটী বাংগালী কোন কিছুই সঠিকভাবে করতে পারছেন না; কিন্তু ইহারা সিকিমবাসী নন; উনি ক্রমেই সেটাও বুঝবেন।
বাংগলাদেশী ব্যুরোক্রেটরা ও সরকারগুলো বাংগালীদের সঠিক শিক্ষা থেকে দুরে রেখেছেন কৌশলে; সেগুলোর সুযোগ নিচ্ছে ভারত; যেমন, ঈদের সময়ে ৫০ হাজার পরিবার ভারত যাচ্ছে ছুটিতে; সেখানে গিয়ে অপ্রয়োজনীয় ন্যাকড়া ফেকড়া কিনে বাড়ী ফিরবেন কিছুদিন পর, এতেই খুশী, উনারা এলিট হবেন; নিজেদের তোলা তাজমহলের ছবি দেখবেন, ফেসবুকে লোড করবেন।
ভারত বাংলাদেশের মতো এত বড় বাজার ও হাত-খোলা কাস্টমার পেয়ে খুশী; ওরা এর চেয়ে বেশী কিছু চাহে বলে মনে হচ্ছে না; ওরা চুটিয়ে ব্যবসা করছে, সেটাই ওরা করতে চাইবে।
ভারত যদি তার-কাঁটার দেয়াল তুলে নেয়, ৩/৪ কোটী বাংগালী পহেলা সপ্তাহেই পুরো ভারতে ছড়িয়ে পড়বে; ও সহজেই অল্পদিনের মাঝে নিজেদেরকে ভারতের লোকদের থেকে ভালো পজিশনে নিতে সক্ষম হবে। ভারত এগুলো বুঝে।
ভারত আমাদের গ্রাস করবে বলে যারা কাঁদে, দেখেন তাদের ঘরে সারাক্ষণ ভারতীয় চ্যানেল চলছে, সারাক্ষণ হিন্দি গান শুনে, তারা জাতীয় অনুস্ঠানে ভারতীয় ন্যাকড়া ফেকড়া পরে; সুযোগ পেলে কলিকাতা কিয়ে বাজার করে, আগ্রা গিয়ে ছবি তোলে, আজমীর গিয়ে শিন্নি খেয়ে আসে; এদের মগজে ভারতীয় ভুত বসবাস করে, কথায় কথায় বলে, ভারত আমাদের গ্রাস করে নেবে।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

