
পরাজিত রিপাবলিকানরা, রমনি, ম্যাককেইন, পল রায়ান, প্রাইমারীর ১৭ পরাজিত সিনেটর-গর্ভণর সবাই একযোগে চীৎকার দিচ্ছে ট্রাম্পকে সরে যেতে; ২টি বিষয় কাজ করছে, আগে ওরা ভয় পেয়েছিল যে, ট্রাম্প জয়ী হলে এদের গুরুত্ব কমে যাবে; এখন দেখছে ট্রাম্পের বদলে, ওর ভাইস প্রাথী পেন্স অতি সহজেই হিলারীকে পরাজিত করতে পারবে; এখন রিপাবলিকানরা ২ পাখী মারতে চাচ্ছে। পেন্স প্রাইমারীতে এলে, সহজেই ট্রাম্পের কাছে পরাজিত হতো; কিন্ত গত ৩ সপ্তাহের ঘটনা প্রবাহে পেন্সের চরিত্র, হিলারী ও ট্রাম্প থেকে বেশী শক্ত বলে প্রমাণিত হয়েছে।
পেন্স চরিত্র শক্তভাবে সামনে এসে যাওয়ায়, হিলারী ট্রাম্পের বহিস্কার চাচ্ছে না আর; গতকাল সকালে, ভুলে একবার বলেছিল যে, ট্রাম্প নির্বাচনে অংশ নেয়ার যোগ্যতা হারায়েছে; আজকে উনি মনে করছেন যে, পেন্স থেকে ট্রাম্পকে হারানো সহজ হবে, আজকে চুপ।
ট্রাম্পের সবকিছু নির্ভর করছে আজকের ডিবেইটের উপর: যদি শুরুতে, ট্রাম্প জাতির কাছে নিশর্তভাবে ক্ষমা চায়, হিলারীর খবর আছে; কিন্তু ট্রাম্পের সমস্যা হলো, সে নিশর্তভাবে ক্ষমতা চাইতে জানে না, ক্ষমা চাইতে গিয়ে গতকাল একটা লেজ লাগায়ে দিয়েছে। তাকে শুরুতে বলতে হবে, "আমি যা বলেছি, এগুলো গ্রহনযোগ্য নয়, আমি ক্ষমা চাই, এগুলো আর হবে না"।
আজকের ডিবেই হচ্ছে টাউন-হল ফরমেটে, শ্রোতারা প্রশ্ন করবে। আমেরিকার অর্থনৈতিক অবস্হা ভালো, বেকার নেই; ফলে, শ্রোতাদের ভেতর দরিদ্র শ্রেনীর কেহ থাকবে না; ফলে, ওদের প্রশ্ন পেট নিয়ে হবে না, হবে ট্রাম্পের বক্তব্য নিয়ে। আজকের ডিবেইটে ট্রাম্প ভালো করতে না পারলে সে হতাশ হয়ে যাবে; তারপর সে কি করবে, বলা মুশকিল। তবে, ২ দল, মিডিয়া ও বিশ্বের রাজনীতিবিদরা চাচ্ছে সে যেন পরাজিত হয়।
আবার, আমেরিকানরা কিন্তু খুবই ভিন্ন জাতি, তারা ট্রাম্পকে পুরোপুরি নিজের থেকেই মাফ করে দিতে পারে; আগামীকাল বুঝা যাবে।
সর্বশেষ এডিট : ০৯ ই অক্টোবর, ২০১৬ বিকাল ৫:০২

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




