
২য় বিশ্বযুদ্ধের পর থেকে, আমেরিকার সাথে ইংল্যান্ড, কানাডা, ফ্রান্স, জার্মানীসহ সকল পশ্চিম ইউরোপীয় দেশ ও অস্ট্রেলিয়ার একটি ঘনিস্ট ও স্হিতিশীল সম্পর্ক আছে; সৌদীও ইসরায়েলের সাথে সাথে তাদের এক ধরণের আলাদা সম্পর্ক আছে; ভারত ব্যতিত তৃতীয় বিশ্বের সবার সাথে এক ধরণের সম্পর্ক; চীন ও রাশিয়ার সাথে ভিন্ন স্তরের সম্পর্ক; উত্তর কোরিয়া, ইরানের সাথে এক বিশেষ ধরণের সম্পর্ক।জাপান, দক্ষিণ কোরিয়া ও তাইওয়ানের সাথে আলাদা ধরণের সম্পর্ক। সব দেশের সাথে আমেরিকা বিশষ নিয়মে সম্পর্ক বজায় রেখে চলছে।
প্রেসিডেন্ট বদলালে সম্পর্ক খুব একাট বদলায় না; বিশেষ করে, ১ম বিশ্ব ও ৩য় বিশ্বের বেলায় বদলানোর কিছু থাকে না; ইংল্যান্ডের সাথে বা বাংলাদেশের সাথে তেমন কিছু বদলানোর দরকার হয় না; প্রেসডেন্ট রিগ্যান থেকে ওবামা অবধি বিশাল কোন বড় পরিবর্তন চোখে পড়েনি।
এবারও তেমন কিছু রদবদলের কথা নেই; কিন্তু বিশ্বের দেশগুলো নিজের থেকেই বেশ কিছুটা অস্বস্তির মাঝে আছে, তাদের আগের সম্পর্ক কি থাকবে? এই অস্বস্তি থেকে ইংল্যান্ড, কানাডা থেকে শুরু করে সুইসেরাও মুক্ত হতে পারছে না।
ন্যাটো- ফেটো, নাফটা-মাফটা, সাল্ট-মাল্ট, ইউএস-এইড -মেইড, জাতি সংঘ, রিলিফ-মিলিফ, সব ধরণের চুক্তি থেকে শুরু করে, সবকিছু নিয়ে, সবাই ভাবার শুরু করেছে; কি থাকবে, কি থাকবে না।
ইরান, উত্তর কোরিয়া, চীন, কিউবা সবাই গত এক সপ্তাহে নিজেরাই নিজের থেকে কিছুটা এলার্টের মাঝে আছে। ইরান পারস্য উপসাগরে আমেরিকান যুদ্ধ জাহাজের লেজের কাছে এসে ঘুরছে; উত্তর কোরিয়া বলছে যে, তাদের মিসাইল আমেরিকা অবধি যাবে; চীন আমেরিকাকে চীন সাগর থেকে বাহিরে থাকার জন্য বলেছে; এবং তাইওয়ান নিয়ে নিয়ে আমেরিকাকে চুপ থাকার উপদেশ দিয়েছে!
ইসরায়েল, রাশিয়া ও তাইওয়ান খুব বেশী আশাবাদী হয়ে গেছে, তারা ওবামাকে পাশ কাটিয়ে ট্রাম্পের সাথে সরাসরি কথাবার্তা শুরু করেছে নির্বাচনের পরপরই। মেক্সিকো নিজের সীমান্ত নিয়ে রীতিমত ভারত-বাংলাদেশের মত অবস্হানে চলে গেছে, তারা ৪/৫ মিলিয়ন মেক্সিকানের পুশ ব্যাকের ভয়ে সীমান্তে রেডক্রস ও পুলিশ নিয়ে এসেছে।
সারা বিশ্ব এক অজানা অস্বস্তিতে ভুগছে, কেহ জানে না, তাদের আগের সম্পর্ক কি বজায় থাকবে, নাকি নতুন করে কিছু ভাবতে হবে!
সর্বশেষ এডিট : ১৫ ই জানুয়ারি, ২০১৭ সন্ধ্যা ৬:৩৬

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



