
দেশে কিছুদিন আক্রমণ চলবে মনে হচ্ছে, যারা হত্যাকান্ড চালাচ্ছে তারা বেশ প্রস্তুতি নিয়ে নেমেছে; দেশে তাদের সমর্থকও আছে কিছু ঐতিহাসিক কারনে। শুরুতেই তাদিগকে প্রচন্দ শক্তি দিয়ে থামাতে হবে; তারপর, রাজনৈতিক, সামাজিক, অর্থনৈতিক ও সাংস্কৃতিক সমাধান বের করতে হবে; প্রথমে না থামাতে পারলে, ওদের সমর্থকদের সংখ্যা বেড়ে যাবে, জাতি পক্ষে ও বিপক্ষে ভাগ হয়ে যাবে।
প্রতি বর্গ-কিলোমিটার থেকে ৪ জন শিক্ষিত ও দেশ-প্রেমিক মানুষকে পুলিশে নেয়া হোক, ট্রেনিং শেষে, ৪ ইউনিটের ১৬ জন পুলিশ নিজ এলাকায় এক কেন্দ্রে থাকবেন, তারা ৪ বর্গ-কিলোমিটার দেখাশোনা করবেন; এলাকার সন্দেহ-ভাজনদের ১ বছরের জন্য কোথায়ও যেতে দেবেন না; সন্দেহ-ভাজনরা যেখানে চাকুরী করেন, পড়েন, সেখানে ১ বছর অবস্হান করবে। রাতে সন্ডেহ-ভাজনদের জন্য কার্ফু, কোথায়ও যেতে পারমিশন নিয়ে যেতে হবে।
শহর এলাকায়, প্রতি বর্গ-কিলোমিটারে ১০ জন পুলিশ থাকবেন দুস্টদের উপর নজর রাখার জন্য; শহরের সন্দেহ-ভাজনদের চাকুরী না থাকলে, ও পড়াশোনা না করলে, ওদের নিজের গ্রামে বাস করতে বাধ্য করতে হবে; সন্দেহ-ভাজনরা চাকুরী ও পড়াশানার পর নিজ বাসস্হানে অবস্হান করবে; ওরা কোন ফোন ও কম্প্যুটার ব্যবহার করতে পারবে না; অন্য এলাকায় যেতে পারবে না। বিনা পারমিশনে কারো বাড়ীতে কোন মেহমান অবস্হান করতে পারবে না আগামী ১ বছর।
বর্তমানে গোলযোগে, কোন অবস্হায় ভারতীয়দের সাহায্য নেয়া ঠিক হবে না, কারণ দেশের ৯০% মানুষ ভারত-ফোবিয়ায় ভুগছে; ভারতীয় কেহ এলে, অনেক মানুষের নীরব সমর্থন খারাপদের পক্ষে চলে যেতে পারে। আমেরিকান পুলিশ বর্তমান বিশ্বে সবার চেয়ে অদক্ষ, সব ড্রপ-আউট, টাউট, মাউট পুলিশের চাকুরী পাচ্ছে। ফলে, বিদেশীদের সাহয্য নেয়ার উপায় নেই।
নিজে দেশের ভালো দক্ষ মানুষেরা বেকার বসে আছেন, মানুষ নিজের এলাকার নাড়ী নক্ষত্র জানেন; নিজের লোকদের পুলিশে নেয়া হোক; অবসর সময়ে উনাদের কোন না কোন কাজে লাগানো সম্ভব; এখন প্রথম দিকে দুস্টদের ভয়ংকর শক্তি দিয়ে মোকাবেলা করার দরকার।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

