
বাংগালীদের সৌভাগ্য যে, ভারত-পাকিস্তান এটোমিক যুদ্ধ হবে না; হলে, ভারতের পাশে থাকার ঘোষনা দেয়ার কারণে, ঢাকায় যদি একটি সোনালী ডিম ফেলা হতো, সেটা যুদ্ধের নিয়ম মেনেই হতো। ভারত-পাকিস্তানের যুদ্ধের বেলায়, বাংলাদেশকে কারো পক্ষ নেয়ার দরকার নেই; কারণ, তাদের যুদ্ধ হচ্ছে 'জাতীয় ইগো ভিত্তিক' যদিও কাশ্মীর একটা উছিলা মাত্র।
কাশ্মীরিরা স্বাধীনতা চেয়ে আসছে 'মুসলমান' হিসেবে; ওরা ভারতীয় অংশের স্বাধীনতা চায়, পাকিস্তানী অংশের স্বাধীনতা চায় না; পাকিস্তানী অংশের স্বাধীনতা চাইলে কি হবে কেহ জানে না; পাকিস্তানী কাশ্মীর যদি স্বাধীন হতো, কাশ্মীর নামে একটি দেশ থাকতো পাকিস্তানী কাশ্মীরে।
ভারতীয় কাশ্মীর স্বাধীন হোক, প্রতিটি বাংগালী চায়; কিন্তু তারা কোনদিন জানতে চায়নি পাকিস্তানী কাশ্মীর কেন একটি স্বাধীন দেশ হলো না; নাকি বাংগালীরা চাচ্ছে, ভারতীয় কাশ্মীর ভারত থেকে বের হয়ে, পাকিস্তানের অংশ হোক? ভারতীয় কাশ্মীরের লোকেরা কিন্তু তা কোনদিন চাহেনি!
যাক, পাকিস্তানের পুরো জনতা কিন্তু ভারতের সাথে যুদ্ধ চায়; এবং পাকিস্তানীরা আসলে এটোমিক যুদ্ধই চায়; এতদিনে হয়তো সাধারণ পাকিস্তানীরা এটোমিক যুদ্ধের ফলাফল বুঝার মতো স্তরে গেছে; কিন্তু ভারতের বেলায় ওরা মগজ হারিয়ে ফেলে।
যাক, পাকি ও ভারতীয়দের ব্যাপার তারা দেখুক; আমরা দেখি আমাদের জাতীয় ঐক্য কোন পর্যায়ে আছে! আমার ধারণা, প্রায় সকল বাংগালীই কাশ্মীরীদের স্বাধীনতার সমর্থন করে, যা ভারত করে না; আমাদের জনতার সরকার কি করে তা'হলে 'ভারতের পাশে' আছে?
জামাত-বিএনপি এখন আর বলে না, তারা পাকিস্তানের পক্ষে; আমি ধরে নিয়েছি যে, কাশ্মীর নিয়ে ভারতের সাথে কোনরূপ বুমবাম হলে, জামাত-বিএনপি পাকিস্তানের পক্ষে থাকবে!
ভারতীয়রা কাশ্মীর নিয়ে এক, কাশ্মীর ছাড়া হবে না; দরকার হলে যুদ্ধ হবে। পাকিস্তানীরা ঘাস খেয়ে হলেও কাশ্মীর নিতে চায়, তারাও এক।
আমরা বাংগালীরা কাশ্মীর থেকে হাজার মাইল দুরে, এবং কমপক্ষে ৩ ভাগে বিভক্ত, এটাই আজকে আমাদের জাতীয় ঐক্যের অবস্হা।
সর্বশেষ এডিট : ০৯ ই অক্টোবর, ২০১৬ রাত ৮:৪৫

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




